অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল

শিবপুরে সীমানা জটিলতায় হচ্ছে না বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি

শিবপুর প্রতিনিধি: নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ৮৪ নং আক্রাশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা জটিলতায় আটকে আছে উন্নয়ন কাজ। সীমানা প্রাচীর (বাউন্ডারি) নির্মানে দেয়া হচ্ছে বাঁধা। রাস্তার পাশে বিদ্যালয়ের শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে রয়েছে। এখানে শিশুদের নিরাপত্তায় সীমানা প্রাচীর অতি জরুরি।

এ ব্যাপারে শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম লিখিতভাবে দরখাস্ত দেন।

আক্রাশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম জানান, দলিল অনুযায়ী বিদ্যালয়ের জমি ৩০ শতাংশ। সেই মোতাবেক আমি বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জমির তথ্য অবহিত করে আসছি ও নিয়মিত কর প্রদান করছি এবং এই শর্তে আমার বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়। সম্প্রতি আমার বিদ্যালয়টি সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য নির্বাচিত হয় এবং সেই উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমতিক্রমে বিদ্যালয়ের গাছ কর্তন করতে গিয়ে বিদ্যালয় চত্বরে অবস্থিত মসজিদ কমিটির লোকজন বাঁধা বাধা প্রদান করে। মসজিদ কমিটির লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন।

প্রধান শিক্ষক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি হয়। শুনানিতে বিদ্যালয় এর ১৩ শতাংশের মধ্যে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৩ শতাংশ বাউন্ডারি নির্মাণের কথা এলাকায় জানাজানি হলে এলাকাবাসী আমার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং আমার বিদ্যালয় শিক্ষার্থী ভর্তি না করার হুমকি প্রদান করেন। তারা পুরো জমির উপর সীমানা প্রাচীন নির্মাণের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছে। রাস্তার সাথে বিদ্যালয় থাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউন্ডারি অতি জরুরী। অভিভাবকদেরও অভিব্যক্তি ১৩ শতাংশের মধ্যে সীমানা প্রাচীন নির্মাণ হলে দৈনিক সমাবেশ ও মা সমাবেশ সহ বিভিন্ন সভা সমাবেশ এবং বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যাবে না। এছাড়া বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত তথ্যের জটিলতার সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, এমতাবস্থায় অভিভাবক ও আমাদের সকল শিক্ষকের আকুল আবেদন মসজিদের জায়গা জমি ঠিক রেখে সীমানা জটিলতার অবসান ঘটিয়ে বিদ্যালয়ের পুরো জমিতেই যেন সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাজমুন নাহার বেগম এর বক্তব্য নিতে একাধিকবার অফিসে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মোঃ সজীব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগমকে ইউপি চেয়ারম্যানকে সাথে নিয়ে সামাজিকভাবে মীমাংসা করে নিতে বলেন।

Tag :

নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

শিবপুরে সীমানা জটিলতায় হচ্ছে না বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি

আপডেট টাইম : ০৭:১৭:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৪

শিবপুর প্রতিনিধি: নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ৮৪ নং আক্রাশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা জটিলতায় আটকে আছে উন্নয়ন কাজ। সীমানা প্রাচীর (বাউন্ডারি) নির্মানে দেয়া হচ্ছে বাঁধা। রাস্তার পাশে বিদ্যালয়ের শিশুরা ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে রয়েছে। এখানে শিশুদের নিরাপত্তায় সীমানা প্রাচীর অতি জরুরি।

এ ব্যাপারে শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম লিখিতভাবে দরখাস্ত দেন।

আক্রাশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম জানান, দলিল অনুযায়ী বিদ্যালয়ের জমি ৩০ শতাংশ। সেই মোতাবেক আমি বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জমির তথ্য অবহিত করে আসছি ও নিয়মিত কর প্রদান করছি এবং এই শর্তে আমার বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়। সম্প্রতি আমার বিদ্যালয়টি সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য নির্বাচিত হয় এবং সেই উদ্দেশ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অনুমতিক্রমে বিদ্যালয়ের গাছ কর্তন করতে গিয়ে বিদ্যালয় চত্বরে অবস্থিত মসজিদ কমিটির লোকজন বাঁধা বাধা প্রদান করে। মসজিদ কমিটির লোকজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ দাখিল করেন।

প্রধান শিক্ষক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে শুনানি হয়। শুনানিতে বিদ্যালয় এর ১৩ শতাংশের মধ্যে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৩ শতাংশ বাউন্ডারি নির্মাণের কথা এলাকায় জানাজানি হলে এলাকাবাসী আমার প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং আমার বিদ্যালয় শিক্ষার্থী ভর্তি না করার হুমকি প্রদান করেন। তারা পুরো জমির উপর সীমানা প্রাচীন নির্মাণের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছে। রাস্তার সাথে বিদ্যালয় থাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউন্ডারি অতি জরুরী। অভিভাবকদেরও অভিব্যক্তি ১৩ শতাংশের মধ্যে সীমানা প্রাচীন নির্মাণ হলে দৈনিক সমাবেশ ও মা সমাবেশ সহ বিভিন্ন সভা সমাবেশ এবং বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যাবে না। এছাড়া বিদ্যালয়ের জমি সংক্রান্ত তথ্যের জটিলতার সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও বলেন, এমতাবস্থায় অভিভাবক ও আমাদের সকল শিক্ষকের আকুল আবেদন মসজিদের জায়গা জমি ঠিক রেখে সীমানা জটিলতার অবসান ঘটিয়ে বিদ্যালয়ের পুরো জমিতেই যেন সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাজমুন নাহার বেগম এর বক্তব্য নিতে একাধিকবার অফিসে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এদিকে শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ মোঃ সজীব বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগমকে ইউপি চেয়ারম্যানকে সাথে নিয়ে সামাজিকভাবে মীমাংসা করে নিতে বলেন।