অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

আইনের দুর্বলতায় যথাযথভাবে কাজ করতে পারছি না : ড. মিজান

বাংলার খবর২৪.কমindex_57836, ঢাকা : জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পেলেও আইনের দুর্বলতা এবং পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবে যথাযথভাবে কাজ করতে পারছি না বলে মন্তব্য করেছেন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) আয়োজিত জাতীয় মানবাধিকার কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

আমাদের সমাজে আইনের শাসন নেই উল্লেখ করে ড. মিজান বলেন, আমরা একটি সুপারিশমূলক প্রতিষ্ঠান। আমরা সরকারের কাছে সুপারিশ করতে পারি। কিন্তু মানা না মানা তাদের কাজ। তবে যে সমাজ আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত সে সমাজে মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। তাই মানবাধিকার কমিশনের দুর্বলতাগুলো কীভাবে কাটিয়ে উঠা যায় সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।

কাদের দ্বারা মানবাধিকার বেশি লঙ্ঘন হয় সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে ড. মিজান বলেন, রাষ্ট্রের আনুকূল্যে থাকা ব্যক্তিদের দ্বারাই বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। সে হতে পারে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, হতে পারে প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং পুলিশ মুখোমুখি কী না এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে পুলিশের কোনো বিরোধ নেই। তবে অপরাধীদেরও যে মানবাধিকার থাকে সেটা অনেকেই বুঝতে চায় না।

সভাপতির বক্তব্যে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ড. সুলতানা কামাল বলেন, রাজনৈতিক কারণে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পূর্ণ স্বাধীনতা পাচ্ছে না। সীমিত ক্ষমতা নিয়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশন যে কাজ করছে তা অবশ্যই প্রশংসনীয়।

মানুষ বিচার পায় না বলেই মানবাধিকার কমিশনের প্রতি প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে। তাই রাষ্ট্রকে এই কমিশনের প্রতি তার দায়িত্ব পালন করতে হবে বলেও মনে করেন ড. সুলতানা কামাল ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

আইনের দুর্বলতায় যথাযথভাবে কাজ করতে পারছি না : ড. মিজান

আপডেট টাইম : ০১:০৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমindex_57836, ঢাকা : জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পেলেও আইনের দুর্বলতা এবং পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবে যথাযথভাবে কাজ করতে পারছি না বলে মন্তব্য করেছেন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) আয়োজিত জাতীয় মানবাধিকার কার্যক্রম সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

আমাদের সমাজে আইনের শাসন নেই উল্লেখ করে ড. মিজান বলেন, আমরা একটি সুপারিশমূলক প্রতিষ্ঠান। আমরা সরকারের কাছে সুপারিশ করতে পারি। কিন্তু মানা না মানা তাদের কাজ। তবে যে সমাজ আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত সে সমাজে মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। তাই মানবাধিকার কমিশনের দুর্বলতাগুলো কীভাবে কাটিয়ে উঠা যায় সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।

কাদের দ্বারা মানবাধিকার বেশি লঙ্ঘন হয় সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে ড. মিজান বলেন, রাষ্ট্রের আনুকূল্যে থাকা ব্যক্তিদের দ্বারাই বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। সে হতে পারে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, হতে পারে প্রশাসন বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং পুলিশ মুখোমুখি কী না এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে পুলিশের কোনো বিরোধ নেই। তবে অপরাধীদেরও যে মানবাধিকার থাকে সেটা অনেকেই বুঝতে চায় না।

সভাপতির বক্তব্যে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ড. সুলতানা কামাল বলেন, রাজনৈতিক কারণে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন পূর্ণ স্বাধীনতা পাচ্ছে না। সীমিত ক্ষমতা নিয়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার কমিশন যে কাজ করছে তা অবশ্যই প্রশংসনীয়।

মানুষ বিচার পায় না বলেই মানবাধিকার কমিশনের প্রতি প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে। তাই রাষ্ট্রকে এই কমিশনের প্রতি তার দায়িত্ব পালন করতে হবে বলেও মনে করেন ড. সুলতানা কামাল ।