পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

গ্যাসের মজুদ সাড়ে ১৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুন, ৮ বছরে ফুরিয়ে যাবে

জ্বালানী গ্যাসের মজুদ দাড়িয়েছে সাড়ে ১৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুটে। আগামী ৮ বছরে এই মজুদ ফুরিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী। বর্তমানে বার্ষিক চাহিদার অর্ধেক পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে বলে পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে।

গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বার্ষিক গ্যাসের চাহিদা দেখানো হয় ১১৪৭ বিলিয়ন ঘনফুট। আগামী ২০২০ সালে জ্বালানী মন্ত্রণালয় চলমান ব্যবহার ভিত্তি ধরে চাহিদা নির্ধারণ করেছে ১২৭৬ বিলিয়ন ঘনফুট। গত অর্থবছরে গ্যাসের ব্যবহার ছিল বাণিজ্যিক খাতে শূন্য দশমিক ৯২, গৃহস্থালি খাতে ১২ দশমিক ২৬, সিএনজি ৪ দশমিক ৮২, বিদ্যুৎ খাতে ৪১ দশমিক ৩৭, শিল্পে ১৫ দশমিক ৯৮. সরকার কারখানায় ৫ দশমিক ৩৮ , ক্যাপটিভ পাওয়ারে ১৭ দশমিক ৩ আর চা বাগানে শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ।

দেশে এ পর্যন্ত মোট ২৬টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে, যার মধ্যে ২০টি থেকে তোলা হচ্ছে এ অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ। স্বাধীনতার পর থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত উত্তোলন করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৪৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাস।

Tag :
লেখক সম্পর্কে

জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

গ্যাসের মজুদ সাড়ে ১৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুন, ৮ বছরে ফুরিয়ে যাবে

আপডেট টাইম : ০৩:৪৪:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৬

জ্বালানী গ্যাসের মজুদ দাড়িয়েছে সাড়ে ১৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুটে। আগামী ৮ বছরে এই মজুদ ফুরিয়ে যাবে বলে জানিয়েছে জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী। বর্তমানে বার্ষিক চাহিদার অর্ধেক পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে বলে পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে।

গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বার্ষিক গ্যাসের চাহিদা দেখানো হয় ১১৪৭ বিলিয়ন ঘনফুট। আগামী ২০২০ সালে জ্বালানী মন্ত্রণালয় চলমান ব্যবহার ভিত্তি ধরে চাহিদা নির্ধারণ করেছে ১২৭৬ বিলিয়ন ঘনফুট। গত অর্থবছরে গ্যাসের ব্যবহার ছিল বাণিজ্যিক খাতে শূন্য দশমিক ৯২, গৃহস্থালি খাতে ১২ দশমিক ২৬, সিএনজি ৪ দশমিক ৮২, বিদ্যুৎ খাতে ৪১ দশমিক ৩৭, শিল্পে ১৫ দশমিক ৯৮. সরকার কারখানায় ৫ দশমিক ৩৮ , ক্যাপটিভ পাওয়ারে ১৭ দশমিক ৩ আর চা বাগানে শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ।

দেশে এ পর্যন্ত মোট ২৬টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে, যার মধ্যে ২০টি থেকে তোলা হচ্ছে এ অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদ। স্বাধীনতার পর থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত উত্তোলন করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৪৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাস।