অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

‘ফখরুল সাহেব সম্ভবত রিচ ফুড খান না’

ডেস্ক : গণভবনে ১৪ দলের সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সংলাপে সবকিছু ছাপিয়ে আলোচনায় উঠে আসে নৈশভোজের প্রসঙ্গটি। আলোচনার শুরুটা মূলত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের কারণেই। বৈঠকের আগেই তারা জানিয়েছিলেন, নৈশভোজে অংশ নেবেন না। তবে শেষ পর্যন্ত ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সংলাপে অংশ নিয়ে কেউ নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ খাননি। নেতাদের আপ্যায়নে ছিল চিজ কেকসহ ২০ পদের খাবার।

বিএনপির একজন নেতা জানান, বৈঠকের মাঝেই খাবার দেওয়া হয়। তখন কেউ কেউ বক্তব্য দিচ্ছিলেন, কেউ কেউ বক্তব্য দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বৈঠকে অনেক বয়স্ক নেতা ছিলেন। তারা স্বাস্থ্যগত কারণেই খেয়েছেন।

সংলাপের শুরুতেই ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সামনে রাখা হয় প্রিঙ্গলস চিপস, বাদাম আর ফলের জুস। সন্ধ্যা ৭টায় সংলাপের শুরুতেই অতিথিদের সামনে দেওয়া হয় কমলা লেবু, আপেল ও তরমুজের শরবত এবং চিপস। কথার ফাঁকে ফাঁকে এই তিন পদের খাবারে চলে সংলাপ। তিন পদের সঙ্গে সবাইকে চিজ কেক দেওয়া হয়। ড. কামাল হোসেনের সামনে চিজ কেক রাখা হয়। সেখান থেকে অংশ বিশেষ নিয়ে তিনি খেয়েছেন।

খাবার পরিবেশন করা হলে ড. কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে বলেন, তারা বেশি সময় আলোচনার জন্যই নৈশভোজে অংশ নিতে চাননি। তবে প্রধানমন্ত্রী আলোচনাও করেছেন, আমাদের নৈশভোজেও আপ্যায়ন করেছেন। সংলাপের শুরুতে অনেকের সঙ্গে বাদাম চিবুচ্ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি প্রথমে নৈশভোজে অংশ নিতে চাননি। এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি এড়ায়নি। প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার একজন সহকারীকে বলেন, ফখরুল ইসলাম সাহেব সম্ভবত রিচ ফুড খান না।

তার জন্য ভাত অথবা রুটির ব্যবস্থা করো। পরে বিএনপি মহাসচিবকে ভাত ও মাছ খেতে দেওয়া হয়। পেটের সমস্যার কথা বলে শুধু কোপ্তা খান বিএনপি মহাসচিব। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসও নৈশভোজ এড়িয়ে যান। স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি রাতে বেশি কিছু খান না বলে জানান।

গণভবনে সংলাপে অংশ নেওয়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের দেশের নামকরা হোটেল থেকে আনা প্রায় কুড়ি রকমের খাবার দিয়ে আপ্যায়িত করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। খাবার তালিকায় ছিল মোরগ পোলাও, সাদা ভাত, বাটার নান, মাটন রেজালা, রুই মাছের দো পেঁয়াজা, চিতল মাছের কোপতা, রান্না করা মুরগির মাংস, গরুর মাংসের কাবাব, চিকেন বিরিয়ানি কাবাব, বিফ শিক কাবাব, মাল্টা, আনারস, জলপাই ও তরমুজের টাটকা জুস, চিংড়ি ছাড়া টক-মিষ্টি স্বাদের কর্ন স্যুপ, চিংড়ি ছাড়া মিক্সড নুডলস, সুপ, মিক্সড ভেজিটেবল। ছিল কয়েক ধরনের সালাদ। টক দই, মিষ্টি দই ও চিজ কেক ছিল ডেজার্ট হিসেবে। এছাড়াও ছিল কোমল পানীয়, চা ও কফি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

‘ফখরুল সাহেব সম্ভবত রিচ ফুড খান না’

আপডেট টাইম : ০৭:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ নভেম্বর ২০১৮

ডেস্ক : গণভবনে ১৪ দলের সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সংলাপে সবকিছু ছাপিয়ে আলোচনায় উঠে আসে নৈশভোজের প্রসঙ্গটি। আলোচনার শুরুটা মূলত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের কারণেই। বৈঠকের আগেই তারা জানিয়েছিলেন, নৈশভোজে অংশ নেবেন না। তবে শেষ পর্যন্ত ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সংলাপে অংশ নিয়ে কেউ নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ খাননি। নেতাদের আপ্যায়নে ছিল চিজ কেকসহ ২০ পদের খাবার।

বিএনপির একজন নেতা জানান, বৈঠকের মাঝেই খাবার দেওয়া হয়। তখন কেউ কেউ বক্তব্য দিচ্ছিলেন, কেউ কেউ বক্তব্য দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বৈঠকে অনেক বয়স্ক নেতা ছিলেন। তারা স্বাস্থ্যগত কারণেই খেয়েছেন।

সংলাপের শুরুতেই ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সামনে রাখা হয় প্রিঙ্গলস চিপস, বাদাম আর ফলের জুস। সন্ধ্যা ৭টায় সংলাপের শুরুতেই অতিথিদের সামনে দেওয়া হয় কমলা লেবু, আপেল ও তরমুজের শরবত এবং চিপস। কথার ফাঁকে ফাঁকে এই তিন পদের খাবারে চলে সংলাপ। তিন পদের সঙ্গে সবাইকে চিজ কেক দেওয়া হয়। ড. কামাল হোসেনের সামনে চিজ কেক রাখা হয়। সেখান থেকে অংশ বিশেষ নিয়ে তিনি খেয়েছেন।

খাবার পরিবেশন করা হলে ড. কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে বলেন, তারা বেশি সময় আলোচনার জন্যই নৈশভোজে অংশ নিতে চাননি। তবে প্রধানমন্ত্রী আলোচনাও করেছেন, আমাদের নৈশভোজেও আপ্যায়ন করেছেন। সংলাপের শুরুতে অনেকের সঙ্গে বাদাম চিবুচ্ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি প্রথমে নৈশভোজে অংশ নিতে চাননি। এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি এড়ায়নি। প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার একজন সহকারীকে বলেন, ফখরুল ইসলাম সাহেব সম্ভবত রিচ ফুড খান না।

তার জন্য ভাত অথবা রুটির ব্যবস্থা করো। পরে বিএনপি মহাসচিবকে ভাত ও মাছ খেতে দেওয়া হয়। পেটের সমস্যার কথা বলে শুধু কোপ্তা খান বিএনপি মহাসচিব। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসও নৈশভোজ এড়িয়ে যান। স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি রাতে বেশি কিছু খান না বলে জানান।

গণভবনে সংলাপে অংশ নেওয়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের দেশের নামকরা হোটেল থেকে আনা প্রায় কুড়ি রকমের খাবার দিয়ে আপ্যায়িত করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। খাবার তালিকায় ছিল মোরগ পোলাও, সাদা ভাত, বাটার নান, মাটন রেজালা, রুই মাছের দো পেঁয়াজা, চিতল মাছের কোপতা, রান্না করা মুরগির মাংস, গরুর মাংসের কাবাব, চিকেন বিরিয়ানি কাবাব, বিফ শিক কাবাব, মাল্টা, আনারস, জলপাই ও তরমুজের টাটকা জুস, চিংড়ি ছাড়া টক-মিষ্টি স্বাদের কর্ন স্যুপ, চিংড়ি ছাড়া মিক্সড নুডলস, সুপ, মিক্সড ভেজিটেবল। ছিল কয়েক ধরনের সালাদ। টক দই, মিষ্টি দই ও চিজ কেক ছিল ডেজার্ট হিসেবে। এছাড়াও ছিল কোমল পানীয়, চা ও কফি।