অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

৪ নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় আরও একজন গ্রেফতার

ডেস্ক: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে চার নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় জহিরুল ইসলাম হাওলাদার (২৬) নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তার বিষয়ে জবানবন্দিতে তথ্য দিয়েছিলেন গ্রেফতার হওয়া অপর আসামি মিজান মাতব্বর।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানার সায়েদাবাদ বাসস্টেশন থেকে জহিরুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে পিবিআই চাঞ্চল্যকর এই ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করল।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মহানগর পিবিআইয়ের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, মিজান মাতব্বরের জবানবন্দিতে মাইদুল নামে এক যুবকের কথা এসেছিল। মাইদুলের সঙ্গে এক যুবক সেখানে গিয়েছিলেন এমন তথ্য আছে। ওই যুবকই গ্রেফতার হওয়া জহিরুল।

প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) প্রাপ্তি উপলক্ষে ঢাকায় অবস্থান করা সন্তোষ এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
তিনি আরও বলেন, মাইদুলের সঙ্গে ঘটনার আগে-পরে একাধিকবার যোগাযোগ ছিল জহিরুলের। সেই সূত্রেই আমরা জহিরুলের অবস্থান শনাক্ত করতে পেরেছি। গ্রেফতারের পর জহিরুলকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

জহিরুল ঝালকাঠি জেলার সুতালরি থানার কৃঞ্চকাঠি গ্রামের হানিফ হাওলাদারের ছেলে।
গত ১২ ডিসেম্বর গভীর রাতে কর্ণফুলীর বড়উঠান ইউনিয়নের শাহ মিরপুর গ্রামে একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে বাড়ির চার নারীকে ধর্ষণ করে ডাকাতরা। চারজনের মধ্যে তিনজন প্রবাসী তিন ভাইয়ের স্ত্রী, অন্যজন তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা বোন।

এ ঘটনায় মামলা নিতে পুলিশের বিরুদ্ধে গড়িমসি করার অভিযোগের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান জাবেদের নির্দেশে কর্ণফুলী থানা পুলিশ প্রায় সাতদিন পর মামলা নেয়। ২৬ ডিসেম্বর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। ওইদিনই মিজান মাতব্বর ও আবু সামা নামে দুজনকে গ্রেফতার করে তারা। গ্রেফতারের পর দুজন আদালতে জবানবন্দি দেন। ২৭ ডিসেম্বর হান্নান মেম্বার নামে আরেকজনকে আটক করা হয়। যাকে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বলছে পিবিআই।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

৪ নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় আরও একজন গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ০৭:১৭:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০১৮

ডেস্ক: চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে চার নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় জহিরুল ইসলাম হাওলাদার (২৬) নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তার বিষয়ে জবানবন্দিতে তথ্য দিয়েছিলেন গ্রেফতার হওয়া অপর আসামি মিজান মাতব্বর।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানার সায়েদাবাদ বাসস্টেশন থেকে জহিরুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে পিবিআই চাঞ্চল্যকর এই ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করল।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মহানগর পিবিআইয়ের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, মিজান মাতব্বরের জবানবন্দিতে মাইদুল নামে এক যুবকের কথা এসেছিল। মাইদুলের সঙ্গে এক যুবক সেখানে গিয়েছিলেন এমন তথ্য আছে। ওই যুবকই গ্রেফতার হওয়া জহিরুল।

প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) প্রাপ্তি উপলক্ষে ঢাকায় অবস্থান করা সন্তোষ এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
তিনি আরও বলেন, মাইদুলের সঙ্গে ঘটনার আগে-পরে একাধিকবার যোগাযোগ ছিল জহিরুলের। সেই সূত্রেই আমরা জহিরুলের অবস্থান শনাক্ত করতে পেরেছি। গ্রেফতারের পর জহিরুলকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

জহিরুল ঝালকাঠি জেলার সুতালরি থানার কৃঞ্চকাঠি গ্রামের হানিফ হাওলাদারের ছেলে।
গত ১২ ডিসেম্বর গভীর রাতে কর্ণফুলীর বড়উঠান ইউনিয়নের শাহ মিরপুর গ্রামে একটি বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে বাড়ির চার নারীকে ধর্ষণ করে ডাকাতরা। চারজনের মধ্যে তিনজন প্রবাসী তিন ভাইয়ের স্ত্রী, অন্যজন তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা বোন।

এ ঘটনায় মামলা নিতে পুলিশের বিরুদ্ধে গড়িমসি করার অভিযোগের পর ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান জাবেদের নির্দেশে কর্ণফুলী থানা পুলিশ প্রায় সাতদিন পর মামলা নেয়। ২৬ ডিসেম্বর মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। ওইদিনই মিজান মাতব্বর ও আবু সামা নামে দুজনকে গ্রেফতার করে তারা। গ্রেফতারের পর দুজন আদালতে জবানবন্দি দেন। ২৭ ডিসেম্বর হান্নান মেম্বার নামে আরেকজনকে আটক করা হয়। যাকে ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বলছে পিবিআই।