পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

সাত খুন মামলা; তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পূর্ণ

নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পূর্ণ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে তদন্ত কর্মকর্তার তৃতীয় দিনের মত সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে জেরার জন্য আদালত ১৯ সেপ্টেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সাত খুনের ঘটনায় দায়েরকৃত দুইটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ মন্ডলের তৃতীয় দিনের মত সাক্ষ্য গ্রহণ চলে।

এর আগে আরো দুই দিন তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।এই মামলা প্রমাণ ও সুষ্ঠু বিচারের ক্ষেত্রে তার সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মামুনুর রশিদ মন্ডল বর্তমানে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত আছেন।

সাত খুনের ঘটনার সময় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তিনি।

সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন ও র্যা বের প্রাক্তন তিন কর্মকর্তা, লে.কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, কমান্ডার এম এম রানা ও মেজর আরিফ হোসেনসহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এই নিয়ে সাত খুনের ঘটনায় দায়েরকৃত দুইটি মামলায় মোট ১২৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হল।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। এর তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও তার চার সহযোগী হত্যার ঘটনায় নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি এবং সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়ির চালক ইব্রাহিম হত্যার ঘটনায় তার জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে একই থানায় অপর একটি মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ এক বছর পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশিদ মন্ডল ৩৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এই মামলায় ৩৫ জন আসামির মধ্যে ২৩ জন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছে। ১২ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

সাত খুন মামলা; তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পূর্ণ

আপডেট টাইম : ০৩:০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬

নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পূর্ণ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে তদন্ত কর্মকর্তার তৃতীয় দিনের মত সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে জেরার জন্য আদালত ১৯ সেপ্টেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সাত খুনের ঘটনায় দায়েরকৃত দুইটি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ মন্ডলের তৃতীয় দিনের মত সাক্ষ্য গ্রহণ চলে।

এর আগে আরো দুই দিন তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।এই মামলা প্রমাণ ও সুষ্ঠু বিচারের ক্ষেত্রে তার সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মামুনুর রশিদ মন্ডল বর্তমানে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত আছেন।

সাত খুনের ঘটনার সময় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তিনি।

সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এই মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন ও র্যা বের প্রাক্তন তিন কর্মকর্তা, লে.কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, কমান্ডার এম এম রানা ও মেজর আরিফ হোসেনসহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এই নিয়ে সাত খুনের ঘটনায় দায়েরকৃত দুইটি মামলায় মোট ১২৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হল।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। এর তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও তার চার সহযোগী হত্যার ঘটনায় নজরুলের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি এবং সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়ির চালক ইব্রাহিম হত্যার ঘটনায় তার জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে একই থানায় অপর একটি মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ এক বছর পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশিদ মন্ডল ৩৫ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। এই মামলায় ৩৫ জন আসামির মধ্যে ২৩ জন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছে। ১২ জন আসামি এখনো পলাতক রয়েছে।