অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

নরসিংদীর মাধবদীতে নদী খনন শেষ হবার আগেই দখল করে নিয়েছে ভূমিদস্যুরা

নাজমুল হক চৌধুরীঃ নরসিংদী জেলার মাধবদীতে নদী ( খাল ) খনন শেষ হওয়ার আগেই নদীর পাড় দখল করে নিয়েছে ভূমিদস্যু দখলদাররা। খননের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয় নাই অথচ অবৈধ ভাবে নদীর পাড় দখল করে স্থাপনা দোকান বানানো হচ্ছে।

সারেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল নদীর (খালের ) পাড়ে নির্মিত রাস্তা ও নদীর পাড় দখল করে দোকান ঘর ( মার্কেট ) নির্মাণ করে উচ্চ তা উচ্চ মূল্যে বিক্রি করছে। এলাকাবাসী জানান, মাধবদীর কিছু প্রভাবশালী মহল মহল এর সাথে জড়িত। এই প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা দখলকৃত নদীর পাড়ে দোকান (মার্কেট) করে তা বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

স্থানীয় জনগন আরো জানান,” নদী ( খাল ) খননের জন্য বহু মানুষ স্বেচ্ছায় তাদের কোটি কোটি টাকা মূল্যের স্থাপনা ভেঙে দিয়েছে , যারা স্বেচ্ছায় ভাঙেনি তাদের কোটি কোটি টাকা মূল্যের স্থাপনা ভেকু দিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে দায়িত্ব প্রাপ্ত সেনা বাহিনী”। স্থানীয় জনতা আরো জানান, কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় একটি প্রভাবশাল রাস্তা অবৈধ দখলদারদের দখলেই চলে যায় – তাহলে সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা মূল্যের স্থাপনা কেনো ভাঙা হলো? অনেক ব্যবসায়ীকে পথে বসানো হলো কেনো? সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হলো কেন??

এলাকাবাসীর দাবী অনতিবিলম্বে আমরা নদীর ( খালের) পাড়ে রাস্তা দখল করে নির্মিত মার্কেট ভেঙে নদীর পাড় ও রাস্তা দখল মুক্ত করে জনগনের চলাচলের পথ ও নদীর পাড় উম্মুক্ত করা হোক। তারা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পানি সম্পদ মন্রী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণের জোড় দাবী জানান।

এই বিষয়ে নরসিংদী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিজয় ইন্দ্র শঙ্কর চক্রবর্তী জানান,” নদীর পাড় দখলের বিষয়ে আমরা তথ্য পেয়েছি, তদন্ত করে দেখা হবে নদীর সীমানার আওতাধীন কোন জায়গা দখল ও স্থাপনা নির্মাণ করা হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

নরসিংদীর মাধবদীতে নদী খনন শেষ হবার আগেই দখল করে নিয়েছে ভূমিদস্যুরা

আপডেট টাইম : ০৪:৪১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৩

নাজমুল হক চৌধুরীঃ নরসিংদী জেলার মাধবদীতে নদী ( খাল ) খনন শেষ হওয়ার আগেই নদীর পাড় দখল করে নিয়েছে ভূমিদস্যু দখলদাররা। খননের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয় নাই অথচ অবৈধ ভাবে নদীর পাড় দখল করে স্থাপনা দোকান বানানো হচ্ছে।

সারেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহল নদীর (খালের ) পাড়ে নির্মিত রাস্তা ও নদীর পাড় দখল করে দোকান ঘর ( মার্কেট ) নির্মাণ করে উচ্চ তা উচ্চ মূল্যে বিক্রি করছে। এলাকাবাসী জানান, মাধবদীর কিছু প্রভাবশালী মহল মহল এর সাথে জড়িত। এই প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা দখলকৃত নদীর পাড়ে দোকান (মার্কেট) করে তা বিক্রি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।

স্থানীয় জনগন আরো জানান,” নদী ( খাল ) খননের জন্য বহু মানুষ স্বেচ্ছায় তাদের কোটি কোটি টাকা মূল্যের স্থাপনা ভেঙে দিয়েছে , যারা স্বেচ্ছায় ভাঙেনি তাদের কোটি কোটি টাকা মূল্যের স্থাপনা ভেকু দিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে দায়িত্ব প্রাপ্ত সেনা বাহিনী”। স্থানীয় জনতা আরো জানান, কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় একটি প্রভাবশাল রাস্তা অবৈধ দখলদারদের দখলেই চলে যায় – তাহলে সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা মূল্যের স্থাপনা কেনো ভাঙা হলো? অনেক ব্যবসায়ীকে পথে বসানো হলো কেনো? সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হলো কেন??

এলাকাবাসীর দাবী অনতিবিলম্বে আমরা নদীর ( খালের) পাড়ে রাস্তা দখল করে নির্মিত মার্কেট ভেঙে নদীর পাড় ও রাস্তা দখল মুক্ত করে জনগনের চলাচলের পথ ও নদীর পাড় উম্মুক্ত করা হোক। তারা গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পানি সম্পদ মন্রী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণের জোড় দাবী জানান।

এই বিষয়ে নরসিংদী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিজয় ইন্দ্র শঙ্কর চক্রবর্তী জানান,” নদীর পাড় দখলের বিষয়ে আমরা তথ্য পেয়েছি, তদন্ত করে দেখা হবে নদীর সীমানার আওতাধীন কোন জায়গা দখল ও স্থাপনা নির্মাণ করা হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।