অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

যেসব আসনে বিএনপির প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত, তালিকায় আছেন যারা!

ডেস্ক : দুই জোট, ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের জন্য ৭০টি আসন রেখে বাকি ২৩০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করছে বিএনপি। গত রোববার থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের চারদিন ব্যাপী সাক্ষাৎকারের তৃতীয় দিন শেষ হয়েছে মঙ্গলবার।

নতুন ও তরুণ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়ার আভাস দিয়ে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, তাদের মধ্যে কিছু সাবেক ছাত্রদল নেতাও রয়েছে। তারা নিজেদের নির্বাচনী এলাকায় পুরোনো নেতাদের চেয়েও জনপ্রিয়।

এছাড়াও, বিএনপি ও তাদের জোট বেশ কিছু আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য এবং নারীদেরকে মনোনয়ন দেবে। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের আকৃষ্ট করতেই এই উদ্যোগ বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

দলের একটি সূত্র জানায়, তারেক রহমানের তত্ত্বাবধানে সারাদেশে পরিচালিত একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। তার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই ও মনোনয়ন দেয়া হবে। নানা বিতর্ক সত্ত্বেও মঙ্গলবারও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারেক রহমান মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। যাকেই প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হোক বা না হোক বিজয় নিশ্চিত করার জন্য তাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।

বিএনপি নেতারা বলেন, তাদের প্রধান প্রার্থী ছাড়াও প্রতিটি আসনে তিনজন ডামি প্রার্থী দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দল ও জোটের পক্ষে মাঠে থাকবে। এছাড়া ভোটের দিন ৪২ হাজার ভোট কেন্দ্রের প্রতিটি বুথে যাতে একাধিক এজেন্ট উপস্থিত থাকে তা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা।

তারা আরো বলেন, এ কৌশল এ জন্য নেয়া হয়েছে যে, কোনো কারণে তাদের প্রধান প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল হলে যাতে ডামি প্রার্থীকে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সংশ্লিষ্ট আসনে প্রার্থীতা নিশ্চিত করা যায়। এ কৌশল নেয়া হয়েছে নিরাপদ থাকার জন্যই।

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, অাগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোট। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ ডিসেম্বর। তবে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বলেন, কৌশলগত কারণে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের এক বা দুদিন আগ পর্যন্তও তারা তাদের দল বা জোটের প্রার্থী তালিকার চূড়ান্ত ঘোষণা দিবেন না।

মনোনয়ন যুদ্ধে পুরনো প্রার্থীরাই এগিয়ে রয়েছেন। প্রায় চূড়ান্ত হওয়া প্রার্থীদের নাম পাওয়া গেছে দলের বিভিন্ন সূত্রে। দেশব্যপী চালানো জরিপ এবং পঞ্চম, অষ্টম ও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে আসনগুলোতে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন ঘিরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একাধিক জরিপ চালিয়েছেন। জরিপে এগিয়ে থাকা প্রার্থী, বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনের ফল এবং প্রার্থীর রাজনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে সবুজ সংকেতও দেয়া হচ্ছে।

তালিকায় রয়েছেন— ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ছেলে দলের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির (পঞ্চগড়-১), মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ঠাকুরগাঁও-১), শামসুজ্জামান (নীলফামারী-২), আসাদুল হাবিব দুলু (লালমনিরহাট-৩), এমদাদুল হক ভরসা (রংপুর-৪), অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী (কুড়িগ্রাম-২), ফয়সাল আলিম (জয়পুরহাট-১), প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা (জয়পুরহাট-২), হারুনুর রশিদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), ব্যারিস্টার আমিনুল হক (রাজশাহী-১), মিজানুর রহমান মিনু (রাজশাহী-২), অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (নাটোর-২), ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মান্নান তালুকদার (সিরাজগঞ্জ-৩), হাবিবুর রহমান হাবিব (পাবনা-৪), মাসুদ অরুণ (মেহেরপুর-১), মেহেদী আহমেদ রুমি (কুষ্টিয়া-৪), শামসুজ্জামান দুদু (চুয়াডাঙ্গা-১), মাহমুদ হাসান বাবু (চুয়াডাঙ্গা-২), মসিউর রহমান (ঝিনাইদহ-২), তরিকুল ইসলামের ছেলে অনিন্দ ইসলাম অমিত (যশোর-৩), টি এস আইয়ুব (যশোর-৪), নিতাই রায় চৌধুরী ( মাগুরা-২), নজরুল ইসলাম মঞ্জু (খুলনা-২), রফিকুল ইসলাম বকুল (খুলনা-৩), আজিজুল বারী হেলাল (খুলনা-৪), হাবিবুল ইসলাম হাবিব (সাতক্ষীরা-১), অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন (বরগুনা-২), এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাব হোসেন চৌধুরী (পটুয়াখালী-১), এ বি এম মোশাররফ হোসেন (পটুয়াখালী-৪), মেজর (অব.) এম হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (ভোলা-৩), নাজিম উদ্দিন আলম (ভোলা-৪), মজিবর রহমান সরোয়ার (বরিশাল-৫), ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর (ঝালকাঠি-১), ফকির মাহবুব আলম স্বপন (টাঙ্গাইল-১), লুত্ফর রহমান আজাদ (টাঙ্গাইল-৩), লুত্ফর রহমান মতিন (টাঙ্গাইল-৪), সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (টাঙ্গাইল-২), অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী (টাঙ্গাইল-৬), সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স (ময়মনসিংহ-১), ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (ময়মনসিংহ-৪), এ কে এম মোশাররফ হোসেন (ময়মনসিংহ-৫), আখতারুল আলম ফারুক (ময়মনসিংহ-৬), মাহবুবুর রহমান লিটন (ময়মনসিংহ-৭), শাহ নূরুল কবির শাহীন (ময়মনসিংহ-৮), ফকরুদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (ময়মনসিংহ-১১), ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (নেত্রকোনা-১), ড. ওসমান ফারুক বা তার সহধর্মিণী (কিশোরগঞ্জ-৩), অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান (কিশোরগঞ্জ-৪), শরিফুল আলম (কিশোরগঞ্জ-৬), আফরোজা খান রিতা (মানিকগঞ্জ-৩), আমান উল্লাহ আমান (ঢাকা-২), গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩), সালাউদ্দিন আহমেদ (ঢাকা-৫), নাসিমা আক্তার কল্পনা (ঢাকা-৭), হাবিব-উন-নবী খান সোহেল (ঢাকা-৮), মির্জা আব্বাস (ঢাকা-৯), এমএ কাইয়ুম (ঢাকা-১১), এসএ খালেক (ঢাকা-১৪), ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (ঢাকা-১৯), শাহ রিয়াজুল হান্নান (গাজীপুর-৪), একেএম ফজলুল হক মিলন (গাজীপুর-৫), খায়রুল কবীর খোকন (নরসিংদী-১), ড. আবদুল মঈন খান (নরসিংদী-২), আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম (রাজবাড়ী-১), শামা ওবায়েদ (ফরিদপুর-২), সেলিমুজ্জামান সেলিম (গোপালগঞ্জ-১), সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (গোপালগঞ্জ-২), হেলেন জেরিন খান (মাদারীপুর-২), শফিকুর রহমান কিরন (শরীয়তপুর-৩), কলিমুদ্দিন আহমেদ মিলন (সুনামগঞ্জ-৫), তাহসিনা রুশদির লুনা (সিলেট-২), নাসের রহমান (মৌলভীবাজার-৩), প্রকৌশলী খালেদ মাহবুব শ্যামল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (কুমিল্লা-১), শওকত মাহমুদ (কুমিল্লা-৫), আমিন উর রশিদ ইয়াসিন (কুমিল্লা-৬), জাকারিয়া তাহের সুমন (কুমিল্লা-৮), আবুল কালাম (কুমিল্লা-৯), আ ন ম এহছানুল হক মিলন (চাঁদপুর-১), শেখ ফরিদউদ্দিন আহমেদ মানিক (চাঁদপুর-৩), হারুনুর রশিদ (চাঁদপুর-৪), ভিপি জয়নাল আবেদীন (ফেনী-২), আবদুল আউয়াল মিন্টু (ফেনী-৩), ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন (নোয়াখালী-১), জয়নাল আবেদীন ফারুক ( নোয়াখালী-২), বরকত উল্লাহ বুলু ( নোয়াখালী-৩), মো. শাহজাহান ( নোয়াখালী-৪), ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (নোয়াখালী-৫), শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী (লক্ষ্মীপুর-৩), এম মোরশেদ খান (চট্টগ্রাম-৭), ডা. শাহাদাত হোসেন (চট্টগ্রাম-৮), আবদুল্লাহ আল নোমান (চট্টগ্রাম-৯), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১০), জাফরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫), সালাহউদ্দিন আহমেদ (কক্সবাজার-১), লুত্ফর রহমান কাজল (কক্সবাজার-৩), আবদুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া (খাগড়াছড়ি) এবং সাচিং প্রু জেরী (বান্দরবান)।

একাধিক জরিপে এসব আসনে বড় ধরনের কোনো ঝামেলার তথ্য পায়নি দলটি।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

যেসব আসনে বিএনপির প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত, তালিকায় আছেন যারা!

আপডেট টাইম : ০৩:৩৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮

ডেস্ক : দুই জোট, ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের জন্য ৭০টি আসন রেখে বাকি ২৩০ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করছে বিএনপি। গত রোববার থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের চারদিন ব্যাপী সাক্ষাৎকারের তৃতীয় দিন শেষ হয়েছে মঙ্গলবার।

নতুন ও তরুণ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়ার আভাস দিয়ে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা জানান, তাদের মধ্যে কিছু সাবেক ছাত্রদল নেতাও রয়েছে। তারা নিজেদের নির্বাচনী এলাকায় পুরোনো নেতাদের চেয়েও জনপ্রিয়।

এছাড়াও, বিএনপি ও তাদের জোট বেশ কিছু আসনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য এবং নারীদেরকে মনোনয়ন দেবে। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যদের আকৃষ্ট করতেই এই উদ্যোগ বলে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

দলের একটি সূত্র জানায়, তারেক রহমানের তত্ত্বাবধানে সারাদেশে পরিচালিত একটি জরিপ পরিচালনা করা হয়। তার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই ও মনোনয়ন দেয়া হবে। নানা বিতর্ক সত্ত্বেও মঙ্গলবারও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তারেক রহমান মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। যাকেই প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হোক বা না হোক বিজয় নিশ্চিত করার জন্য তাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন।

বিএনপি নেতারা বলেন, তাদের প্রধান প্রার্থী ছাড়াও প্রতিটি আসনে তিনজন ডামি প্রার্থী দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দল ও জোটের পক্ষে মাঠে থাকবে। এছাড়া ভোটের দিন ৪২ হাজার ভোট কেন্দ্রের প্রতিটি বুথে যাতে একাধিক এজেন্ট উপস্থিত থাকে তা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা।

তারা আরো বলেন, এ কৌশল এ জন্য নেয়া হয়েছে যে, কোনো কারণে তাদের প্রধান প্রার্থীর প্রার্থীতা বাতিল হলে যাতে ডামি প্রার্থীকে দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে সংশ্লিষ্ট আসনে প্রার্থীতা নিশ্চিত করা যায়। এ কৌশল নেয়া হয়েছে নিরাপদ থাকার জন্যই।

নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, অাগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোট। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ ডিসেম্বর। তবে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা বলেন, কৌশলগত কারণে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের এক বা দুদিন আগ পর্যন্তও তারা তাদের দল বা জোটের প্রার্থী তালিকার চূড়ান্ত ঘোষণা দিবেন না।

মনোনয়ন যুদ্ধে পুরনো প্রার্থীরাই এগিয়ে রয়েছেন। প্রায় চূড়ান্ত হওয়া প্রার্থীদের নাম পাওয়া গেছে দলের বিভিন্ন সূত্রে। দেশব্যপী চালানো জরিপ এবং পঞ্চম, অষ্টম ও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে আসনগুলোতে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন ঘিরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একাধিক জরিপ চালিয়েছেন। জরিপে এগিয়ে থাকা প্রার্থী, বিগত তিনটি জাতীয় নির্বাচনের ফল এবং প্রার্থীর রাজনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে সবুজ সংকেতও দেয়া হচ্ছে।

তালিকায় রয়েছেন— ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ছেলে দলের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নওশাদ জমির (পঞ্চগড়-১), মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (ঠাকুরগাঁও-১), শামসুজ্জামান (নীলফামারী-২), আসাদুল হাবিব দুলু (লালমনিরহাট-৩), এমদাদুল হক ভরসা (রংপুর-৪), অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী (কুড়িগ্রাম-২), ফয়সাল আলিম (জয়পুরহাট-১), প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা (জয়পুরহাট-২), হারুনুর রশিদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), ব্যারিস্টার আমিনুল হক (রাজশাহী-১), মিজানুর রহমান মিনু (রাজশাহী-২), অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (নাটোর-২), ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু (সিরাজগঞ্জ-২), আবদুল মান্নান তালুকদার (সিরাজগঞ্জ-৩), হাবিবুর রহমান হাবিব (পাবনা-৪), মাসুদ অরুণ (মেহেরপুর-১), মেহেদী আহমেদ রুমি (কুষ্টিয়া-৪), শামসুজ্জামান দুদু (চুয়াডাঙ্গা-১), মাহমুদ হাসান বাবু (চুয়াডাঙ্গা-২), মসিউর রহমান (ঝিনাইদহ-২), তরিকুল ইসলামের ছেলে অনিন্দ ইসলাম অমিত (যশোর-৩), টি এস আইয়ুব (যশোর-৪), নিতাই রায় চৌধুরী ( মাগুরা-২), নজরুল ইসলাম মঞ্জু (খুলনা-২), রফিকুল ইসলাম বকুল (খুলনা-৩), আজিজুল বারী হেলাল (খুলনা-৪), হাবিবুল ইসলাম হাবিব (সাতক্ষীরা-১), অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন (বরগুনা-২), এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাব হোসেন চৌধুরী (পটুয়াখালী-১), এ বি এম মোশাররফ হোসেন (পটুয়াখালী-৪), মেজর (অব.) এম হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (ভোলা-৩), নাজিম উদ্দিন আলম (ভোলা-৪), মজিবর রহমান সরোয়ার (বরিশাল-৫), ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর (ঝালকাঠি-১), ফকির মাহবুব আলম স্বপন (টাঙ্গাইল-১), লুত্ফর রহমান আজাদ (টাঙ্গাইল-৩), লুত্ফর রহমান মতিন (টাঙ্গাইল-৪), সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (টাঙ্গাইল-২), অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী (টাঙ্গাইল-৬), সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স (ময়মনসিংহ-১), ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন (ময়মনসিংহ-৪), এ কে এম মোশাররফ হোসেন (ময়মনসিংহ-৫), আখতারুল আলম ফারুক (ময়মনসিংহ-৬), মাহবুবুর রহমান লিটন (ময়মনসিংহ-৭), শাহ নূরুল কবির শাহীন (ময়মনসিংহ-৮), ফকরুদ্দিন আহমেদ বাচ্চু (ময়মনসিংহ-১১), ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (নেত্রকোনা-১), ড. ওসমান ফারুক বা তার সহধর্মিণী (কিশোরগঞ্জ-৩), অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান (কিশোরগঞ্জ-৪), শরিফুল আলম (কিশোরগঞ্জ-৬), আফরোজা খান রিতা (মানিকগঞ্জ-৩), আমান উল্লাহ আমান (ঢাকা-২), গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩), সালাউদ্দিন আহমেদ (ঢাকা-৫), নাসিমা আক্তার কল্পনা (ঢাকা-৭), হাবিব-উন-নবী খান সোহেল (ঢাকা-৮), মির্জা আব্বাস (ঢাকা-৯), এমএ কাইয়ুম (ঢাকা-১১), এসএ খালেক (ঢাকা-১৪), ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (ঢাকা-১৯), শাহ রিয়াজুল হান্নান (গাজীপুর-৪), একেএম ফজলুল হক মিলন (গাজীপুর-৫), খায়রুল কবীর খোকন (নরসিংদী-১), ড. আবদুল মঈন খান (নরসিংদী-২), আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম (রাজবাড়ী-১), শামা ওবায়েদ (ফরিদপুর-২), সেলিমুজ্জামান সেলিম (গোপালগঞ্জ-১), সিরাজুল ইসলাম সিরাজ (গোপালগঞ্জ-২), হেলেন জেরিন খান (মাদারীপুর-২), শফিকুর রহমান কিরন (শরীয়তপুর-৩), কলিমুদ্দিন আহমেদ মিলন (সুনামগঞ্জ-৫), তাহসিনা রুশদির লুনা (সিলেট-২), নাসের রহমান (মৌলভীবাজার-৩), প্রকৌশলী খালেদ মাহবুব শ্যামল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন (কুমিল্লা-১), শওকত মাহমুদ (কুমিল্লা-৫), আমিন উর রশিদ ইয়াসিন (কুমিল্লা-৬), জাকারিয়া তাহের সুমন (কুমিল্লা-৮), আবুল কালাম (কুমিল্লা-৯), আ ন ম এহছানুল হক মিলন (চাঁদপুর-১), শেখ ফরিদউদ্দিন আহমেদ মানিক (চাঁদপুর-৩), হারুনুর রশিদ (চাঁদপুর-৪), ভিপি জয়নাল আবেদীন (ফেনী-২), আবদুল আউয়াল মিন্টু (ফেনী-৩), ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন (নোয়াখালী-১), জয়নাল আবেদীন ফারুক ( নোয়াখালী-২), বরকত উল্লাহ বুলু ( নোয়াখালী-৩), মো. শাহজাহান ( নোয়াখালী-৪), ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ (নোয়াখালী-৫), শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী (লক্ষ্মীপুর-৩), এম মোরশেদ খান (চট্টগ্রাম-৭), ডা. শাহাদাত হোসেন (চট্টগ্রাম-৮), আবদুল্লাহ আল নোমান (চট্টগ্রাম-৯), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১০), জাফরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫), সালাহউদ্দিন আহমেদ (কক্সবাজার-১), লুত্ফর রহমান কাজল (কক্সবাজার-৩), আবদুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া (খাগড়াছড়ি) এবং সাচিং প্রু জেরী (বান্দরবান)।

একাধিক জরিপে এসব আসনে বড় ধরনের কোনো ঝামেলার তথ্য পায়নি দলটি।