পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

এনআইএ’র কাছে ৪১ শীর্ষ অপরাধীর তালিকা হস্তান্তর

ঢাকা : ঢাকায় সফররত ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনআইএ) কর্মকর্তাদের কাছে ৪১ জন শীর্ষ অপরাধীর তালিকা তুলে দিয়েছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় র‌্যাব সদর দফতরে ভারতীয় গোয়েন্দা প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এ তালিকা হস্তান্তর করা হয়। তালিকাভুক্ত এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে হত্যাসহ একাধিক মামলা। তারা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। অপরদিকে এনআইএ’র পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে ১১ অপরাধীর (ভারতীয় নাগরিক) তালিকা। এই তালিকায় ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সংগঠন ও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ১১ শীর্ষ নেতার নাম রয়েছে। এই ১১ জনের নাম পরিচয় উল্লেখ করে বাংলাদেশের কোথায় অবস্থান করছে, সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট স্থান উল্লেখ করা হয়েছে।

এনআইএ’র কাছে হস্তান্তর করা ৪১ শীর্ষ অপরাধীর তালিকায় রয়েছে-মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাৎ হোসেন। তার বিরুদ্ধে ৮টি হত্যাসহ ২০ মামলা রয়েছে। কুষ্টিয়ার মুকুল ওরফে আমিনুল মুকুল ওরফে বিজয় এবং শাহীন ওরফে রুমি। তার বিরুদ্ধে ৪টি হত্যাসহ ১৬টি মামলা। বর্তমানে তিনি ভারতের জেলে। শাহিন ওরফে রুমীর বিরুদ্ধে ৪টি হত্যাসহ ৯টি মামলা রয়েছে। পিরোজপুরের নরত্তোম সাহা ওরফে আশিক ওরফে রবিন ওরফে আশিসের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১৯টি মামলা রয়েছে। জিসান ওরফে নয়াটোলার জিসান ওরফে মন্টুর বিরুদ্ধে ৮টি হত্যাসহ ৯ মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতায় অবস্থান করছেন। বরিশালের শাহিন শিকদারের বিরুদ্ধে ১টি হত্যাসহ ১৩টি মামলা। ত্রিমতি সুব্রত বাইন ওরফে শুভ্র ওরফে ফতেহ আলী। খন্দকার তানভিরুল ইসলাম জয়ের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ৯টি মামলা রয়েছে। মোহাম্মদপুরের নবী হোসেন নবীর বিরুদ্ধে ৮ হত্যাসহ ২৫ মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতার একটি কারাগারে বন্দী রয়েছেন। আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু’র বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাসহ ৮টি মামলা। বর্তমানে তিনি ভারতের গোবিন্দপুরে বসবাস করছেন। কুষ্টিয়ার কালুর বিরুদ্ধে দুইটি হত্যাসহ ৮টি মামলা রয়েছে। আমিনুর রহমান লিটন ওরফে ফিঙ্গে লিটন। তিন হত্যাসহ ৬ মামলা। বর্তমানে তিনি ভারতের বনগাঁতে অবস্থান করছেন। অমল কৃষ্ণ মন্ডলের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ৬ মামলা রয়েছে। মিরপুরের তৌফিকুল আলম খান ওরফে তৌফিক ওরফে পিয়াল খানের বিরুদ্ধে সাতটি হত্যাসহ ৮টি মামলা। মোহাম্মদপুরের মামুনুর রশীদ মামুনের বিরুদ্ধে চারটি হত্যাসহ ১৭ মামলা। বর্তমানে ভারতে ত্রিপুরায় অবস্থান করছে। চট্টগ্রামের সুনীল কান্তি দে’র বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাসহ ৭টি মামলা। নওগাঁর গৌতম চন্দ্র শিলান ওরফে গৌতম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৫ হত্যাসহ ১৬ মামলা রয়েছে। মিরপুরের প্রকাশ বিশ্বাস। মগবাজারের মোল্লা মাসুদ, পুরান ঢাকার শামীম আহমেদ ওরফে আগা শামিম। নওগাঁর চপল। গুলশান এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মুকুল। মিরপুরের বাবু ওরফে বাবু। মোহাম্মদপুরের মিন্টু ও হারিস আহমেদ। রাজবাড়ীর হালিম। রাজধানীর শাহজাহানপুরের জাফর আহমেদ মানিক। পল্লবীর কালা চাঁন ওরফে চাঁন। মেহেরপুরের মিনহাজ উদ্দিন ওরফে দুখু। একই এলাকার এনামুল হক এনা এবং সিদ্দিক। চট্টগ্রামের মোহাম্মদ তৈয়ব ওরফে এইচএম আবু তৈয়ব ও মোর্শেদ খান। চট্টগ্রামের নুরুল আলম ওরফে আলম ওরফে এতিম আলম ও রাজীব দত্ত ওরফে রিংকু। চট্টগ্রামের সাজ্জাদ খান। কুমিল্লার শাহিদুল ইসলাম ওরফে শুভ ওরফে সব্বা। মিরপুরের বিকাশ বিশ্বাস। ভাসানটেকের ইব্রাহিম খলিল। রাজবাড়ীর সামাদ মোল্লা ওরফে সামাদ মেম্বার ওরফে আজিজ কমান্ডার।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

এনআইএ’র কাছে ৪১ শীর্ষ অপরাধীর তালিকা হস্তান্তর

আপডেট টাইম : ০৬:১২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৪

ঢাকা : ঢাকায় সফররত ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনআইএ) কর্মকর্তাদের কাছে ৪১ জন শীর্ষ অপরাধীর তালিকা তুলে দিয়েছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় র‌্যাব সদর দফতরে ভারতীয় গোয়েন্দা প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এ তালিকা হস্তান্তর করা হয়। তালিকাভুক্ত এসব অপরাধীদের বিরুদ্ধে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে হত্যাসহ একাধিক মামলা। তারা দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। অপরদিকে এনআইএ’র পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে ১১ অপরাধীর (ভারতীয় নাগরিক) তালিকা। এই তালিকায় ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সংগঠন ও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ১১ শীর্ষ নেতার নাম রয়েছে। এই ১১ জনের নাম পরিচয় উল্লেখ করে বাংলাদেশের কোথায় অবস্থান করছে, সে ব্যাপারে নির্দিষ্ট স্থান উল্লেখ করা হয়েছে।

এনআইএ’র কাছে হস্তান্তর করা ৪১ শীর্ষ অপরাধীর তালিকায় রয়েছে-মিরপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাৎ হোসেন। তার বিরুদ্ধে ৮টি হত্যাসহ ২০ মামলা রয়েছে। কুষ্টিয়ার মুকুল ওরফে আমিনুল মুকুল ওরফে বিজয় এবং শাহীন ওরফে রুমি। তার বিরুদ্ধে ৪টি হত্যাসহ ১৬টি মামলা। বর্তমানে তিনি ভারতের জেলে। শাহিন ওরফে রুমীর বিরুদ্ধে ৪টি হত্যাসহ ৯টি মামলা রয়েছে। পিরোজপুরের নরত্তোম সাহা ওরফে আশিক ওরফে রবিন ওরফে আশিসের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ১৯টি মামলা রয়েছে। জিসান ওরফে নয়াটোলার জিসান ওরফে মন্টুর বিরুদ্ধে ৮টি হত্যাসহ ৯ মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতায় অবস্থান করছেন। বরিশালের শাহিন শিকদারের বিরুদ্ধে ১টি হত্যাসহ ১৩টি মামলা। ত্রিমতি সুব্রত বাইন ওরফে শুভ্র ওরফে ফতেহ আলী। খন্দকার তানভিরুল ইসলাম জয়ের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ৯টি মামলা রয়েছে। মোহাম্মদপুরের নবী হোসেন নবীর বিরুদ্ধে ৮ হত্যাসহ ২৫ মামলা রয়েছে। বর্তমানে তিনি কলকাতার একটি কারাগারে বন্দী রয়েছেন। আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু’র বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাসহ ৮টি মামলা। বর্তমানে তিনি ভারতের গোবিন্দপুরে বসবাস করছেন। কুষ্টিয়ার কালুর বিরুদ্ধে দুইটি হত্যাসহ ৮টি মামলা রয়েছে। আমিনুর রহমান লিটন ওরফে ফিঙ্গে লিটন। তিন হত্যাসহ ৬ মামলা। বর্তমানে তিনি ভারতের বনগাঁতে অবস্থান করছেন। অমল কৃষ্ণ মন্ডলের বিরুদ্ধে হত্যাসহ ৬ মামলা রয়েছে। মিরপুরের তৌফিকুল আলম খান ওরফে তৌফিক ওরফে পিয়াল খানের বিরুদ্ধে সাতটি হত্যাসহ ৮টি মামলা। মোহাম্মদপুরের মামুনুর রশীদ মামুনের বিরুদ্ধে চারটি হত্যাসহ ১৭ মামলা। বর্তমানে ভারতে ত্রিপুরায় অবস্থান করছে। চট্টগ্রামের সুনীল কান্তি দে’র বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাসহ ৭টি মামলা। নওগাঁর গৌতম চন্দ্র শিলান ওরফে গৌতম চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১৫ হত্যাসহ ১৬ মামলা রয়েছে। মিরপুরের প্রকাশ বিশ্বাস। মগবাজারের মোল্লা মাসুদ, পুরান ঢাকার শামীম আহমেদ ওরফে আগা শামিম। নওগাঁর চপল। গুলশান এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মুকুল। মিরপুরের বাবু ওরফে বাবু। মোহাম্মদপুরের মিন্টু ও হারিস আহমেদ। রাজবাড়ীর হালিম। রাজধানীর শাহজাহানপুরের জাফর আহমেদ মানিক। পল্লবীর কালা চাঁন ওরফে চাঁন। মেহেরপুরের মিনহাজ উদ্দিন ওরফে দুখু। একই এলাকার এনামুল হক এনা এবং সিদ্দিক। চট্টগ্রামের মোহাম্মদ তৈয়ব ওরফে এইচএম আবু তৈয়ব ও মোর্শেদ খান। চট্টগ্রামের নুরুল আলম ওরফে আলম ওরফে এতিম আলম ও রাজীব দত্ত ওরফে রিংকু। চট্টগ্রামের সাজ্জাদ খান। কুমিল্লার শাহিদুল ইসলাম ওরফে শুভ ওরফে সব্বা। মিরপুরের বিকাশ বিশ্বাস। ভাসানটেকের ইব্রাহিম খলিল। রাজবাড়ীর সামাদ মোল্লা ওরফে সামাদ মেম্বার ওরফে আজিজ কমান্ডার।