পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

মক্কায় নিহতদের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি নেই

ডেস্ক : সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরের হারাম শরিফে ক্রেন ভেঙে পড়ার ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি নেই। মক্কার শিশা মুয়াইসিমে (লাশ রাখার হিমঘর) প্রাথমিক খোঁজখবর নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আর যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের আঘাত সামান্য।

দুর্ঘটনার পর মসজিদুল হারাম ও তার আশপাশের এলাকা ও হাসপাতালের কাছে মোবাইল নেটওয়ার্ক (জ্যামার দিয়ে) বন্ধ ছিল। ফলে টিভিতে খবর দেখার পর দেশ থেকে অনেকেই হজ করতে আসা প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে মক্কায় বাদশা আবদুল আজিজ হাসপাতাল ও আল নূর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বাংলাদেশি যাঁরা ভর্তি আছেন, তাঁরা সামান্য আহত হয়েছেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাঁরা জানিয়েছেন দুর্ঘটনার পরে আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করতে গিয়ে লোকজন আহত হয়েছে বেশি। তাঁরা বলেন, বৃষ্টির কারণে মেঝে পিচ্ছিল থাকায় অনেকে দৌড় দিতে গিয়ে পড়ে আঘাত পান।

মক্কার কয়েকজন প্রবাসী জানালেন, ২০০৪ সালে টানেলে অনেক হজযাত্রী মারা গিয়েছিলেন। ২০০৬ সালে মক্কায় ভবন ধসে ও মিনায় জামারাতে পাথর নিক্ষেপ করতে গিয়ে মানুষ মরেছিল। সেই সব ঘটনার পর ওই সব এলাকায় সতর্কমূলক নানা ব্যবস্থা নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এবার মসজিদুল হারামের ক্রেন ভেঙে পড়ার ঘটনার পর আরও সতর্ক হবে কর্তৃপক্ষ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

মক্কায় নিহতদের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি নেই

আপডেট টাইম : ০২:০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

ডেস্ক : সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরের হারাম শরিফে ক্রেন ভেঙে পড়ার ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে কোনো বাংলাদেশি নেই। মক্কার শিশা মুয়াইসিমে (লাশ রাখার হিমঘর) প্রাথমিক খোঁজখবর নিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আর যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের আঘাত সামান্য।

দুর্ঘটনার পর মসজিদুল হারাম ও তার আশপাশের এলাকা ও হাসপাতালের কাছে মোবাইল নেটওয়ার্ক (জ্যামার দিয়ে) বন্ধ ছিল। ফলে টিভিতে খবর দেখার পর দেশ থেকে অনেকেই হজ করতে আসা প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে মক্কায় বাদশা আবদুল আজিজ হাসপাতাল ও আল নূর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, বাংলাদেশি যাঁরা ভর্তি আছেন, তাঁরা সামান্য আহত হয়েছেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাঁরা জানিয়েছেন দুর্ঘটনার পরে আতঙ্কে হুড়োহুড়ি করতে গিয়ে লোকজন আহত হয়েছে বেশি। তাঁরা বলেন, বৃষ্টির কারণে মেঝে পিচ্ছিল থাকায় অনেকে দৌড় দিতে গিয়ে পড়ে আঘাত পান।

মক্কার কয়েকজন প্রবাসী জানালেন, ২০০৪ সালে টানেলে অনেক হজযাত্রী মারা গিয়েছিলেন। ২০০৬ সালে মক্কায় ভবন ধসে ও মিনায় জামারাতে পাথর নিক্ষেপ করতে গিয়ে মানুষ মরেছিল। সেই সব ঘটনার পর ওই সব এলাকায় সতর্কমূলক নানা ব্যবস্থা নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এবার মসজিদুল হারামের ক্রেন ভেঙে পড়ার ঘটনার পর আরও সতর্ক হবে কর্তৃপক্ষ।