পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল

নওগাঁ পত্নীতলার নজিপুরে আলো ছড়াবে সীমান্ত পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ

(নওগাঁ) প্রতিনিধিঃনওগাঁর পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবির) উদ্যোগে সীমান্ত পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। রবিবার ( ১৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার ১৪ বিজিবি সংলগ্ন এলাকায় পত্নীতলা সীমান্ত স্কুল এন্ড কলেজের স্থান নির্ধারণ করে বিজিবিকে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেঃ কর্নেল হামিদ উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পপি খাতুন, উপজেলা ভূমি অফিসার আজিজুল কবির। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন মেজর এস.এম. ইমরুল কায়েস, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম, স্থানীয় ব্যক্তিবর্গসহ বৈষম্য আন্দোলনের ছাত্র-ছাত্রী সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কর্নেল হামিদ বলেন, আলোকিত সমাজ বিনির্মানে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন ১৪ বিজিবির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় পত্নীতলা উপজেলা তথা নওগাঁ অধিবাসীদের জন্য আলো ছড়াবে সীমান্ত পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। একটা স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন থেকে আমাদের এই উদ্যোগ গ্রহন করা। স্কুল প্রতিষ্ঠায় যমুনা টিভির সিনিয়র সাংবাদিক শফিক ছোটনের সাহসীকতায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বিজিবি সদস্যদের স্বপ্ন এই পত্নীতলাতে তাদের ছেলে-মেয়ে পত্নীতলা অধিবাসীদের সাথে মিলেমিশে একসাথে আলোকিত সমাজ বিনির্মানে অংশ নেবে এবং সুনাগরিক হিসেবে এই প্রতিষ্ঠান থেকে জ্ঞান অর্জন করবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পপি খাতুন বলেন, দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত একটি স্বপ্ন পূরণের সূচনা হল আজ। স্কুল প্রতিষ্ঠায় যাবতীয় কার্যবলী পদাধিকার বলে আমার উপর অর্পিত হয়েছিল। বিজিবি ও জেলা প্রশাসকের যৌথ প্রচেষ্ঠায় স্কুলের স্থান নির্ধারন হয়। প্রাথমিকভাবে খাস জমি উদ্ধার করে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় বাকি কাজ শেষ এবং ভালো মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গুরুত্ব রাখবে পত্নীতলা সীমান্ত পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য মামুনুর বলেন, পত্নীতলার মত প্রত্যন্ত এলাকায় পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ হচ্ছে এটা আমাদের জন্য অনেক আনন্দের এবং বড় পাওয়া। জেলা প্রশাসক ও বিজিবির ঔকান্তিক প্রচেষ্ঠায় আজকে যে স্বপ্নের সূচনা হচ্ছে তরুণ প্রজন্মের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

Tag :

নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

নওগাঁ পত্নীতলার নজিপুরে আলো ছড়াবে সীমান্ত পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ

আপডেট টাইম : ০২:৪২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪

(নওগাঁ) প্রতিনিধিঃনওগাঁর পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবির) উদ্যোগে সীমান্ত পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। রবিবার ( ১৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার ১৪ বিজিবি সংলগ্ন এলাকায় পত্নীতলা সীমান্ত স্কুল এন্ড কলেজের স্থান নির্ধারণ করে বিজিবিকে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেঃ কর্নেল হামিদ উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পপি খাতুন, উপজেলা ভূমি অফিসার আজিজুল কবির। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন মেজর এস.এম. ইমরুল কায়েস, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম, স্থানীয় ব্যক্তিবর্গসহ বৈষম্য আন্দোলনের ছাত্র-ছাত্রী সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কর্নেল হামিদ বলেন, আলোকিত সমাজ বিনির্মানে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন ১৪ বিজিবির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের সহযোগিতায় পত্নীতলা উপজেলা তথা নওগাঁ অধিবাসীদের জন্য আলো ছড়াবে সীমান্ত পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। একটা স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন থেকে আমাদের এই উদ্যোগ গ্রহন করা। স্কুল প্রতিষ্ঠায় যমুনা টিভির সিনিয়র সাংবাদিক শফিক ছোটনের সাহসীকতায় অগ্রনী ভূমিকা পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বিজিবি সদস্যদের স্বপ্ন এই পত্নীতলাতে তাদের ছেলে-মেয়ে পত্নীতলা অধিবাসীদের সাথে মিলেমিশে একসাথে আলোকিত সমাজ বিনির্মানে অংশ নেবে এবং সুনাগরিক হিসেবে এই প্রতিষ্ঠান থেকে জ্ঞান অর্জন করবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পপি খাতুন বলেন, দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত একটি স্বপ্ন পূরণের সূচনা হল আজ। স্কুল প্রতিষ্ঠায় যাবতীয় কার্যবলী পদাধিকার বলে আমার উপর অর্পিত হয়েছিল। বিজিবি ও জেলা প্রশাসকের যৌথ প্রচেষ্ঠায় স্কুলের স্থান নির্ধারন হয়। প্রাথমিকভাবে খাস জমি উদ্ধার করে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় বাকি কাজ শেষ এবং ভালো মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গুরুত্ব রাখবে পত্নীতলা সীমান্ত পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য মামুনুর বলেন, পত্নীতলার মত প্রত্যন্ত এলাকায় পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ হচ্ছে এটা আমাদের জন্য অনেক আনন্দের এবং বড় পাওয়া। জেলা প্রশাসক ও বিজিবির ঔকান্তিক প্রচেষ্ঠায় আজকে যে স্বপ্নের সূচনা হচ্ছে তরুণ প্রজন্মের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।