পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

তৃতীয়দিনের মতো চলছে ফেলানী হত্যার শুনানি

বাংলার খবর২৪.কম index_52637, কুড়িগ্রাম: ভারতের কোচবিহারে বিএসএফ সেক্টর হেডকোয়ার্টারের বিশেষ আদালতে তৃতীয়দিনের মতো চলছে ফেলানী হত্যার পুন:বিচারের শুনানি।

কুড়িগ্রাম ৪৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ জানান, বুধবার তৃতীয়দিনের মতো বিচারকাজ অব্যাহত রয়েছে। তবে ফেলানী হত্যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী তার বাবা নূর ইসলাম, মামা আব্দুল হানিফসহ চার সদস্যসের প্রতিনিধিদলকে বিএসএফের পক্ষ থেকে প্রস্তুত থাকতে বলা হলেও এখন পর্যন্ত সাক্ষ্য দিতে ভারতে যাওয়ার দিনক্ষণ ঠিক হয়নি।

গত সোমবার কোচবিহারে বিএসএফের সদর দফতরে স্থাপিত বিশেষ আদালতের স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স কোর্টে এ বিচারকাজ শুরু হয়। বিচারিক আদালতের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার চৌধুরীহাট সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ৯৪৭-এর কাছে ফেলানী হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিশেষ আদালতের একটি প্রতিনিধিদল।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী তার বাবার সঙ্গে ভারত থেকে ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নিহত হন। এরপর তার লাশ অনেক্ষণ কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকে। যা নিয়ে বিশ্বব্যাপি ব্যাপি ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট এই হত্যার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। বিশেষ আদালতে অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে সাক্ষ্য দেন ফেলানীর বাবা ও মামা। ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিশেষ আদালত অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয়।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

তৃতীয়দিনের মতো চলছে ফেলানী হত্যার শুনানি

আপডেট টাইম : ০৯:৫৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম index_52637, কুড়িগ্রাম: ভারতের কোচবিহারে বিএসএফ সেক্টর হেডকোয়ার্টারের বিশেষ আদালতে তৃতীয়দিনের মতো চলছে ফেলানী হত্যার পুন:বিচারের শুনানি।

কুড়িগ্রাম ৪৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল মোফাজ্জল হোসেন আকন্দ জানান, বুধবার তৃতীয়দিনের মতো বিচারকাজ অব্যাহত রয়েছে। তবে ফেলানী হত্যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী তার বাবা নূর ইসলাম, মামা আব্দুল হানিফসহ চার সদস্যসের প্রতিনিধিদলকে বিএসএফের পক্ষ থেকে প্রস্তুত থাকতে বলা হলেও এখন পর্যন্ত সাক্ষ্য দিতে ভারতে যাওয়ার দিনক্ষণ ঠিক হয়নি।

গত সোমবার কোচবিহারে বিএসএফের সদর দফতরে স্থাপিত বিশেষ আদালতের স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স কোর্টে এ বিচারকাজ শুরু হয়। বিচারিক আদালতের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার চৌধুরীহাট সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ৯৪৭-এর কাছে ফেলানী হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিশেষ আদালতের একটি প্রতিনিধিদল।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী তার বাবার সঙ্গে ভারত থেকে ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে নিহত হন। এরপর তার লাশ অনেক্ষণ কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকে। যা নিয়ে বিশ্বব্যাপি ব্যাপি ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট এই হত্যার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। বিশেষ আদালতে অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে সাক্ষ্য দেন ফেলানীর বাবা ও মামা। ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বিশেষ আদালত অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয়।