পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

‘রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র গণবিরোধী সিদ্ধান্ত’

ডেস্ক : রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্তকে দেশবিরোধী ও গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ দাবিতে জনগণকে সোচ্চার হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি। দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হলে সুন্দরবন ধ্বংস হলে বাংলাদেশ আর বাসযোগ্য থাকবে না।

আজ বুধবার বিকেলে গুলশানে তাঁর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে কোনো কর্মসূচি ঘোষণা দেননি খালেদা জিয়া।

তবে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে কোনো ধরনের কর্মসূচির ঘোষণা দেননি খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, একদিকে পদ্মা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র পানি প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে। এর ফলে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ব্যাপক মরুকরণ শুরু হয়েছে। এখন দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হলে সুন্দরবন ধ্বংস হলে বাংলাদেশ আর বাসযোগ্য থাকবে না। তিনি বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জায়গা অনেক আছে। তবে সুন্দরবনের কোনো বিকল্প নেই।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, সুন্দরবনের এত কাছে স্থাপিত কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের অনিবার্য অশুভ ও মারাত্মক ক্ষতিকর। সব প্রমাণ উপস্থাপনের পরেও সরকার তার অবস্থান পরিবর্তনে শুধু অস্বীকৃতি জানাচ্ছে না, বরং আরও দ্রুত এ গণবিরোধী দেশবিরোধী বাস্তবায়নে উদ্যোগী হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হলো, এ সরকার স্বৈরাচারী বলেই জনমত বা দেশের স্বার্থ পরোয়া করে না।

খালেদা জিয়া অভিযোগ করেন, এ কেন্দ্র হলে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হবে এবং পরিবেশ নষ্ট হবে, পানি দূষিত হবে। বনাঞ্চলের পশু পাখির জীবনচক্র ক্ষতির মধ্যে পড়বে। তিনি বলেন, জনগণের চাহিদা মেটানোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সময়ের দাবি। কিন্তু সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নে জনস্বার্থ বা জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বিকল্প বিদ্যুৎ ও বিকল্প জ্বালানির সন্ধান করার আহ্বান জানান।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

‘রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র গণবিরোধী সিদ্ধান্ত’

আপডেট টাইম : ০১:৫২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৬

ডেস্ক : রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্তকে দেশবিরোধী ও গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে তা বাতিল করার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ দাবিতে জনগণকে সোচ্চার হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি। দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হলে সুন্দরবন ধ্বংস হলে বাংলাদেশ আর বাসযোগ্য থাকবে না।

আজ বুধবার বিকেলে গুলশানে তাঁর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে কোনো কর্মসূচি ঘোষণা দেননি খালেদা জিয়া।

তবে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে কোনো ধরনের কর্মসূচির ঘোষণা দেননি খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, একদিকে পদ্মা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র পানি প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে গেছে। এর ফলে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ব্যাপক মরুকরণ শুরু হয়েছে। এখন দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হলে সুন্দরবন ধ্বংস হলে বাংলাদেশ আর বাসযোগ্য থাকবে না। তিনি বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জায়গা অনেক আছে। তবে সুন্দরবনের কোনো বিকল্প নেই।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, সুন্দরবনের এত কাছে স্থাপিত কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের অনিবার্য অশুভ ও মারাত্মক ক্ষতিকর। সব প্রমাণ উপস্থাপনের পরেও সরকার তার অবস্থান পরিবর্তনে শুধু অস্বীকৃতি জানাচ্ছে না, বরং আরও দ্রুত এ গণবিরোধী দেশবিরোধী বাস্তবায়নে উদ্যোগী হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হলো, এ সরকার স্বৈরাচারী বলেই জনমত বা দেশের স্বার্থ পরোয়া করে না।

খালেদা জিয়া অভিযোগ করেন, এ কেন্দ্র হলে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হবে এবং পরিবেশ নষ্ট হবে, পানি দূষিত হবে। বনাঞ্চলের পশু পাখির জীবনচক্র ক্ষতির মধ্যে পড়বে। তিনি বলেন, জনগণের চাহিদা মেটানোর জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সময়ের দাবি। কিন্তু সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নে জনস্বার্থ বা জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তিনি বিকল্প বিদ্যুৎ ও বিকল্প জ্বালানির সন্ধান করার আহ্বান জানান।