পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

মজীনার শ্রমনীতি নিয়ে কথা বলা মানায় না: চুন্নু

ঢাকা: শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, আমেরিকায় মাত্র ৭ শতাংশ কারখানায় ইউনিয়ন আছে অথচ তারা(মজিনা) আমাদের শ্রমনীতি নিয়ে কথা বলে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘রেলোক্যাশন অব হাজারিবাগ ট্যানারিস: ওয়ার্কার্স পারসপেকটিভ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ লেবার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (বিএলএফ) উক্ত গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে।

মুজিবুল হক বলেন, আমেরিকার শ্রমনীতি কতটুকু বাস্তবায়ন হচ্ছে বিষয়টি দেখার জন্য আমরা রাষ্ট্রদূতের কাছে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলাম। শেষ পর্যন্ত আমাদের যেতে দেওয়া হয়নি। তার দেশে শ্রম আইন বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা দেখতে দেবে না। অথচ আমাদের দেশে এসে মাথা ঘামায়। এটা কোনোভাবেই ঠিক কাজ হতে পারে না।

তিনি বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করার জন্য শ্রমিক আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। সংবিধানে অনেক আইন আছে কিন্তু সব আইন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

তিনি আরো বলেন, হরতাল নামে সংবিধানে কোনো আইন নেই। এটা গণতান্ত্রিক কালচার। আমি একটি আইন নিয়ে সংসদে গিয়েছিলাম, হরতাল করলে ১৫ দিন আগে নোটিশ দিতে হবে। আর হরতালের কারণে কারো কোনো ক্ষতি হলে হরতালের হুকুমদাতাকে আইনের আওতায় আনা হবে। কিন্তু অবশেষে তা বাস্তবায়ন হয়নি।

পরিবেশের কথা বিবেচনা করে সকলে একমত হয়ে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। এই জন্য সকলের স্বার্থের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এক সাথে এই পুরো প্রক্রিয়াটা শেষ করা সম্ভব নয়। তাই আস্তে আস্তে এই ট্যানারি শিল্পটি স্থানান্তরের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে। আমাদের যেহেতু আন্তরিকতা আছে এক সাথে না হোক এই শিল্পটি প্রথমে যা করা দরকার তা ধীরে ধীরে হলেও করতে হবে বলে জানান তিনি।

বিএলএফ’র সভাপতি আব্দুল সালাম খান বলেন, পরিবেশের কথা চিন্তা করে ট্যানারি শিল্প হাজারিবাগ থেকে সাভারে স্থানান্তরের জন্য সবাই চায়। এটা করতেই হবে। এব্যাপারে সরকারও সতর্ক। এই জন্য আগে শ্রমিক-মালিকের সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ড. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, বিএলএফ’র সেক্রেটারি জে এল কামরুল আনাম, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহিন আহমেদ প্রমুখ।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

মজীনার শ্রমনীতি নিয়ে কথা বলা মানায় না: চুন্নু

আপডেট টাইম : ০৫:১৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৪

ঢাকা: শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, আমেরিকায় মাত্র ৭ শতাংশ কারখানায় ইউনিয়ন আছে অথচ তারা(মজিনা) আমাদের শ্রমনীতি নিয়ে কথা বলে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘রেলোক্যাশন অব হাজারিবাগ ট্যানারিস: ওয়ার্কার্স পারসপেকটিভ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

ট্যানারি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ লেবার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (বিএলএফ) উক্ত গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে।

মুজিবুল হক বলেন, আমেরিকার শ্রমনীতি কতটুকু বাস্তবায়ন হচ্ছে বিষয়টি দেখার জন্য আমরা রাষ্ট্রদূতের কাছে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলাম। শেষ পর্যন্ত আমাদের যেতে দেওয়া হয়নি। তার দেশে শ্রম আইন বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা দেখতে দেবে না। অথচ আমাদের দেশে এসে মাথা ঘামায়। এটা কোনোভাবেই ঠিক কাজ হতে পারে না।

তিনি বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করার জন্য শ্রমিক আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। সংবিধানে অনেক আইন আছে কিন্তু সব আইন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

তিনি আরো বলেন, হরতাল নামে সংবিধানে কোনো আইন নেই। এটা গণতান্ত্রিক কালচার। আমি একটি আইন নিয়ে সংসদে গিয়েছিলাম, হরতাল করলে ১৫ দিন আগে নোটিশ দিতে হবে। আর হরতালের কারণে কারো কোনো ক্ষতি হলে হরতালের হুকুমদাতাকে আইনের আওতায় আনা হবে। কিন্তু অবশেষে তা বাস্তবায়ন হয়নি।

পরিবেশের কথা বিবেচনা করে সকলে একমত হয়ে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। এই জন্য সকলের স্বার্থের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এক সাথে এই পুরো প্রক্রিয়াটা শেষ করা সম্ভব নয়। তাই আস্তে আস্তে এই ট্যানারি শিল্পটি স্থানান্তরের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে। আমাদের যেহেতু আন্তরিকতা আছে এক সাথে না হোক এই শিল্পটি প্রথমে যা করা দরকার তা ধীরে ধীরে হলেও করতে হবে বলে জানান তিনি।

বিএলএফ’র সভাপতি আব্দুল সালাম খান বলেন, পরিবেশের কথা চিন্তা করে ট্যানারি শিল্প হাজারিবাগ থেকে সাভারে স্থানান্তরের জন্য সবাই চায়। এটা করতেই হবে। এব্যাপারে সরকারও সতর্ক। এই জন্য আগে শ্রমিক-মালিকের সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ড. ওয়াজেদুল ইসলাম খান, বিএলএফ’র সেক্রেটারি জে এল কামরুল আনাম, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহিন আহমেদ প্রমুখ।