পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ Logo পাটগ্রামে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক Logo লালমনিরহাট সনাকের নতুন সভাপতি ডা. কাসেম আলী, সহসভাপতি আবু হাসনাত রানা Logo সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ, ডিলারের বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নতুন বাজারে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা Logo পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ Logo নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় বিআরটিএ’র রোড শো Logo ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

উপাচার্যের কাছে শাবিপ্রবি’র শিক্ষকদের ৫ দফা দাবি

শাবিপ্রবি : শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনার সংকট নিরসনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়ার কাছে ৫ দফা দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার মহান মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক ফোরামের আহবায়ক অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিমের নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্যের কার্যালয়ে দেখা করে ৫ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২০ নভেম্বর ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুটি বিবাদমান গ্রুপের মধ্যে যে বিভীষিকাময় রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় তা অত্যন্ত নিন্দনীয়, যার দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনভাবেই এড়াতে পারে না। শাবিপ্রবির ইতিহাসে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির কখনোও সৃষ্টি হয়নি। মিডিয়ার কল্যাণে শাবিপ্রবি পরিবারের সদস্য ও দেশবাসী সেদিন বিভীষিকাময় পরিস্থিতি অবলোকন করেছে। বরাবরের মত প্রশাসনের উদ্দেশ্যমূলক নির্লিপ্ততা দেখে আমরা বিস্ময়ে হতবাক হয়েছি। দিনের বেলায় বহিরাগত সন্ত্রাসী কর্তৃক হল দখল। ২য় পর্বে আর এক গ্রুপ বহিরাগত সন্ত্রাসীসহ প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেছে। ক্যাম্পাসজুড়ে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়েছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, কতিপয়ের প্রত্যক্ষ মদদ ও ইন্ধনে হল ও ক্যাম্পাসে একক আধিপত্য বিস্তারকরণে ছাত্রলীগকে বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্তিকরণ, পছন্দের গ্রুপকে মদদ দান, অপছন্দের গ্রুপকে নাজেহাল কিংবা বহিষ্কার বা কোণঠাসা করে রাখা মদদপুষ্ট গ্রুপের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিচার না করা ইত্যাদির ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নগ্ন চেহারা অবলোকন করেই সন্ত্রাসীরা বাধাহীনভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ফলশ্রুতিতে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যাক্কারজনক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। জীবন দিতে হয়েছে একজনের। পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে অনেককেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থায় দীর্ঘ সেশনজটের কবলে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

স্মারকলিপিতে উল্লেখিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-

এক. এ ঘটনার পরে প্রক্টরিয়াল বডির যে সকল সদস্য পদত্যাগ করেছেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আগে তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করা। দুই. সংঘর্ষের দিন প্রশাসনিক ভবনে কারা অস্ত্র রেখেছে ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের চিহ্নিত করা ও যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা। তিন. মেধার ভিতিত্বে আবাসিক হলগুলোতে আসন বরাদ্দ করা। চার. বহিঃশক্তি যেন ক্যাম্পাসে অপপ্রচার চালাতে সাহস না পায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়া। পাঁচ. ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক ড. আশরাফ, অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল, অধ্যাপক ড. ইসমাইল, অধ্যাপক ড. তাজউদ্দিন, নজরুল ইসলাম, মোখলেছুর রহমান, সুমন আকন্দ, সাহাবুল হক প্রমুখ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ

উপাচার্যের কাছে শাবিপ্রবি’র শিক্ষকদের ৫ দফা দাবি

আপডেট টাইম : ০৪:১১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৪

শাবিপ্রবি : শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনার সংকট নিরসনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়ার কাছে ৫ দফা দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার মহান মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক ফোরামের আহবায়ক অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিমের নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্যের কার্যালয়ে দেখা করে ৫ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২০ নভেম্বর ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুটি বিবাদমান গ্রুপের মধ্যে যে বিভীষিকাময় রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় তা অত্যন্ত নিন্দনীয়, যার দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনভাবেই এড়াতে পারে না। শাবিপ্রবির ইতিহাসে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির কখনোও সৃষ্টি হয়নি। মিডিয়ার কল্যাণে শাবিপ্রবি পরিবারের সদস্য ও দেশবাসী সেদিন বিভীষিকাময় পরিস্থিতি অবলোকন করেছে। বরাবরের মত প্রশাসনের উদ্দেশ্যমূলক নির্লিপ্ততা দেখে আমরা বিস্ময়ে হতবাক হয়েছি। দিনের বেলায় বহিরাগত সন্ত্রাসী কর্তৃক হল দখল। ২য় পর্বে আর এক গ্রুপ বহিরাগত সন্ত্রাসীসহ প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেছে। ক্যাম্পাসজুড়ে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়েছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, কতিপয়ের প্রত্যক্ষ মদদ ও ইন্ধনে হল ও ক্যাম্পাসে একক আধিপত্য বিস্তারকরণে ছাত্রলীগকে বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্তিকরণ, পছন্দের গ্রুপকে মদদ দান, অপছন্দের গ্রুপকে নাজেহাল কিংবা বহিষ্কার বা কোণঠাসা করে রাখা মদদপুষ্ট গ্রুপের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিচার না করা ইত্যাদির ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নগ্ন চেহারা অবলোকন করেই সন্ত্রাসীরা বাধাহীনভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ফলশ্রুতিতে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যাক্কারজনক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। জীবন দিতে হয়েছে একজনের। পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে অনেককেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থায় দীর্ঘ সেশনজটের কবলে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

স্মারকলিপিতে উল্লেখিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-

এক. এ ঘটনার পরে প্রক্টরিয়াল বডির যে সকল সদস্য পদত্যাগ করেছেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আগে তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করা। দুই. সংঘর্ষের দিন প্রশাসনিক ভবনে কারা অস্ত্র রেখেছে ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের চিহ্নিত করা ও যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা। তিন. মেধার ভিতিত্বে আবাসিক হলগুলোতে আসন বরাদ্দ করা। চার. বহিঃশক্তি যেন ক্যাম্পাসে অপপ্রচার চালাতে সাহস না পায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়া। পাঁচ. ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক ড. আশরাফ, অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল, অধ্যাপক ড. ইসমাইল, অধ্যাপক ড. তাজউদ্দিন, নজরুল ইসলাম, মোখলেছুর রহমান, সুমন আকন্দ, সাহাবুল হক প্রমুখ।