পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কোটা সংস্কারে আগের অবস্থানেই থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক : কোটা বাতিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান অনড়। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের কোটা ছাড়া অন্য বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আগের অবস্থানে রয়েছেন। এ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ করছে। এতদিন ধরে চলে আসা পদ্ধতিটি কীভাবে বাদ দেওয়া যায়, সেটি নিয়ে কাজ চলছে। তারা প্রতিবেদন দিলেই সিদ্ধান্ত হবে। তবে আন্দোলনের নামে বিশেষ মহলের ইন্ধনে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখছে সরকার।

সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, কোটা নিয়ে নতুন করে আন্দোলনের চেষ্টাকে সরকার সতর্ক দৃষ্টিতে দেখছে। সরকারের একাধিক মহল মনে করে পরিকল্পিতভাবে বিশেষ মহল ক্ষমতাসীনদের বিব্রত করতেই এ ধরনের তৎপরতা শুরু করেছে। সে কারণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আন্দোলনকারীদের প্রতি দৃষ্টি রাখছে।

সূত্রমতে, আটককৃতদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহ বাড়ি একজনের পারিবারিক অবস্থান জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। অন্যদের কেউ কেউ ছাত্রলীগের ব্যানারে থাকলেও তাদের পারিবারিক ও অতীত নিয়েও তদন্ত চলছে। নেতিবাচক দিকগুলো ধরেই আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার।

সরকারের একজন দায়িত্বশীল নেতা জানান, ইতিবাচক যে কোনো আন্দোলনে সরকার কখনই বাধা তৈরি করে না। কিন্তু সামনে ভোট রয়েছে। এই ভোটকে সামনে রেখে ঘোলা পানিতে কাউকে মাছ শিকার করতে দেওয়া হবে না।

জানা গেছে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ৫৬ শতাংশ নিয়োগ হয় অগ্রাধিকার কোটায়। বাকি ৪৪ শতাংশ নিয়োগ হয় মেধা কোটায়। বিদ্যমান কোটা সংস্কারের পাঁচ দফা দাবিতে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। গত ১১ এপ্রিল কোটা থাকবে না বলে ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ২ মে এবং সব শেষ ২৭ জুন সংসদে একই কথা বলেন তিনি। জানান, এ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ করছে। এতদিন ধরে চলে আসা পদ্ধতিটি কীভাবে বাদ দেওয়া যায়, সেটি নিয়ে কাজ চলছে। তারা প্রতিবেদন দিলেই সিদ্ধান্ত হবে।

সরকারের একাধিক মন্ত্রী জানান, কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি সেই আগের অবস্থানেই অনড় রয়েছেন। কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হচ্ছে। তবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের কোটা রাখার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী।

তারা আরও জানান, সরকার ইতিবাচক যে কোনো আন্দোলনে স্বাগত জানাবে। কিন্তু দাবি আদায়ের নামে বিশেষ মহলের ইন্ধনে সামনের ভোট বানচালের কোনো ষড়যন্ত্র কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এদের কারও কারও বিরুদ্ধে শিবির এবং পারিবারিকভাবে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আবার কেউ কেউ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিতে থাকলেও পারিবারিক রাজনীতি ভিন্ন ধারার। সে কারণে কোটাবিরোধী আন্দোলন নাকি একাদশ সংসদ নির্বাচনের নতুন কোনো ষড়যন্ত্র তারও খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

কোটা সংস্কারে আগের অবস্থানেই থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৩:৫৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুলাই ২০১৮

ডেস্ক : কোটা বাতিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান অনড়। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের কোটা ছাড়া অন্য বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী আগের অবস্থানে রয়েছেন। এ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ করছে। এতদিন ধরে চলে আসা পদ্ধতিটি কীভাবে বাদ দেওয়া যায়, সেটি নিয়ে কাজ চলছে। তারা প্রতিবেদন দিলেই সিদ্ধান্ত হবে। তবে আন্দোলনের নামে বিশেষ মহলের ইন্ধনে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখছে সরকার।

সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, কোটা নিয়ে নতুন করে আন্দোলনের চেষ্টাকে সরকার সতর্ক দৃষ্টিতে দেখছে। সরকারের একাধিক মহল মনে করে পরিকল্পিতভাবে বিশেষ মহল ক্ষমতাসীনদের বিব্রত করতেই এ ধরনের তৎপরতা শুরু করেছে। সে কারণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আন্দোলনকারীদের প্রতি দৃষ্টি রাখছে।

সূত্রমতে, আটককৃতদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহ বাড়ি একজনের পারিবারিক অবস্থান জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। অন্যদের কেউ কেউ ছাত্রলীগের ব্যানারে থাকলেও তাদের পারিবারিক ও অতীত নিয়েও তদন্ত চলছে। নেতিবাচক দিকগুলো ধরেই আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার।

সরকারের একজন দায়িত্বশীল নেতা জানান, ইতিবাচক যে কোনো আন্দোলনে সরকার কখনই বাধা তৈরি করে না। কিন্তু সামনে ভোট রয়েছে। এই ভোটকে সামনে রেখে ঘোলা পানিতে কাউকে মাছ শিকার করতে দেওয়া হবে না।

জানা গেছে, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ৫৬ শতাংশ নিয়োগ হয় অগ্রাধিকার কোটায়। বাকি ৪৪ শতাংশ নিয়োগ হয় মেধা কোটায়। বিদ্যমান কোটা সংস্কারের পাঁচ দফা দাবিতে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। গত ১১ এপ্রিল কোটা থাকবে না বলে ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ২ মে এবং সব শেষ ২৭ জুন সংসদে একই কথা বলেন তিনি। জানান, এ নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি কাজ করছে। এতদিন ধরে চলে আসা পদ্ধতিটি কীভাবে বাদ দেওয়া যায়, সেটি নিয়ে কাজ চলছে। তারা প্রতিবেদন দিলেই সিদ্ধান্ত হবে।

সরকারের একাধিক মন্ত্রী জানান, কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি সেই আগের অবস্থানেই অনড় রয়েছেন। কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হচ্ছে। তবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের কোটা রাখার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী।

তারা আরও জানান, সরকার ইতিবাচক যে কোনো আন্দোলনে স্বাগত জানাবে। কিন্তু দাবি আদায়ের নামে বিশেষ মহলের ইন্ধনে সামনের ভোট বানচালের কোনো ষড়যন্ত্র কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এদের কারও কারও বিরুদ্ধে শিবির এবং পারিবারিকভাবে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। আবার কেউ কেউ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিতে থাকলেও পারিবারিক রাজনীতি ভিন্ন ধারার। সে কারণে কোটাবিরোধী আন্দোলন নাকি একাদশ সংসদ নির্বাচনের নতুন কোনো ষড়যন্ত্র তারও খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন