পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

যে দিনগুলিতে সহবাসে স্ত্রী সন্তান-সম্ভবা হবে না!

ডেস্ক : ওষুধ কিংবা কনডম-সহ জন্মনিয়ন্ত্রণের আধুনিক যে কোনও পদ্ধতি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটি ভালো ভাবে জানা থাকলে এর জন্য কোন চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার দরকার হয় না। মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র প্রাকৃতিকভাবে নির্ধারিত। এতে এমন কিছু দিন আছে যা নিরাপদ দিবস হিসেবে ধরা হয়।

এই দিনগুলিতে স্বামী-স্ত্রীর মিলনের ফলে স্ত্রীর সন্তান-সম্ভবা হবে না। এই নিরাপদ দিনগুলি প্রকৃতিগতভাবেই নির্দিষ্ট। তাই একে প্রাকৃতিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বলা হয়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এটাকে অনেক সময় ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলে থাকেন। এই পদ্ধতি কার্যকর করতে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনার স্ত্রীরঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোনগুলি।

এই জন্য সবার আগে জানা চাই তার মাসিক নিয়মিত হয় কিনা, হলে তা কতদিন পরপর হয়। এবার সবচেয়েকম যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর প্রথমদিন থেকে ওই দিনটিই হল প্রথম অনিরাপদদিন। আবার আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে বেশি যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১০দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর প্রথম দিন থেকে ঐ দিনটিই হল শেষ অনিরাপদ দিন।

ধরুন, আপনার স্ত্রীর মাসিক ২৮ থেকে ৩০ দিন পরপর হয়। তাহলে ২৮-১৮=১০, অর্থাৎ মাসিকের শুরুর পর থেকে প্রথম ন’দিন আপনার জন্য নিরাপদ দিবস, এই দিনগুলিতে অন্য কোনও পদ্ধতি ছাড়াই সঙ্গম করা যাবে। দশম দিন থেকে অনিরাপদ দিবস, তাই দশম দিন থেকে সঙ্গমে সংযম করতে হবে। আবার যেহেতু ৩০ দিন হল দীর্ঘতম মাসিকচক্র।

তাই ৩০-১০=২০, অর্থাৎ ২০ তম দিন আপনার জন্য শেষ অনিরাপদ দিবস। ২১ তম দিবস থেকে আপনি আবার অবাধ সঙ্গম করতে পারবেন। তাতে সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা নাই। তবে এই উদাহরণে শুধু দশম থেকে ২০ তম দিবস পর্যন্ত আপনি অবাধ সঙ্গম করলে আপনার স্ত্রীর গর্ভধারণ করার সম্ভাবনা আছে।

উপরে যেভাবে বলা হয়েছে, তাতে অনেকের কাছে জটিল মনে হতে পারে। তবে হিসাবের জন্য খুব সহজ পদ্ধতি হল, মাসিক শুরুর পর প্রথম সাতদিন আর মাসিক শুরুর আগের সাতদিন অবাধ সঙ্গম করা নিরাপদ। মানে, এই সময় মিলন করলে সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা নেই। জেনে রাখা ভালো, অনিয়মিতভাবে মাসিক হবার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি কার্যকর নয়।

এছাড়া প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ৮০% নিরাপদ বা এর সাফল্যের হার শতকরা ৮০ ভাগ। সাধারণত মাসিকের হিসেবে গণ্ডগোল করে ফেলা, অনিরাপদ দিবসেও মিলনের সুযোগ নেওয়া বা ঝুঁকি নেওয়া, অনিয়মিত মাসিক হওয়া ইত্যাদি কারণে এই পদ্ধতি ব্যর্থ হতে পারে। তাই সঠিক হিসেব জেনে নেওয়ার জন্য প্রথমবার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

কিছু পুরুষের শুক্রাণুর আয়ু বেশি হওয়ায় তারা এটায় সফল নাও হতে পারেন। সেক্ষেত্রে অনিরাপদ দিবস দু’দিন বাড়িয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। অনেকে এটাকে বলে একে ঝামেলাপূর্ণ মনে করেন, কিন্তু একবার এতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে এটা বেশ সহজ, আরামদায়ক এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

যে দিনগুলিতে সহবাসে স্ত্রী সন্তান-সম্ভবা হবে না!

আপডেট টাইম : ০৪:০৬:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০১৫

ডেস্ক : ওষুধ কিংবা কনডম-সহ জন্মনিয়ন্ত্রণের আধুনিক যে কোনও পদ্ধতি ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটি ভালো ভাবে জানা থাকলে এর জন্য কোন চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার দরকার হয় না। মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র প্রাকৃতিকভাবে নির্ধারিত। এতে এমন কিছু দিন আছে যা নিরাপদ দিবস হিসেবে ধরা হয়।

এই দিনগুলিতে স্বামী-স্ত্রীর মিলনের ফলে স্ত্রীর সন্তান-সম্ভবা হবে না। এই নিরাপদ দিনগুলি প্রকৃতিগতভাবেই নির্দিষ্ট। তাই একে প্রাকৃতিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বলা হয়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এটাকে অনেক সময় ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলে থাকেন। এই পদ্ধতি কার্যকর করতে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনার স্ত্রীরঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোনগুলি।

এই জন্য সবার আগে জানা চাই তার মাসিক নিয়মিত হয় কিনা, হলে তা কতদিন পরপর হয়। এবার সবচেয়েকম যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর প্রথমদিন থেকে ওই দিনটিই হল প্রথম অনিরাপদদিন। আবার আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে বেশি যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১০দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর প্রথম দিন থেকে ঐ দিনটিই হল শেষ অনিরাপদ দিন।

ধরুন, আপনার স্ত্রীর মাসিক ২৮ থেকে ৩০ দিন পরপর হয়। তাহলে ২৮-১৮=১০, অর্থাৎ মাসিকের শুরুর পর থেকে প্রথম ন’দিন আপনার জন্য নিরাপদ দিবস, এই দিনগুলিতে অন্য কোনও পদ্ধতি ছাড়াই সঙ্গম করা যাবে। দশম দিন থেকে অনিরাপদ দিবস, তাই দশম দিন থেকে সঙ্গমে সংযম করতে হবে। আবার যেহেতু ৩০ দিন হল দীর্ঘতম মাসিকচক্র।

তাই ৩০-১০=২০, অর্থাৎ ২০ তম দিন আপনার জন্য শেষ অনিরাপদ দিবস। ২১ তম দিবস থেকে আপনি আবার অবাধ সঙ্গম করতে পারবেন। তাতে সন্তান গর্ভধারণের সম্ভাবনা নাই। তবে এই উদাহরণে শুধু দশম থেকে ২০ তম দিবস পর্যন্ত আপনি অবাধ সঙ্গম করলে আপনার স্ত্রীর গর্ভধারণ করার সম্ভাবনা আছে।

উপরে যেভাবে বলা হয়েছে, তাতে অনেকের কাছে জটিল মনে হতে পারে। তবে হিসাবের জন্য খুব সহজ পদ্ধতি হল, মাসিক শুরুর পর প্রথম সাতদিন আর মাসিক শুরুর আগের সাতদিন অবাধ সঙ্গম করা নিরাপদ। মানে, এই সময় মিলন করলে সন্তান গর্ভে আসার সম্ভাবনা নেই। জেনে রাখা ভালো, অনিয়মিতভাবে মাসিক হবার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি কার্যকর নয়।

এছাড়া প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ ৮০% নিরাপদ বা এর সাফল্যের হার শতকরা ৮০ ভাগ। সাধারণত মাসিকের হিসেবে গণ্ডগোল করে ফেলা, অনিরাপদ দিবসেও মিলনের সুযোগ নেওয়া বা ঝুঁকি নেওয়া, অনিয়মিত মাসিক হওয়া ইত্যাদি কারণে এই পদ্ধতি ব্যর্থ হতে পারে। তাই সঠিক হিসেব জেনে নেওয়ার জন্য প্রথমবার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

কিছু পুরুষের শুক্রাণুর আয়ু বেশি হওয়ায় তারা এটায় সফল নাও হতে পারেন। সেক্ষেত্রে অনিরাপদ দিবস দু’দিন বাড়িয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। অনেকে এটাকে বলে একে ঝামেলাপূর্ণ মনে করেন, কিন্তু একবার এতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে এটা বেশ সহজ, আরামদায়ক এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন।