পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

ত্রিশালে গর্ভবতী মহিলাকে নিয়ে আসার পথে অ্যাম্বুলেন্স চালককে মারধর

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক জলিল মিয়া গাড়ীতে করে জরুরি ভিত্তিতে এক গর্ভবতী মহিলাকে নিয়ে আসার সময় অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে তাকে মারধর করে শেষে মুখে মবিল মেখে দিল উত্তেজিত শ্রমিকরা।

সোমবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে ত্রিশালের বইলর নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে তাকে মারধর ও মুখে পোড়া মবিল মাখিয়ে দেয়ার এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক জলিল মিয়া সোমবার বিকেলে জরুরি ভিত্তিতে এক গর্ভবতী নারীকে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আসার পথে বইলর নামক স্থানে শ্রমিকরা অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে তাকে মারধর ও মুখে শরীরে পোড়া মবিল মাখিয়ে দেয়।এছাড়াও দুপুরে মহাসড়কের চুরখাই নামক স্থানে রশিদ নামের এক বাইক যাত্রীকে দাড় করিয়ে কালি লাগিয়ে দেয় শ্রমিকরা।

ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক জলিল মিয়া বলেন, ‘আমাকে জোর করে মুখে পোড়া মবিল মাখিয়ে দেন। দুপুরে মহাসড়কের কাজির শিমলা নামক স্থানে রশিদ নামের এক বাইক যাত্রীকে দাঁড় করে কালি লাগিয়ে দেন শ্রমিকরা বলে আরও জানান তিনি।

এদিকে সড়ক পরিবহন আইনে পাস হওয়া ধারা সংশোধনসহ আট দফা দাবিতে ডাকা দেশজুড়ে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। এর থেকে রেহাই পায়নি অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগী ও চালকরাও। পাশাপাশি সিএনজি অটোরিক্সা পেলেই থামিয়ে চালক ও যাত্রীদেরও নাকে মুখে শরীরে পোড়া মবিলের কালি মেখে দিচ্ছে উত্তেজিত শ্রমিকরা।

অবরোধের ২য় দিনে শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্ট্যান্ডে, জিরো পয়েন্ট, রাগামারা মোড়, বগার বাজার, বৈলর, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সড়কে সকাল থেকেই পরিবহন শ্রমিকরা অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। মহাসড়কের কোথাও কোথাও দীর্ঘ লাইনে পণ্যবাহী ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতির ফলে দূরপল্লার কোনো যান চলাচল করতে পারিনি। এমনকি বিভিন্ন কোম্পানিতে কর্মরত শ্রমিকরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কর্মকর্তা কর্মচারীরা পথে পথে বাধার কারণে কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

ত্রিশালে গর্ভবতী মহিলাকে নিয়ে আসার পথে অ্যাম্বুলেন্স চালককে মারধর

আপডেট টাইম : ০৫:১২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৮

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক জলিল মিয়া গাড়ীতে করে জরুরি ভিত্তিতে এক গর্ভবতী মহিলাকে নিয়ে আসার সময় অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে তাকে মারধর করে শেষে মুখে মবিল মেখে দিল উত্তেজিত শ্রমিকরা।

সোমবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে ত্রিশালের বইলর নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে তাকে মারধর ও মুখে পোড়া মবিল মাখিয়ে দেয়ার এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক জলিল মিয়া সোমবার বিকেলে জরুরি ভিত্তিতে এক গর্ভবতী নারীকে নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আসার পথে বইলর নামক স্থানে শ্রমিকরা অ্যাম্বুলেন্স থামিয়ে তাকে মারধর ও মুখে শরীরে পোড়া মবিল মাখিয়ে দেয়।এছাড়াও দুপুরে মহাসড়কের চুরখাই নামক স্থানে রশিদ নামের এক বাইক যাত্রীকে দাড় করিয়ে কালি লাগিয়ে দেয় শ্রমিকরা।

ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালক জলিল মিয়া বলেন, ‘আমাকে জোর করে মুখে পোড়া মবিল মাখিয়ে দেন। দুপুরে মহাসড়কের কাজির শিমলা নামক স্থানে রশিদ নামের এক বাইক যাত্রীকে দাঁড় করে কালি লাগিয়ে দেন শ্রমিকরা বলে আরও জানান তিনি।

এদিকে সড়ক পরিবহন আইনে পাস হওয়া ধারা সংশোধনসহ আট দফা দাবিতে ডাকা দেশজুড়ে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। এর থেকে রেহাই পায়নি অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগী ও চালকরাও। পাশাপাশি সিএনজি অটোরিক্সা পেলেই থামিয়ে চালক ও যাত্রীদেরও নাকে মুখে শরীরে পোড়া মবিলের কালি মেখে দিচ্ছে উত্তেজিত শ্রমিকরা।

অবরোধের ২য় দিনে শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্ট্যান্ডে, জিরো পয়েন্ট, রাগামারা মোড়, বগার বাজার, বৈলর, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় সড়কে সকাল থেকেই পরিবহন শ্রমিকরা অবস্থান নিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। মহাসড়কের কোথাও কোথাও দীর্ঘ লাইনে পণ্যবাহী ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পরিবহন শ্রমিকদের কর্মবিরতির ফলে দূরপল্লার কোনো যান চলাচল করতে পারিনি। এমনকি বিভিন্ন কোম্পানিতে কর্মরত শ্রমিকরা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কর্মকর্তা কর্মচারীরা পথে পথে বাধার কারণে কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।