পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল

পণ্য ট্রানজিট : নির্ধারিত ফির বাইরে মাশুল দিতে রাজি নয় ভারত

ডেস্ক: পণ্য ট্রানজিটের জন্য চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়ে খসড়া নীতিমালা পাঠিয়েছে ভারত। একই সাথে বন্দরে পণ্য রাখার আলাদা স্থানও চেয়েছে দেশটি। এ জন্য বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানিকারকদের মতো নির্ধারিত ফি ছাড়া আর কোনো মাশুল দিতে চায় না ভারত।

বিশ্লেষকরা বলছেন, শুল্ক-কর নির্ধারনের সময় খেয়াল রাখতে হবে, তার মাধ্যমে যেন ভারতকে ট্রানজিট দিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের খরচ উঠে আসে।

দৃশ্যমান আর কাগজ কলমের অদৃশ্য কাটাতারের বেড়ায় বাঁধা পড়ছে বাণিজ্য। মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগেও এটাই ভারতের বাজারে বাংলাদেশের বাস্তবতা।

ব্যবসা বাড়াতে গেল ৪ দশকে কথা হয়েছে অনেক, তবে কাজ এগিয়েছে অল্পই। তাই প্রায় দেড় বছর আগে নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরই ছিল যা কিছুটা ভরসা। তবে সেখানেও বরাবরের মতই ভারতের আগ্রহ নানা অর্থনৈতিক চুক্তির চেয়েও বহুগুণে বেশি ছিল ট্রানজিটের দিকে।

এরপর দুর্বল অবকাঠামোর আশুগঞ্জ বন্দর আর আখাউড়া পর্যন্ত সরু রাস্তা ব্যবহার করেই ট্রানজিটের আওতায় কলকাতা থেকে আগরতলা গেছে ভারতের পণ্য। সেখান থেকে প্রথমবারের মত প্রতি টনে মাশুল হিসেবে পাওয়া ১৯২ টাকা বাদে আপাত প্রাপ্তির খাতায় তেমন কিছু নেই। এখনো পর্যন্ত মেলেনি ভারতকে ট্রানজিট দিতে বাংলাদেশের যেটুকু অবকাঠামো উন্নয়ন দরকার, তার খরচ কে দিবে সেই হিসাবও।

তার আগেই পণ্য জটে মাঝে মধ্যেই নাকাল থাকা মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে এবার ট্রানজিট চায় ভারত।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভারত, নেপাল বা ভূটান আমাদের চট্টগ্রাম, মংলা বন্দর ব্যবহার করুন অথবা আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করুন তার জন্য এসব জায়গায় বড় ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে। যেটা আমাদের দেখতে হবে সেটা হল এটা করতে গেলে আমাদের বাড়তি বিনিয়োগ করতে হবে সে বিনিয়োগগুলি বিভিন্ন চার্জ, শুল্ক, সার্জ চার্জ এগুলো দিয়ে করতে পারি কিনা’।

বাংলাদেশ সরকারের কাছে ভারতীয় হাইকমিশনের পাঠানো চিঠির সাথে প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালায় দেখা যায়, বন্দর দুটির সেবা পেতে বাংলাদেশের আমদানি রপ্তানিকারকদের জন্য নির্ধারিত যে ফি শুধু সেটুকুই দিতে চায় ভারত। এর বাইরে আর কোন রকম শুল্ক কর গুণতেই আপত্তি দেশটির।

খসড়ায় দেখা যায়, বন্দর দুটিতে ট্রানজিটের পণ্য রাখতে আলাদা স্থানেরও দাবী ভারতের। সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

Tag :

নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

পণ্য ট্রানজিট : নির্ধারিত ফির বাইরে মাশুল দিতে রাজি নয় ভারত

আপডেট টাইম : ০৬:৪৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৬

ডেস্ক: পণ্য ট্রানজিটের জন্য চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়ে খসড়া নীতিমালা পাঠিয়েছে ভারত। একই সাথে বন্দরে পণ্য রাখার আলাদা স্থানও চেয়েছে দেশটি। এ জন্য বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানিকারকদের মতো নির্ধারিত ফি ছাড়া আর কোনো মাশুল দিতে চায় না ভারত।

বিশ্লেষকরা বলছেন, শুল্ক-কর নির্ধারনের সময় খেয়াল রাখতে হবে, তার মাধ্যমে যেন ভারতকে ট্রানজিট দিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের খরচ উঠে আসে।

দৃশ্যমান আর কাগজ কলমের অদৃশ্য কাটাতারের বেড়ায় বাঁধা পড়ছে বাণিজ্য। মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগেও এটাই ভারতের বাজারে বাংলাদেশের বাস্তবতা।

ব্যবসা বাড়াতে গেল ৪ দশকে কথা হয়েছে অনেক, তবে কাজ এগিয়েছে অল্পই। তাই প্রায় দেড় বছর আগে নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরই ছিল যা কিছুটা ভরসা। তবে সেখানেও বরাবরের মতই ভারতের আগ্রহ নানা অর্থনৈতিক চুক্তির চেয়েও বহুগুণে বেশি ছিল ট্রানজিটের দিকে।

এরপর দুর্বল অবকাঠামোর আশুগঞ্জ বন্দর আর আখাউড়া পর্যন্ত সরু রাস্তা ব্যবহার করেই ট্রানজিটের আওতায় কলকাতা থেকে আগরতলা গেছে ভারতের পণ্য। সেখান থেকে প্রথমবারের মত প্রতি টনে মাশুল হিসেবে পাওয়া ১৯২ টাকা বাদে আপাত প্রাপ্তির খাতায় তেমন কিছু নেই। এখনো পর্যন্ত মেলেনি ভারতকে ট্রানজিট দিতে বাংলাদেশের যেটুকু অবকাঠামো উন্নয়ন দরকার, তার খরচ কে দিবে সেই হিসাবও।

তার আগেই পণ্য জটে মাঝে মধ্যেই নাকাল থাকা মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে এবার ট্রানজিট চায় ভারত।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভারত, নেপাল বা ভূটান আমাদের চট্টগ্রাম, মংলা বন্দর ব্যবহার করুন অথবা আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করুন তার জন্য এসব জায়গায় বড় ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে। যেটা আমাদের দেখতে হবে সেটা হল এটা করতে গেলে আমাদের বাড়তি বিনিয়োগ করতে হবে সে বিনিয়োগগুলি বিভিন্ন চার্জ, শুল্ক, সার্জ চার্জ এগুলো দিয়ে করতে পারি কিনা’।

বাংলাদেশ সরকারের কাছে ভারতীয় হাইকমিশনের পাঠানো চিঠির সাথে প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালায় দেখা যায়, বন্দর দুটির সেবা পেতে বাংলাদেশের আমদানি রপ্তানিকারকদের জন্য নির্ধারিত যে ফি শুধু সেটুকুই দিতে চায় ভারত। এর বাইরে আর কোন রকম শুল্ক কর গুণতেই আপত্তি দেশটির।

খসড়ায় দেখা যায়, বন্দর দুটিতে ট্রানজিটের পণ্য রাখতে আলাদা স্থানেরও দাবী ভারতের। সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর