অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় মা-ছেলেসহ পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় আবু হোসাইন নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে মা-ছেলেসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পাঁচবিবি উপজেলার কোকতারা গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর স্ত্রী সহিদা বেগম ও ছেলে মো. রব্বানী, একই উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের আবু রায়হানের স্ত্রী আমিনা বেগম ও ছেলে রাফিউল এবং কোকতারা গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে মোজাফফর হোসেন। এর মধ্যে আমিনা বেগম পলাতক রয়েছেন। বাকি চার আসামিকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরে ২০১০ সালের ২৫ মার্চ পাঁচবিবির দরগাপাড়া এলাকায় আবু হোসাইনের পরিবারের সঙ্গে প্রতিপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রতিপক্ষরা আবু হোসাইনের মাথায় লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করে এবং দুই পায়ে মারধর করে জখম করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আবু হোসাইনকে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে বগুড়া মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার ৯ দিন পর আবু হোসাইন মারা যান।

এ ঘটনায় আবু হোসাইনের বাবা আবু তাহের বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন পাঁচবিবি থানা পুলিশের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মমিনুল হক। তদন্ত শেষে ৩০ জুলাই তিনি আদালতে ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে মামলা চলাকালীন দুই আসামি মারা যান। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ এই রায় দিয়েছেন।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় মা-ছেলেসহ পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট টাইম : ১২:৩৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ডেস্ক: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় আবু হোসাইন নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার দায়ে মা-ছেলেসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- পাঁচবিবি উপজেলার কোকতারা গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর স্ত্রী সহিদা বেগম ও ছেলে মো. রব্বানী, একই উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামের আবু রায়হানের স্ত্রী আমিনা বেগম ও ছেলে রাফিউল এবং কোকতারা গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে মোজাফফর হোসেন। এর মধ্যে আমিনা বেগম পলাতক রয়েছেন। বাকি চার আসামিকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরে ২০১০ সালের ২৫ মার্চ পাঁচবিবির দরগাপাড়া এলাকায় আবু হোসাইনের পরিবারের সঙ্গে প্রতিপক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রতিপক্ষরা আবু হোসাইনের মাথায় লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করে এবং দুই পায়ে মারধর করে জখম করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আবু হোসাইনকে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে বগুড়া মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানেও অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঘটনার ৯ দিন পর আবু হোসাইন মারা যান।

এ ঘটনায় আবু হোসাইনের বাবা আবু তাহের বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন পাঁচবিবি থানা পুলিশের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মমিনুল হক। তদন্ত শেষে ৩০ জুলাই তিনি আদালতে ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে মামলা চলাকালীন দুই আসামি মারা যান। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ এই রায় দিয়েছেন।