অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপোষহীন খালেদা জিয়া’

ঢাকা : জনগণের ভোটের অধিকারের প্রশ্নে এখনও লড়াই অব্যাহত রেখেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

আগামীকাল শুক্রবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার’৮ম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বাণীতে বিএনপি’র মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এসব কথা বলেন।

বাণীতে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক বলেন, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা, বহুদলীয় গণতন্ত্রে উত্তরণ ও জনগণের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে আজ তেত্রিশ বছর ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর নেতৃত্বকালে তিনি বাংলাদেশে স্বৈরাচারী শাসন অবসানে আপোষহীন ভূমিকা পালন করায় দেশবাসী তাঁকে আপোষহীন নেত্রী হিসেবে বরণ করে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ও উন্নয়নের রাজনীতির রুপকার রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে নিহত করার পর ষড়যন্ত্রকারীরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলো। কিন্তু জনগণের কেড়ে নেয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রের রাজনীতির পতাকাকে উড্ডীন করে বেগম খালেদা জিয়া রাজনৈতিক মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেই থেকে তিনি এই দেশে সকল অগণতান্ত্রিক দেশবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে অবিরাম লড়াই অব্যাহত রেখেছেন।

বাণীতে তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের গণতান্ত্রিক-সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করতে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেন। ২০০১-২০০৬ সময়ে তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে দেশী বিদেশী চক্রান্তকারীরা তাঁর কাছ থেকে স্বার্থ আদায় করতে না পারায় ফল হিসেবে ১১ জানুয়ারী ২০০৭ সনে সংবিধান বর্হিভূত পন্থায় ক্ষমতা দখলকারীরা জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য আবারো নতুন খেলায় মেতে উঠেছিল। এরই অংশ হিসেবে ঐ বছরে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্রেফতার করে। মাইনাস টু তত্ত্বসহ নানাবিধ অপকৌশল অবলম্বন করে ও অপপ্রচার চালিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর স্বদেশ ও জনগণের কাছ থেকে সরিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু জনগণের অকুন্ঠ সমর্থন ও আস্থা এবং দেশ ও জনগণের প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কাছে ষড়যন্ত্রকারীদের কুটকৌশল ব্যর্থ হয়ে যায় এবং এক বছর পরে তাঁকে তারা মুক্তি দিতে বাধ্য হয় এবং জনগণের মাঝে ফিরে এসে জনগণের ভোটের অধিকারের প্রশ্নে তিনি এখনও লড়াই অব্যাহত রেখেছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪

‘জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপোষহীন খালেদা জিয়া’

আপডেট টাইম : ০৬:২২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৫

ঢাকা : জনগণের ভোটের অধিকারের প্রশ্নে এখনও লড়াই অব্যাহত রেখেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

আগামীকাল শুক্রবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার’৮ম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বাণীতে বিএনপি’র মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এসব কথা বলেন।

বাণীতে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক বলেন, সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা, বহুদলীয় গণতন্ত্রে উত্তরণ ও জনগণের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মহান স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে আজ তেত্রিশ বছর ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর নেতৃত্বকালে তিনি বাংলাদেশে স্বৈরাচারী শাসন অবসানে আপোষহীন ভূমিকা পালন করায় দেশবাসী তাঁকে আপোষহীন নেত্রী হিসেবে বরণ করে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক, জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ও উন্নয়নের রাজনীতির রুপকার রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে নিহত করার পর ষড়যন্ত্রকারীরা জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলো। কিন্তু জনগণের কেড়ে নেয়া অধিকার পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে জাতীয়তাবাদী ও গণতন্ত্রের রাজনীতির পতাকাকে উড্ডীন করে বেগম খালেদা জিয়া রাজনৈতিক মঞ্চে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেই থেকে তিনি এই দেশে সকল অগণতান্ত্রিক দেশবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে অবিরাম লড়াই অব্যাহত রেখেছেন।

বাণীতে তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের গণতান্ত্রিক-সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে শক্তিশালী করতে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেন। ২০০১-২০০৬ সময়ে তাঁর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে দেশী বিদেশী চক্রান্তকারীরা তাঁর কাছ থেকে স্বার্থ আদায় করতে না পারায় ফল হিসেবে ১১ জানুয়ারী ২০০৭ সনে সংবিধান বর্হিভূত পন্থায় ক্ষমতা দখলকারীরা জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য আবারো নতুন খেলায় মেতে উঠেছিল। এরই অংশ হিসেবে ঐ বছরে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্রেফতার করে। মাইনাস টু তত্ত্বসহ নানাবিধ অপকৌশল অবলম্বন করে ও অপপ্রচার চালিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর স্বদেশ ও জনগণের কাছ থেকে সরিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু জনগণের অকুন্ঠ সমর্থন ও আস্থা এবং দেশ ও জনগণের প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কাছে ষড়যন্ত্রকারীদের কুটকৌশল ব্যর্থ হয়ে যায় এবং এক বছর পরে তাঁকে তারা মুক্তি দিতে বাধ্য হয় এবং জনগণের মাঝে ফিরে এসে জনগণের ভোটের অধিকারের প্রশ্নে তিনি এখনও লড়াই অব্যাহত রেখেছেন।