অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

‘এ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না’

ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। যত চেষ্টা যত ষড়যন্ত্রই করা হোক না কেন নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায় করেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি।

রোববার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব হল রুমে এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) নামক একটি সংগঠন এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের জেনেটিক প্রোভলেম হচ্ছে তারা যখনই ক্ষমতায় আসবে জোর করে ক্ষমতায় বহাল থাকতে চাইবে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাদের দলীয় একটি সভায় জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেছেন জনগণ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ভোট দিয়েছে বলেই আমরা ক্ষমতার ৪ বছর অতিক্রম করতে পেরেছি। প্রশ্ন হচ্ছে তিনি কোন জনগণের কথা বলেছেন, কোন নির্বাচনের কথা বলেছেন। যে নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি, যে নির্বাচনে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সেই নির্বাচন? এবং আগামী নির্বাচন হতে হবে সংসদ ভেঙ্গে নির্দলীয় সরকারের অধীনে।

বিএনপির এই নীতি নির্ধারক বলেন জনগণই যদি আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে থাকে তাহলে সংসদ ভেঙ্গে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে এত ভয় কেন। উদ্দেশ্য একটাই ক্ষমতা হারানোর ভয়ে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ কোন কিছুতেই ছাড় দিচ্ছেন না। তারা ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখতে বাংলাদেশকে গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা সভা সমাবেশ করার অনুমতি পাই না। আমাদের বলা হয় সভা সমাবেশে যানজট সৃষ্টি হবে। অথচ তারা বেশ কয়েক জায়গায় সভা সমাবেশ করে যানজট সৃষ্টি করছে। যা চলতে পারে না। বেশিদিন চলতে দেয়া যায় না।

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আইয়ুব খান ও ইয়াহিয়ার পথেই হাঁটছেন শেখ হাসিনা। তিনি গণতন্ত্রের শত্রুপক্ষ। এই সেই আওয়ামী লীগ যারা বাকশালের খাচায় বন্দি ছিল। জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে তাদের নবজন্ম দিয়েছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনা আজ আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে পেরেছেন। অথচ তাদের মধ্যে বিন্দু পরিমাণ কৃতজ্ঞতা বোধ নেই।

আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক কৃষিবিদ আনোয়ারুন নবী মজুমদার বাবলার সভাপতিত্বে বক্তব্যে দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের সভাপতি কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম, ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা প্রমুখ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

‘এ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না’

আপডেট টাইম : ০৯:৪২:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৮

ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। যত চেষ্টা যত ষড়যন্ত্রই করা হোক না কেন নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায় করেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে বিএনপি।

রোববার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাব হল রুমে এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) নামক একটি সংগঠন এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের জেনেটিক প্রোভলেম হচ্ছে তারা যখনই ক্ষমতায় আসবে জোর করে ক্ষমতায় বহাল থাকতে চাইবে। তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ভোটারবিহীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাদের দলীয় একটি সভায় জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অসত্য বক্তব্য দিয়েছেন।

শেখ হাসিনা বলেছেন জনগণ ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ভোট দিয়েছে বলেই আমরা ক্ষমতার ৪ বছর অতিক্রম করতে পেরেছি। প্রশ্ন হচ্ছে তিনি কোন জনগণের কথা বলেছেন, কোন নির্বাচনের কথা বলেছেন। যে নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি, যে নির্বাচনে ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সেই নির্বাচন? এবং আগামী নির্বাচন হতে হবে সংসদ ভেঙ্গে নির্দলীয় সরকারের অধীনে।

বিএনপির এই নীতি নির্ধারক বলেন জনগণই যদি আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে থাকে তাহলে সংসদ ভেঙ্গে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে এত ভয় কেন। উদ্দেশ্য একটাই ক্ষমতা হারানোর ভয়ে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ কোন কিছুতেই ছাড় দিচ্ছেন না। তারা ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রাখতে বাংলাদেশকে গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, আমরা সভা সমাবেশ করার অনুমতি পাই না। আমাদের বলা হয় সভা সমাবেশে যানজট সৃষ্টি হবে। অথচ তারা বেশ কয়েক জায়গায় সভা সমাবেশ করে যানজট সৃষ্টি করছে। যা চলতে পারে না। বেশিদিন চলতে দেয়া যায় না।

একই অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আইয়ুব খান ও ইয়াহিয়ার পথেই হাঁটছেন শেখ হাসিনা। তিনি গণতন্ত্রের শত্রুপক্ষ। এই সেই আওয়ামী লীগ যারা বাকশালের খাচায় বন্দি ছিল। জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে তাদের নবজন্ম দিয়েছেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে শেখ হাসিনা আজ আওয়ামী লীগের সভাপতি হতে পেরেছেন। অথচ তাদের মধ্যে বিন্দু পরিমাণ কৃতজ্ঞতা বোধ নেই।

আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক কৃষিবিদ আনোয়ারুন নবী মজুমদার বাবলার সভাপতিত্বে বক্তব্যে দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের সভাপতি কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম, ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা প্রমুখ।