পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

সংসার চালাতে ভ্যান গাড়ি চালিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রি করেন জামিলা।

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক লালমনিরহাট: অভাবে স্বভাব বদলায় তাই নারী হয়েও অভাব কে দুর করতে নিজের সংসার চালাতে ঝাল মুড়ি বিক্রি করেই চলেছে লালমনিরহাটের জমিলা বেগম (৪০) এর সংসার। স্বামীর মৃত্যুর পরে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকেই । সামান্য পুঁজি নিয়ে নিজেই নেমে পড়েছেন ঝালমুড়ি বিক্রয় করতে শুধু ঝালমুড়ি বিক্রি করতে নারী হয়েও ছেলেদের মত ভ্যানগাড়ি চালাতে হয় স্বামী হারা বধূ জামিলা বেগম কে।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে উপজেলার চামটাহাট বাজারে ভ্যানে ঝাল মুড়ি বিক্রি করতে দেখা মেলে জমিলা বেগমের।এছাড়াও বিভিন্ন গ্রামে কষ্ট করে ভ্যান চালিয়ে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে এই সংগ্রামী নারী।
মদাতী ইউনিয়নের তালুক শাখাতী এলাকায় জমিলা বেগম এর বসবাস।

৪ শতক জমিতে জরার্জীন একটি বাড়িতে টেনেটুনে চলছিল জমিলা বেগম এর কষ্টের সংসার। স্বামীর মৃত্যু পর জমিলা বেগম এর সংসারে, নেমে আসে অন্ধকার ও অভাব অনাটন।জমিলার ছেলে জামিনুর (২১) কটকটির ফেরি কাজ করলেও তাতে চলছিল না সংসার। তবে হাল ছাড়েনি জমিলা বেগম।

অবশেষে স্বল্পপূজি নিয়ে জমিলা নিজেই নেমে পড়েছেন ঝালমুড়ি বিক্রি করতে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিজ এলাকার চামটাহাটে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে ঝালমুড়ি বিক্রি করেন জীবন সংগ্রামী এই নারী যোদ্ধা। ঝালমুড়ি বিক্রি করে দিনে আয় ২০০ থেকে ২৫০ টাকা আর তাতেই কোনো মতে চলছে এই সংগ্রামী নারীর জীবন সংসার।

অসহায় জমিলা বেগম বলেন, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমি ঝাল মুড়ি বিক্রি করি। অনেক কষ্ট হয় সংসার চালানোর জন্য। তিনটা ছেলে মেয়ে নিয়ে আমি অসহায়। তাই আমি রাত নেই দিন নেই রাস্তায় ঘুরি আর ঝাল মুড়ি বিক্রি করি। নানান মানুষের নানান কথা বলে আমি মনে কিছু নেই না, আমার ছেলে মেয়েদের জন্যই তো করি। যদি পারেন, আমারে সাহায্যের হাত বাড়ান আমারে কেউ একটা কর্মস্থানের ব্যাবস্থা করে দেন অসহায় ভ্যানচালিত ঝালমুড়ি ব্যাবসায়ী নারী জামিলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহির ইমামের কাছে একটি সরকারি ঘরের আকুতি জানিয়েছেন।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সংসার চালাতে ভ্যান গাড়ি চালিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রি করেন জামিলা।

আপডেট টাইম : ০৪:৪১:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০২৩

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক লালমনিরহাট: অভাবে স্বভাব বদলায় তাই নারী হয়েও অভাব কে দুর করতে নিজের সংসার চালাতে ঝাল মুড়ি বিক্রি করেই চলেছে লালমনিরহাটের জমিলা বেগম (৪০) এর সংসার। স্বামীর মৃত্যুর পরে সংসারের হাল ধরতে হয়েছে তাকেই । সামান্য পুঁজি নিয়ে নিজেই নেমে পড়েছেন ঝালমুড়ি বিক্রয় করতে শুধু ঝালমুড়ি বিক্রি করতে নারী হয়েও ছেলেদের মত ভ্যানগাড়ি চালাতে হয় স্বামী হারা বধূ জামিলা বেগম কে।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে উপজেলার চামটাহাট বাজারে ভ্যানে ঝাল মুড়ি বিক্রি করতে দেখা মেলে জমিলা বেগমের।এছাড়াও বিভিন্ন গ্রামে কষ্ট করে ভ্যান চালিয়ে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে এই সংগ্রামী নারী।
মদাতী ইউনিয়নের তালুক শাখাতী এলাকায় জমিলা বেগম এর বসবাস।

৪ শতক জমিতে জরার্জীন একটি বাড়িতে টেনেটুনে চলছিল জমিলা বেগম এর কষ্টের সংসার। স্বামীর মৃত্যু পর জমিলা বেগম এর সংসারে, নেমে আসে অন্ধকার ও অভাব অনাটন।জমিলার ছেলে জামিনুর (২১) কটকটির ফেরি কাজ করলেও তাতে চলছিল না সংসার। তবে হাল ছাড়েনি জমিলা বেগম।

অবশেষে স্বল্পপূজি নিয়ে জমিলা নিজেই নেমে পড়েছেন ঝালমুড়ি বিক্রি করতে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিজ এলাকার চামটাহাটে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে ঝালমুড়ি বিক্রি করেন জীবন সংগ্রামী এই নারী যোদ্ধা। ঝালমুড়ি বিক্রি করে দিনে আয় ২০০ থেকে ২৫০ টাকা আর তাতেই কোনো মতে চলছে এই সংগ্রামী নারীর জীবন সংসার।

অসহায় জমিলা বেগম বলেন, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমি ঝাল মুড়ি বিক্রি করি। অনেক কষ্ট হয় সংসার চালানোর জন্য। তিনটা ছেলে মেয়ে নিয়ে আমি অসহায়। তাই আমি রাত নেই দিন নেই রাস্তায় ঘুরি আর ঝাল মুড়ি বিক্রি করি। নানান মানুষের নানান কথা বলে আমি মনে কিছু নেই না, আমার ছেলে মেয়েদের জন্যই তো করি। যদি পারেন, আমারে সাহায্যের হাত বাড়ান আমারে কেউ একটা কর্মস্থানের ব্যাবস্থা করে দেন অসহায় ভ্যানচালিত ঝালমুড়ি ব্যাবসায়ী নারী জামিলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহির ইমামের কাছে একটি সরকারি ঘরের আকুতি জানিয়েছেন।