পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

ঈদকে সামনে রেখে সিন্ডিকেট বেপরোয়া

পিএনএস (মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান) : ঈদের আগেই বেড়ে গেছে কিছু পণ্যের দাম। ঈদকে সামনে রেখে সিন্ডিকেট যে সক্রিয়, পণ্য মূল্যবৃদ্ধি তার প্রমাণ দিচ্ছে। বাজারে কোনো কিছুর ঘাটতি নেই, নেই কমতি; অথচ দাম আকাশচুম্বি। নজরদারি না থাকায় একটি মহল নিরীহ ক্রেতা সাধারণকে জিম্মি করে বাড়তি দাম আদায় করছে।

দেশে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সব সময় যেন অপেক্ষায় তাকে সিন্ডিকেট করার জন্য। আদতে জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা না থাকায় তারা বেপরোয়া। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে জোরালো প্রতিবাদ না থাকায় মহলটি সব সময় সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে অবাধে ফায়দা লুটে যাচ্ছে।

সরকারি চিনিকলে চিনি নষ্ট হওয়ার খবর প্রা্য়ই মিডিয়ায় আসে। আসে অবিক্রীত থাকার অভিযোগ। আর সে চিনিই বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি ধরে। জবাবদিহির সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকায় সব সময়ই গ্রাহক সাধারণের পকেট ঘটা করেই কাটছে মহলবিশেষ।

মাস দুয়েক আগেও চিনি বিক্রি হতো ৪০ টাকার মধ্যে। রমজানে সিন্ডিকেট সেটা নিয়ে যায় ৬০ টাকায়। তখন টিসিবি আর কিছু ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ৪৮ টাকা কেজি বিক্রি করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। গুণে-মানে ওই চিনিটা অনেকের কাছে সমাধৃত হয়।

ইতিমধ্যে ভোজ্যতেল লিটারে ৮ টাকা, পিঁয়াজ কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা, রসুন কেজিতে ৮০ টাকা, মসুর ডাল ২০ থেকে ৩০ টাকা, আদা ২০ থেকে ২৫ টাকা, লবণ ১৬ টাকা বেড়েছে। রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে দেশী ১৮০ টাকা, বিদেশী ২২০ টাকা কেজি।

যে লবণ উৎপাদন করে কৃষক ১০ টাকাও পায় না, সে লবণ ৩৮ টাকা কেজি! লাগাম ধরার মতো দরদি মানুষ সরকার ও প্রশাসনে না থাকায় সিন্ডিকেট ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছে। আর ক্রেতা সাধারণও বিক্রেতার বেঁধে দেয়া পণ্যমূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছে।

চালের বাজারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। কেজিতে ৪ থেকে ৮ টাকা বাড়িয়ে নিচ্ছে দোকানি। কোনো কারণ ছাড়াই তারা বাড়তি দাম নিচ্ছে। এর মধ্যে মোটা চালের দামটাই বেড়েছে বেশি। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এভাবে বাড়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা বিপাকে পড়েছেন।

রমজানের পর বন্যা গেছে। মানুষ বন্যার দকল কাটিয়ে না উঠতেই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চক্রটিকে এখনই কব্জা না করলে মসলা নিয়ে তারা একই কাজ করবে বলে ক্রেতা সাধারণ আশঙ্কা করছেন। সিন্ডিকেটকে নিন্ত্রয়ণে দায়িত্বশীলদের এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সময়ের দাবি।

লেখক : সাধারণ সম্পাদক- ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
ই-মেইল : jalam_prodhan72@yahoo.com

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

ঈদকে সামনে রেখে সিন্ডিকেট বেপরোয়া

আপডেট টাইম : ০৫:২৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০১৬

পিএনএস (মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান) : ঈদের আগেই বেড়ে গেছে কিছু পণ্যের দাম। ঈদকে সামনে রেখে সিন্ডিকেট যে সক্রিয়, পণ্য মূল্যবৃদ্ধি তার প্রমাণ দিচ্ছে। বাজারে কোনো কিছুর ঘাটতি নেই, নেই কমতি; অথচ দাম আকাশচুম্বি। নজরদারি না থাকায় একটি মহল নিরীহ ক্রেতা সাধারণকে জিম্মি করে বাড়তি দাম আদায় করছে।

দেশে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সব সময় যেন অপেক্ষায় তাকে সিন্ডিকেট করার জন্য। আদতে জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা না থাকায় তারা বেপরোয়া। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে জোরালো প্রতিবাদ না থাকায় মহলটি সব সময় সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে অবাধে ফায়দা লুটে যাচ্ছে।

সরকারি চিনিকলে চিনি নষ্ট হওয়ার খবর প্রা্য়ই মিডিয়ায় আসে। আসে অবিক্রীত থাকার অভিযোগ। আর সে চিনিই বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি ধরে। জবাবদিহির সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকায় সব সময়ই গ্রাহক সাধারণের পকেট ঘটা করেই কাটছে মহলবিশেষ।

মাস দুয়েক আগেও চিনি বিক্রি হতো ৪০ টাকার মধ্যে। রমজানে সিন্ডিকেট সেটা নিয়ে যায় ৬০ টাকায়। তখন টিসিবি আর কিছু ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ৪৮ টাকা কেজি বিক্রি করে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। গুণে-মানে ওই চিনিটা অনেকের কাছে সমাধৃত হয়।

ইতিমধ্যে ভোজ্যতেল লিটারে ৮ টাকা, পিঁয়াজ কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা, রসুন কেজিতে ৮০ টাকা, মসুর ডাল ২০ থেকে ৩০ টাকা, আদা ২০ থেকে ২৫ টাকা, লবণ ১৬ টাকা বেড়েছে। রসুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে দেশী ১৮০ টাকা, বিদেশী ২২০ টাকা কেজি।

যে লবণ উৎপাদন করে কৃষক ১০ টাকাও পায় না, সে লবণ ৩৮ টাকা কেজি! লাগাম ধরার মতো দরদি মানুষ সরকার ও প্রশাসনে না থাকায় সিন্ডিকেট ইচ্ছেমতো দাম নিচ্ছে। আর ক্রেতা সাধারণও বিক্রেতার বেঁধে দেয়া পণ্যমূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছে।

চালের বাজারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। কেজিতে ৪ থেকে ৮ টাকা বাড়িয়ে নিচ্ছে দোকানি। কোনো কারণ ছাড়াই তারা বাড়তি দাম নিচ্ছে। এর মধ্যে মোটা চালের দামটাই বেড়েছে বেশি। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এভাবে বাড়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা বিপাকে পড়েছেন।

রমজানের পর বন্যা গেছে। মানুষ বন্যার দকল কাটিয়ে না উঠতেই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চক্রটিকে এখনই কব্জা না করলে মসলা নিয়ে তারা একই কাজ করবে বলে ক্রেতা সাধারণ আশঙ্কা করছেন। সিন্ডিকেটকে নিন্ত্রয়ণে দায়িত্বশীলদের এখনই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ সময়ের দাবি।

লেখক : সাধারণ সম্পাদক- ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
ই-মেইল : jalam_prodhan72@yahoo.com