অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল

পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার বাদিনীর স্বামীর গায়ে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ

গাইবান্ধা: ধর্ষণের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসিসহ ৫পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার বাদিনীর স্বামীকে এসিড নিক্ষেপ করেছে দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের জিরাই গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

পূর্ব শত্রুতার জেরে পুলিশের ইন্ধনে এসিড ছুড়ে মারার অভিযোগে মুকুল মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, মুকুল মিয়া রাত সাড়ে ১০টার দিকে মহিমাগঞ্জ বাজার থেকে মোটর সাইকেল যোগে জিরাই গ্রামে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। তিনি মহিমাগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসার পাশে আসার পর ওঁৎ পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার পথ রোধ করে। এক পর্যায়ে দুর্বৃত্তরা মুকুল মিয়ার শরীরে এসিড ছুড়ে মারে। এতে তার বুক ও পীঠের বেশীভাগ অংশ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়। এসময় তার আর্ত চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে এসিড বার্ণ ইউনিট না থাকায় মুকুল মিয়াকে রাতেই বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।

উল্লেখদ, মুকুল মিয়া ও তার স্ত্রীর সাথে একই গ্রামের লাজনীন বেগমের পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মামলা চলে আসছিল। সম্প্রতি লাজনীন বেগমের মামলার আসামি মুকুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে গোবিন্দগঞ্জ থানার কতিপয় পুলিশ সদস্য তার বাড়িতে যায়। এসময় মুকুল মিয়া বাড়িতে না থাকায় পুলিশ তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে ধর্ষণের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানি ঘটায় বলে অভিযোগ করা হয়। এসময় তার দুই জা-হালিমা বেগম ও ফাহিমা বেগমের শ্লীলতাহানি ঘটানো হয়। এই ঘটনায় মনোয়ারা বেগম বাদি হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম জাহিদুল ইসলাম, এসআই ফজলুর রহমান, কনস্টেবল আব্দুল মান্নান, মোঃ তুহিন ও গাড়ী চালকের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতে চলতি বছর ৩১মার্চ মামলা দায়ের করেন । মামলাটি এখন বিচারাধীন রয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম জাহিদুল ইসলাম জানান, তার এলাকায় এ ধরেণের কোন সংবাদ তিনি পাননি।

Tag :

নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার বাদিনীর স্বামীর গায়ে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৩:৫১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০১৫

গাইবান্ধা: ধর্ষণের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসিসহ ৫পুলিশের বিরুদ্ধে মামলার বাদিনীর স্বামীকে এসিড নিক্ষেপ করেছে দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের জিরাই গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

পূর্ব শত্রুতার জেরে পুলিশের ইন্ধনে এসিড ছুড়ে মারার অভিযোগে মুকুল মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, মুকুল মিয়া রাত সাড়ে ১০টার দিকে মহিমাগঞ্জ বাজার থেকে মোটর সাইকেল যোগে জিরাই গ্রামে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। তিনি মহিমাগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসার পাশে আসার পর ওঁৎ পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার পথ রোধ করে। এক পর্যায়ে দুর্বৃত্তরা মুকুল মিয়ার শরীরে এসিড ছুড়ে মারে। এতে তার বুক ও পীঠের বেশীভাগ অংশ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়। এসময় তার আর্ত চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে এসিড বার্ণ ইউনিট না থাকায় মুকুল মিয়াকে রাতেই বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়।

উল্লেখদ, মুকুল মিয়া ও তার স্ত্রীর সাথে একই গ্রামের লাজনীন বেগমের পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মামলা চলে আসছিল। সম্প্রতি লাজনীন বেগমের মামলার আসামি মুকুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে গোবিন্দগঞ্জ থানার কতিপয় পুলিশ সদস্য তার বাড়িতে যায়। এসময় মুকুল মিয়া বাড়িতে না থাকায় পুলিশ তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগমকে ধর্ষণের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানি ঘটায় বলে অভিযোগ করা হয়। এসময় তার দুই জা-হালিমা বেগম ও ফাহিমা বেগমের শ্লীলতাহানি ঘটানো হয়। এই ঘটনায় মনোয়ারা বেগম বাদি হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম জাহিদুল ইসলাম, এসআই ফজলুর রহমান, কনস্টেবল আব্দুল মান্নান, মোঃ তুহিন ও গাড়ী চালকের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতে চলতি বছর ৩১মার্চ মামলা দায়ের করেন । মামলাটি এখন বিচারাধীন রয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম জাহিদুল ইসলাম জানান, তার এলাকায় এ ধরেণের কোন সংবাদ তিনি পাননি।