পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo লালমনিরহাট মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সম্ভাবনায়- পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী Logo বুড়িমারীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাজপথে এলাকাবাসী Logo হাতীবান্ধা সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে এস্কাপ সিরাপ ও গাঁজা জব্দ Logo লালমনিরহাটে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু Logo চলন্ত বাসে জন্ম, আজীবন বিনামূল্যে যাতায়াতের উপহার পেল শিশু Logo পাটগ্রাম সীমান্তে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় চুইঝাল জব্দ Logo পাটগ্রামে ট্রাক-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৭ Logo হেলাল হোসেন কবির : সাংবাদিকতা ও কাব্যচর্চার দ্বৈত পরিচয় Logo স্কুল ফিডিং চালুর পর লালমনিরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাড়ছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি Logo লালমনিরহাটে Bangla QR প্রচলনে ডিজিটাল পেমেন্ট সম্প্রসারণ ক্যাম্পেইন

লালমনিরহাট মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সম্ভাবনায়- পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী

নিজস্ব সংবাদদাতা:

লালমনিরহাটের দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করতে বন্দর এলাকা পরিদর্শন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট স্থলবন্দর এলাকা পরিদর্শন করেন দুই মন্ত্রী। এ সময় তারা বন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ও স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং বন্দরটি পুনরায় চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, সরকার মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনরায় চালু করতে প্রস্তুত রয়েছে। তবে বন্দরটি পুরোপুরি সচল করতে ভারতের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারত সরকারের সম্মতি ছাড়া এককভাবে বাংলাদেশ এ বন্দর চালু করতে পারবে না।
তিনি বলেন, অতীতে মোগলহাট দিয়ে মানুষ ও পণ্য যাতায়াত করত। মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও দুই দেশের যোগাযোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বন্দরটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দর চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনবল প্রস্তুত করার সক্ষমতা সরকারের রয়েছে বলেও জানান তিনি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, মোগলহাট একটি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হওয়ায় এর কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের অংশে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সংস্কারের বিষয়টি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং তা করা সম্ভব। তবে প্রথমে ভারতের আগ্রহ নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়ে চুক্তি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান, লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২ অক্টোবর মোগলহাটে একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ত্রাণমন্ত্রী দুলু জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মোগলহাট শুল্ক স্টেশন ও স্থলবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মোগলহাট ও আশপাশের এলাকা রক্ষায় ধরলা নদীর তীরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বাণিজ্য বৃদ্ধি, স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

Tag :

লালমনিরহাট মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সম্ভাবনায়- পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী

লালমনিরহাট মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সম্ভাবনায়- পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব সংবাদদাতা:

লালমনিরহাটের দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করতে বন্দর এলাকা পরিদর্শন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান।
রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট স্থলবন্দর এলাকা পরিদর্শন করেন দুই মন্ত্রী। এ সময় তারা বন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ও স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং বন্দরটি পুনরায় চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, সরকার মোগলহাট স্থলবন্দরটি পুনরায় চালু করতে প্রস্তুত রয়েছে। তবে বন্দরটি পুরোপুরি সচল করতে ভারতের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি প্রয়োজন। ভারত সরকারের সম্মতি ছাড়া এককভাবে বাংলাদেশ এ বন্দর চালু করতে পারবে না।
তিনি বলেন, অতীতে মোগলহাট দিয়ে মানুষ ও পণ্য যাতায়াত করত। মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও দুই দেশের যোগাযোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বন্দরটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বন্দর চালুর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও জনবল প্রস্তুত করার সক্ষমতা সরকারের রয়েছে বলেও জানান তিনি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, মোগলহাট একটি আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হওয়ায় এর কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের অংশে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো সংস্কারের বিষয়টি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং তা করা সম্ভব। তবে প্রথমে ভারতের আগ্রহ নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়ে চুক্তি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান, লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ২ অক্টোবর মোগলহাটে একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ত্রাণমন্ত্রী দুলু জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মোগলহাট শুল্ক স্টেশন ও স্থলবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মোগলহাট ও আশপাশের এলাকা রক্ষায় ধরলা নদীর তীরে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
মোগলহাট স্থলবন্দর পুনরায় চালু হলে লালমনিরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বাণিজ্য বৃদ্ধি, স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।