অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় সার্ভেয়ার ফ্যাসিস্ট মামুনের দূর্নীতিতে অতিষ্ঠ সাধারণ গ্রাহকরা

ডেস্ক : সার্ভেয়ার মামুন নারায়ণগঞ্জ জেলার ভুমি অধিগ্রহণ শাখায় ২০১৯ সার্ভেয়ার পদে পোষ্টিং পায় তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের ক্ষমতাধর এমপির তদবিরে নারায়ণগঞ্জ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় বদলি হয়ে আসেন। গত ৫ আগষ্ট এর পরে বাংলাদেশের ভূমি প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী বদলি হয়। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় সার্ভেয়ার মামুন,আনোয়ার, কানুণগো হাবিবুর রহমান তাদের কোনো ধরনের বদলি হয়নি। বিভিন্ন অনুসন্ধানে জানা যায়, ততকালীন আওয়ামীলীগ সরকার আমলে নিয়োগ প্রাপ্ত সার্ভেয়ার মামুন,আনোয়ার কানুনগো হাবিবুর রহমান বিভিন্ন উপায়ে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের জমি অধিগ্রহণ ক্ষেত্রে জমির মূল্য বেশী করে দেখানোর কথা বলে সাধারণ মানুষ এর কাছ থেকে নাল শ্রেণির জমিকে ভিটি এবং বাণিজ্যিক শ্রেণির জমি দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উত্তোলন করছেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব এর মাধ্যমে জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা বিভাগ ঢাকাকে মাসিক চাঁদা দিয়ে নারায়ণগঞ্জ এলএ শাখায় বহাল তবিয়তে আছেন।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, সার্ভেয়ার মামুনের ইচ্ছার বাহিরে নারায়ণগঞ্জ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় কোনো সার্ভেয়ার বা কোনো ধরনের ষ্টাফ বদলি করা হয় না।মামুন এর তৎপরতায় আরও জানা যায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোঃ জাহিদ হাসান সিদ্দিকী তার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ ভুমি অধিগ্রহণ শাখায় সার্ভেয়ার মামুন নিয়ন্ত্রণ করে একটা বিশাল সিন্ডিকেট তৈরি করে রেখেছেন।সার্ভেয়ার মামুন ইতোমধ্যে তার চাকরি ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ছয় বছরের অধিক হওয়ায় বর্তমানে এডিসি জাহিদ হাসান সিদ্দিকীর মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা খরচ করে। তার বদলি আদেশ নবায়ন করে নেন। বিভিন্ন অনুসন্ধানে দেখা যায় সার্ভেয়ার মামুন এর পূর্বাচল উপশহরে তার নামে পাঁচ কাঠা এবং তার স্ত্রীর নামে পাঁচ কাঠা, ঝিলমিল প্রকল্পে তিন কাঠা তার স্ত্রীর নামে,উত্তরা নিগার প্লাজায় রূপশী কালেকশন নামে তার একটি কসমেটিক্সের দোকান আছে। যার বর্তমান মূল্য ৩-৪ কোটি টাকা। ঢাকার মিরহাজারি বাগের রূপশী কালেকশন নামে শীটের দোকান আছে।ঢাকার উত্তরাতে ৬ নম্বর সেক্টরের রোড নং ১১ বিথি অহির নামে একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন, বর্তমানে ইনটোরিয়রের কাজ চলছে। ঢাকা উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর, রোড নম্বর ৩, এ একটি বায়ইং হাউজ খুলছেন। তার বন্ধু সুলতানকে এমডি করছেন। আর তার নাম হচ্ছে ইকরা লাইট হাউজ। তাঁর নিজ বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানা শহরের মদনপুরা ইউনিয়নে তার বাপের নামে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার জমি কিনে দিয়েছেন। তার বাবা কিন্তু কৃষক! বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর লোককে সার্ভেয়ার মামুন কোটি টাকা খরচ করে চেয়ারম্যান বানিয়েছেন। বর্তমানে সে পলাতক অনেক মামলার আসামি মামুন তাকে বিভিন্ন ভাবে টাকা দিয়ে সহযোগিতা করতাছে।তাঁর সাথে এসব বিষয়ে কথা বললে আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে। এবং সে বলে আমরা বিভাগীয় কমিশনার,ডিসি,এডিসিকে ম্যানেজ করে থাকি।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় সার্ভেয়ার ফ্যাসিস্ট মামুনের দূর্নীতিতে অতিষ্ঠ সাধারণ গ্রাহকরা

আপডেট টাইম : ০৮:৩৪:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫

ডেস্ক : সার্ভেয়ার মামুন নারায়ণগঞ্জ জেলার ভুমি অধিগ্রহণ শাখায় ২০১৯ সার্ভেয়ার পদে পোষ্টিং পায় তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের ক্ষমতাধর এমপির তদবিরে নারায়ণগঞ্জ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় বদলি হয়ে আসেন। গত ৫ আগষ্ট এর পরে বাংলাদেশের ভূমি প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী বদলি হয়। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় সার্ভেয়ার মামুন,আনোয়ার, কানুণগো হাবিবুর রহমান তাদের কোনো ধরনের বদলি হয়নি। বিভিন্ন অনুসন্ধানে জানা যায়, ততকালীন আওয়ামীলীগ সরকার আমলে নিয়োগ প্রাপ্ত সার্ভেয়ার মামুন,আনোয়ার কানুনগো হাবিবুর রহমান বিভিন্ন উপায়ে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের জমি অধিগ্রহণ ক্ষেত্রে জমির মূল্য বেশী করে দেখানোর কথা বলে সাধারণ মানুষ এর কাছ থেকে নাল শ্রেণির জমিকে ভিটি এবং বাণিজ্যিক শ্রেণির জমি দেখিয়ে মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উত্তোলন করছেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব এর মাধ্যমে জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা বিভাগ ঢাকাকে মাসিক চাঁদা দিয়ে নারায়ণগঞ্জ এলএ শাখায় বহাল তবিয়তে আছেন।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, সার্ভেয়ার মামুনের ইচ্ছার বাহিরে নারায়ণগঞ্জ ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় কোনো সার্ভেয়ার বা কোনো ধরনের ষ্টাফ বদলি করা হয় না।মামুন এর তৎপরতায় আরও জানা যায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব মোঃ জাহিদ হাসান সিদ্দিকী তার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ ভুমি অধিগ্রহণ শাখায় সার্ভেয়ার মামুন নিয়ন্ত্রণ করে একটা বিশাল সিন্ডিকেট তৈরি করে রেখেছেন।সার্ভেয়ার মামুন ইতোমধ্যে তার চাকরি ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় ছয় বছরের অধিক হওয়ায় বর্তমানে এডিসি জাহিদ হাসান সিদ্দিকীর মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা খরচ করে। তার বদলি আদেশ নবায়ন করে নেন। বিভিন্ন অনুসন্ধানে দেখা যায় সার্ভেয়ার মামুন এর পূর্বাচল উপশহরে তার নামে পাঁচ কাঠা এবং তার স্ত্রীর নামে পাঁচ কাঠা, ঝিলমিল প্রকল্পে তিন কাঠা তার স্ত্রীর নামে,উত্তরা নিগার প্লাজায় রূপশী কালেকশন নামে তার একটি কসমেটিক্সের দোকান আছে। যার বর্তমান মূল্য ৩-৪ কোটি টাকা। ঢাকার মিরহাজারি বাগের রূপশী কালেকশন নামে শীটের দোকান আছে।ঢাকার উত্তরাতে ৬ নম্বর সেক্টরের রোড নং ১১ বিথি অহির নামে একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন, বর্তমানে ইনটোরিয়রের কাজ চলছে। ঢাকা উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টর, রোড নম্বর ৩, এ একটি বায়ইং হাউজ খুলছেন। তার বন্ধু সুলতানকে এমডি করছেন। আর তার নাম হচ্ছে ইকরা লাইট হাউজ। তাঁর নিজ বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানা শহরের মদনপুরা ইউনিয়নে তার বাপের নামে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার জমি কিনে দিয়েছেন। তার বাবা কিন্তু কৃষক! বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়ন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর লোককে সার্ভেয়ার মামুন কোটি টাকা খরচ করে চেয়ারম্যান বানিয়েছেন। বর্তমানে সে পলাতক অনেক মামলার আসামি মামুন তাকে বিভিন্ন ভাবে টাকা দিয়ে সহযোগিতা করতাছে।তাঁর সাথে এসব বিষয়ে কথা বললে আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে। এবং সে বলে আমরা বিভাগীয় কমিশনার,ডিসি,এডিসিকে ম্যানেজ করে থাকি।