পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

ভোটের দিন ইন্টারনেটের গতি কমানোর কথা ভাবছে ইসি

ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেছেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা বলেছেন, ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দিতে হবে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটের দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমানোর বিষয় ভাবছে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন কমিশনের ইটিআই ভবনে নির্বাচনের দিন সফটওয়্যার সংক্রান্ত ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ই এম এস), ক্যান্ডিডেট ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইএমএস) ও রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আরএমএস) প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওই অনুষ্ঠানে ইটিআই-এর পরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে ইসি সচিব বলেন, ‘বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছিল। তারা আমাদের বলেছেন, ভোটের দিন ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দিতে হবে। ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দিলে আপনাদের কী কোনো অসুবিধা হবে?

প্রশিক্ষণার্থীদের অসুবিধা হবে বলে সমস্বরে জানালে ইসি সচিব বলেন, ‘আপনারা তো রেজাল্ট পাঠাবেন ৫টার পর থেকে। যদি ৫টার পর থেকেই ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক থাকে তাহলে তো সমস্যা নেই। তাহলে আমরা চিন্তাভাবনা করে দেখবো। অর্থাৎ বিকেল ৪টার পর ফুল স্পিডে ইন্টারনেট থাকলে আপনারা ওকে।’

সচিব বলেন, নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ৩০০ আসনে নির্বাচন করা বিশাল ব্যাপার। আমাদের দেশে রাজনীতিক সুষ্ঠু পরিবেশ থাকলে আমাদের জন্য কাজ করা সুবিধা। বাংলাদেশে টিভিতে টক শো হলেই দেখবেন নির্বাচন কমিশন নিয়ে কথাবার্তা চলছে। নির্বাচন কমিশনে আপনাদের চেয়ে এক্সপার্ট আর কেউ নাই। আপনারা উপজেলা অফিসে আপনাদের কাজ। মানুষের ভোটার আইডি কার্ড কারেকশন, বয়স কমানো বাড়ানো ইত্যাদি কাজ। নির্বাচন উপলক্ষে এসব আপাতত বন্ধ রয়েছে। তাহলে আপনাদের এখন কাজ কী? জাতীয় নির্বাচনে কাজ আছে।

আমরা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই অনেক কাজ করেছি। এখনও চলছে। আগামীকাল শেষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ভোটের দিন ইন্টারনেটের গতি কমানোর কথা ভাবছে ইসি

আপডেট টাইম : ০৭:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮

ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বলেছেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা বলেছেন, ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দিতে হবে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটের দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ইন্টারনেটের গতি কিছুটা কমানোর বিষয় ভাবছে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে নির্বাচন কমিশনের ইটিআই ভবনে নির্বাচনের দিন সফটওয়্যার সংক্রান্ত ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ই এম এস), ক্যান্ডিডেট ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইএমএস) ও রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আরএমএস) প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওই অনুষ্ঠানে ইটিআই-এর পরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে ইসি সচিব বলেন, ‘বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছিল। তারা আমাদের বলেছেন, ভোটের দিন ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দিতে হবে। ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দিলে আপনাদের কী কোনো অসুবিধা হবে?

প্রশিক্ষণার্থীদের অসুবিধা হবে বলে সমস্বরে জানালে ইসি সচিব বলেন, ‘আপনারা তো রেজাল্ট পাঠাবেন ৫টার পর থেকে। যদি ৫টার পর থেকেই ইন্টারনেটের গতি স্বাভাবিক থাকে তাহলে তো সমস্যা নেই। তাহলে আমরা চিন্তাভাবনা করে দেখবো। অর্থাৎ বিকেল ৪টার পর ফুল স্পিডে ইন্টারনেট থাকলে আপনারা ওকে।’

সচিব বলেন, নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ৩০০ আসনে নির্বাচন করা বিশাল ব্যাপার। আমাদের দেশে রাজনীতিক সুষ্ঠু পরিবেশ থাকলে আমাদের জন্য কাজ করা সুবিধা। বাংলাদেশে টিভিতে টক শো হলেই দেখবেন নির্বাচন কমিশন নিয়ে কথাবার্তা চলছে। নির্বাচন কমিশনে আপনাদের চেয়ে এক্সপার্ট আর কেউ নাই। আপনারা উপজেলা অফিসে আপনাদের কাজ। মানুষের ভোটার আইডি কার্ড কারেকশন, বয়স কমানো বাড়ানো ইত্যাদি কাজ। নির্বাচন উপলক্ষে এসব আপাতত বন্ধ রয়েছে। তাহলে আপনাদের এখন কাজ কী? জাতীয় নির্বাচনে কাজ আছে।

আমরা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই অনেক কাজ করেছি। এখনও চলছে। আগামীকাল শেষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে।