অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডে কাজ না করে ৬৪ প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

নীলফামারী : নীলফামারীর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে কাজ না করে ৬৪টি প্রকল্পের প্রায় কোটি টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে জানা যায়, গত অর্থ বছরের ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনস্ত তিস্তা ডানতীর বাঁধ, বামতীর বাঁধ, প্রধান ক্যানেল, কলোনী সংস্কার ও মেরামত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্রয়সহ ৬৪টি গ্রুপের কাজ কাগজে-কলমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আর এ কাজে কোটি টাকা স্থানীয় প্রভাবশালী ঠিকাদারসহ ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তা।

সর্বোচ্চ ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আর সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা পর্যস্ত প্রকল্পগুলোর বিল করা হয়। আর, এস, কিউ ও ইমার্জেন্সী ওয়ার্ক নামে এসব কাজ দেখানো হলেও তার কোন অস্তিত্ব নেই। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও দুজন এসও ৩০ জুনের আগে প্রভাবশালী কয়েকজন ঠিকাদারকে অফিসে ডেকে এনে সমঝোতার মাধ্যমে তাদের লাইসেন্সে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখানো হয়।

এদের মধ্যে একজন প্রভাবশালী ঠিকাদারের ভাই, চাচাসহ ৪ জনের ও এক এসও’র বিয়াইর লাইসেন্স ব্যবহার করা হয়।

এছাড়া ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানের ঠিকাদারদের লাইসেন্স ভাড়া করে নিয়ে এসে ব্যবহার করা হয় এসব গ্রুপের কাজে।

প্রকৃত মালিক না থাকায় সম্প্রতি ডালিয়া একাউন্ট অফিস একটি বিল আটকিয়ে দিলে ভাড়া করা লাইসেন্সের তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ফয়সাল আহমেদের নামে এবং তার লাইসেন্সে ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি বিল দাখিল করা হয়। কিন্তু চেক দেয়ার সময় প্রকৃত মালিক না পাওয়ায় তা আটকিয়ে দেন একাউন্ট অফিস।

স্থানীয় একাধিক ঠিকাদার জানান, ৬৪টি প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখিয়ে নামে বে-নামে যে বিল উত্তোলন করা হয়েছে তার বেশিরভাগেরই অস্তিত্ব নেই। এছাড়া ২০১৪ সালে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে সেই সব প্রকল্প আবারও দেখিয়ে বিল তোলা হয়েছে বলে স্থানীয় ঠিকাদারের অভিযোগ।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফজলুল হক অনিয়মের বিষয় অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, ঠিকাদারদের যেসব কাজের বিল দেয়া হয়েছে তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, আমার সময় এসব কাজ করা হয়নি তাই এ ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারবো না।

Tag :

গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডে কাজ না করে ৬৪ প্রকল্পের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৩:৫০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০১৫

নীলফামারী : নীলফামারীর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিরুদ্ধে কাজ না করে ৬৪টি প্রকল্পের প্রায় কোটি টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে জানা যায়, গত অর্থ বছরের ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনস্ত তিস্তা ডানতীর বাঁধ, বামতীর বাঁধ, প্রধান ক্যানেল, কলোনী সংস্কার ও মেরামত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্রয়সহ ৬৪টি গ্রুপের কাজ কাগজে-কলমে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আর এ কাজে কোটি টাকা স্থানীয় প্রভাবশালী ঠিকাদারসহ ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কতিপয় কর্মকর্তা।

সর্বোচ্চ ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আর সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা পর্যস্ত প্রকল্পগুলোর বিল করা হয়। আর, এস, কিউ ও ইমার্জেন্সী ওয়ার্ক নামে এসব কাজ দেখানো হলেও তার কোন অস্তিত্ব নেই। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও দুজন এসও ৩০ জুনের আগে প্রভাবশালী কয়েকজন ঠিকাদারকে অফিসে ডেকে এনে সমঝোতার মাধ্যমে তাদের লাইসেন্সে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখানো হয়।

এদের মধ্যে একজন প্রভাবশালী ঠিকাদারের ভাই, চাচাসহ ৪ জনের ও এক এসও’র বিয়াইর লাইসেন্স ব্যবহার করা হয়।

এছাড়া ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানের ঠিকাদারদের লাইসেন্স ভাড়া করে নিয়ে এসে ব্যবহার করা হয় এসব গ্রুপের কাজে।

প্রকৃত মালিক না থাকায় সম্প্রতি ডালিয়া একাউন্ট অফিস একটি বিল আটকিয়ে দিলে ভাড়া করা লাইসেন্সের তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ফয়সাল আহমেদের নামে এবং তার লাইসেন্সে ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকার একটি বিল দাখিল করা হয়। কিন্তু চেক দেয়ার সময় প্রকৃত মালিক না পাওয়ায় তা আটকিয়ে দেন একাউন্ট অফিস।

স্থানীয় একাধিক ঠিকাদার জানান, ৬৪টি প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখিয়ে নামে বে-নামে যে বিল উত্তোলন করা হয়েছে তার বেশিরভাগেরই অস্তিত্ব নেই। এছাড়া ২০১৪ সালে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে সেই সব প্রকল্প আবারও দেখিয়ে বিল তোলা হয়েছে বলে স্থানীয় ঠিকাদারের অভিযোগ।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফজলুল হক অনিয়মের বিষয় অস্বীকার করে সাংবাদিকদের জানান, ঠিকাদারদের যেসব কাজের বিল দেয়া হয়েছে তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, আমার সময় এসব কাজ করা হয়নি তাই এ ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারবো না।