অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

উপাচার্যের কাছে শাবিপ্রবি’র শিক্ষকদের ৫ দফা দাবি

শাবিপ্রবি : শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনার সংকট নিরসনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়ার কাছে ৫ দফা দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার মহান মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক ফোরামের আহবায়ক অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিমের নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্যের কার্যালয়ে দেখা করে ৫ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২০ নভেম্বর ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুটি বিবাদমান গ্রুপের মধ্যে যে বিভীষিকাময় রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় তা অত্যন্ত নিন্দনীয়, যার দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনভাবেই এড়াতে পারে না। শাবিপ্রবির ইতিহাসে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির কখনোও সৃষ্টি হয়নি। মিডিয়ার কল্যাণে শাবিপ্রবি পরিবারের সদস্য ও দেশবাসী সেদিন বিভীষিকাময় পরিস্থিতি অবলোকন করেছে। বরাবরের মত প্রশাসনের উদ্দেশ্যমূলক নির্লিপ্ততা দেখে আমরা বিস্ময়ে হতবাক হয়েছি। দিনের বেলায় বহিরাগত সন্ত্রাসী কর্তৃক হল দখল। ২য় পর্বে আর এক গ্রুপ বহিরাগত সন্ত্রাসীসহ প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেছে। ক্যাম্পাসজুড়ে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়েছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, কতিপয়ের প্রত্যক্ষ মদদ ও ইন্ধনে হল ও ক্যাম্পাসে একক আধিপত্য বিস্তারকরণে ছাত্রলীগকে বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্তিকরণ, পছন্দের গ্রুপকে মদদ দান, অপছন্দের গ্রুপকে নাজেহাল কিংবা বহিষ্কার বা কোণঠাসা করে রাখা মদদপুষ্ট গ্রুপের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিচার না করা ইত্যাদির ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নগ্ন চেহারা অবলোকন করেই সন্ত্রাসীরা বাধাহীনভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ফলশ্রুতিতে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যাক্কারজনক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। জীবন দিতে হয়েছে একজনের। পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে অনেককেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থায় দীর্ঘ সেশনজটের কবলে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

স্মারকলিপিতে উল্লেখিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-

এক. এ ঘটনার পরে প্রক্টরিয়াল বডির যে সকল সদস্য পদত্যাগ করেছেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আগে তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করা। দুই. সংঘর্ষের দিন প্রশাসনিক ভবনে কারা অস্ত্র রেখেছে ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের চিহ্নিত করা ও যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা। তিন. মেধার ভিতিত্বে আবাসিক হলগুলোতে আসন বরাদ্দ করা। চার. বহিঃশক্তি যেন ক্যাম্পাসে অপপ্রচার চালাতে সাহস না পায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়া। পাঁচ. ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক ড. আশরাফ, অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল, অধ্যাপক ড. ইসমাইল, অধ্যাপক ড. তাজউদ্দিন, নজরুল ইসলাম, মোখলেছুর রহমান, সুমন আকন্দ, সাহাবুল হক প্রমুখ।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

উপাচার্যের কাছে শাবিপ্রবি’র শিক্ষকদের ৫ দফা দাবি

আপডেট টাইম : ০৪:১১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৪

শাবিপ্রবি : শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনার সংকট নিরসনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম ভূঁইয়ার কাছে ৫ দফা দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার মহান মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে বিশ্বাসী শিক্ষক ফোরামের আহবায়ক অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিমের নেতৃত্বে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল উপাচার্যের কার্যালয়ে দেখা করে ৫ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২০ নভেম্বর ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের দুটি বিবাদমান গ্রুপের মধ্যে যে বিভীষিকাময় রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ হয় তা অত্যন্ত নিন্দনীয়, যার দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনভাবেই এড়াতে পারে না। শাবিপ্রবির ইতিহাসে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির কখনোও সৃষ্টি হয়নি। মিডিয়ার কল্যাণে শাবিপ্রবি পরিবারের সদস্য ও দেশবাসী সেদিন বিভীষিকাময় পরিস্থিতি অবলোকন করেছে। বরাবরের মত প্রশাসনের উদ্দেশ্যমূলক নির্লিপ্ততা দেখে আমরা বিস্ময়ে হতবাক হয়েছি। দিনের বেলায় বহিরাগত সন্ত্রাসী কর্তৃক হল দখল। ২য় পর্বে আর এক গ্রুপ বহিরাগত সন্ত্রাসীসহ প্রকাশ্যে অস্ত্র হাতে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশ প্রশাসনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করেছে। ক্যাম্পাসজুড়ে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়েছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, কতিপয়ের প্রত্যক্ষ মদদ ও ইন্ধনে হল ও ক্যাম্পাসে একক আধিপত্য বিস্তারকরণে ছাত্রলীগকে বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্তিকরণ, পছন্দের গ্রুপকে মদদ দান, অপছন্দের গ্রুপকে নাজেহাল কিংবা বহিষ্কার বা কোণঠাসা করে রাখা মদদপুষ্ট গ্রুপের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিচার না করা ইত্যাদির ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নগ্ন চেহারা অবলোকন করেই সন্ত্রাসীরা বাধাহীনভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ফলশ্রুতিতে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যাক্কারজনক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। জীবন দিতে হয়েছে একজনের। পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে অনেককেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থায় দীর্ঘ সেশনজটের কবলে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

স্মারকলিপিতে উল্লেখিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-

এক. এ ঘটনার পরে প্রক্টরিয়াল বডির যে সকল সদস্য পদত্যাগ করেছেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আগে তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ না করা। দুই. সংঘর্ষের দিন প্রশাসনিক ভবনে কারা অস্ত্র রেখেছে ভিডিও ফুটেজ দেখে তাদের চিহ্নিত করা ও যথোপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা। তিন. মেধার ভিতিত্বে আবাসিক হলগুলোতে আসন বরাদ্দ করা। চার. বহিঃশক্তি যেন ক্যাম্পাসে অপপ্রচার চালাতে সাহস না পায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়া। পাঁচ. ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করা।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক ড. আশরাফ, অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল, অধ্যাপক ড. ইসমাইল, অধ্যাপক ড. তাজউদ্দিন, নজরুল ইসলাম, মোখলেছুর রহমান, সুমন আকন্দ, সাহাবুল হক প্রমুখ।