অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ Logo পাটগ্রামে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক Logo লালমনিরহাট সনাকের নতুন সভাপতি ডা. কাসেম আলী, সহসভাপতি আবু হাসনাত রানা Logo সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ, ডিলারের বিরুদ্ধে কালোবাজারির অভিযোগ Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নতুন বাজারে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রোড শো ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম Logo পাটগ্রামের বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফকে লাঠি-সোটা দিয়ে পেটালো বাংলাদেশীরা Logo পাটগ্রামে রংপুর ও পাটগ্রাম সোনালী অতীতের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ Logo নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় বিআরটিএ’র রোড শো Logo ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬

১৬২টি ছিটমহলে নতুন করে সমীক্ষা শুরু

কলকাতা: ভারত আর বাংলাদেশের ১৬২ টি ছিটমহলে আজ থেকে এক সমীক্ষা করা হচ্ছে – যা থেকে বোঝা যাবে ছিটমহল বিনিময় হওয়ার পরে ঠিক কতজন নাগরিকত্ব পরিবর্তন করতে চান।

ভারতের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে স্থলসীমা চুক্তি সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিলটি নিয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্যে পৌঁছানোর পরেই সম্ভাব্য ছিটমহল বিনিময়ের পরবর্তী পর্যায়ের পরিকল্পনা শুরু করেছেন ছিটমহলের বাসিন্দারা।

এর আগেও একই ধরণের একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল ছিটমহল বিনিময় আন্দোলনের সদস্যরা।

ভারত বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সেই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ছিটমহলগুলির মাত্র ৭৪৩ জনের মতো নাগরিক বিনিময়ের পরে ভারতের নাগরিকত্ব রেখে দিতে চেয়েছিলেন, বাকিরা বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে যাবেন বলে মনস্থির করেছিলেন। অন্যদিকে ভারতের ভেতরে থাকা বাংলাদেশী ছিটমহলগুলির কোনো নাগরিকই বাংলাদেশের নাগরিক থাকতে চান নি, সবাই ভারতের নাগরিকত্ব নেয়ার মনোভাব প্রকাশ করেছিলেন।

সমন্বয় কমিটির সম্পাদক দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেন, “আগের সমীক্ষার পরে বেশ কিছু মানুষ নিজেদের মত পরিবর্তন করেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। তাই নতুন করে সমীক্ষার প্রয়োজন হয়েছে। ১৬২টি ছিটমহলেই এই কাজ শুরু করেছি আমরা।”

ভারত আর বাংলাদেশের ছিটমহলগুলিতে মোট ৫১ হাজার ৫৮৪ জন মানুষ বাস করেন – বিগত সমীক্ষা অনুযায়ী।

কোনো দেশের ছিটমহলের কত মানুষ অন্য দেশে স্থানান্তরিত হতে চান, তার ওপরে ভিত্তি করেই তৈরি হবে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা।

“যারা ভারতীয় ছিটমহলগুলো থেকে ভারতের মূল ভূখণ্ডে যেতে চান, তাদের জন্য জমি, বাসস্থান, উপার্জনের ব্যবস্থা আর দৈনন্দিন জীবনযাপনের ব্যবস্থা থাকবে, সেই জন্যই ঠিক কত লোককে পুনর্বাসন দিতে হবে, সেটা জানা জরুরি,” বলছিলেন মি. সেনগুপ্ত।

সমন্বয় কমিটির সূত্রগুলো বলছে, যেসব মানুষ বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ভারতীয় ছিটমহলগুলো থেকে কোচবিহার বা অন্যান্য জেলায় যাবেন, তাদের একটা দাবি রয়েছে যে যেন আত্মীয় স্বজনদের বাড়ির কাছাকাছিই তাদের পুনর্বাসন দেয়া হয়। তাই কোন ব্যক্তি বা পরিবারকে কোথায় পুনর্বাসন দেয়া যেতে পারে, তারও একটা সম্ভাব্য খতিয়ান তৈরি হবে আজ থেকে শুরু হওয়া সমীক্ষায়।

এক সপ্তাহের মধ্যেই সমীক্ষা শেষ করে সব তথ্যই দুই সরকারের হাতে তুলে দেয়া হবে সমন্বয় কমিটির তরফ থেকে।– বিবিসি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে লালমনিরহাটে যুবদলের হুইলচেয়ার বিতরণ

১৬২টি ছিটমহলে নতুন করে সমীক্ষা শুরু

আপডেট টাইম : ০৫:৫১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৪

কলকাতা: ভারত আর বাংলাদেশের ১৬২ টি ছিটমহলে আজ থেকে এক সমীক্ষা করা হচ্ছে – যা থেকে বোঝা যাবে ছিটমহল বিনিময় হওয়ার পরে ঠিক কতজন নাগরিকত্ব পরিবর্তন করতে চান।

ভারতের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে স্থলসীমা চুক্তি সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিলটি নিয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্যে পৌঁছানোর পরেই সম্ভাব্য ছিটমহল বিনিময়ের পরবর্তী পর্যায়ের পরিকল্পনা শুরু করেছেন ছিটমহলের বাসিন্দারা।

এর আগেও একই ধরণের একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল ছিটমহল বিনিময় আন্দোলনের সদস্যরা।

ভারত বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সেই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ছিটমহলগুলির মাত্র ৭৪৩ জনের মতো নাগরিক বিনিময়ের পরে ভারতের নাগরিকত্ব রেখে দিতে চেয়েছিলেন, বাকিরা বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে যাবেন বলে মনস্থির করেছিলেন। অন্যদিকে ভারতের ভেতরে থাকা বাংলাদেশী ছিটমহলগুলির কোনো নাগরিকই বাংলাদেশের নাগরিক থাকতে চান নি, সবাই ভারতের নাগরিকত্ব নেয়ার মনোভাব প্রকাশ করেছিলেন।

সমন্বয় কমিটির সম্পাদক দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেন, “আগের সমীক্ষার পরে বেশ কিছু মানুষ নিজেদের মত পরিবর্তন করেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। তাই নতুন করে সমীক্ষার প্রয়োজন হয়েছে। ১৬২টি ছিটমহলেই এই কাজ শুরু করেছি আমরা।”

ভারত আর বাংলাদেশের ছিটমহলগুলিতে মোট ৫১ হাজার ৫৮৪ জন মানুষ বাস করেন – বিগত সমীক্ষা অনুযায়ী।

কোনো দেশের ছিটমহলের কত মানুষ অন্য দেশে স্থানান্তরিত হতে চান, তার ওপরে ভিত্তি করেই তৈরি হবে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা।

“যারা ভারতীয় ছিটমহলগুলো থেকে ভারতের মূল ভূখণ্ডে যেতে চান, তাদের জন্য জমি, বাসস্থান, উপার্জনের ব্যবস্থা আর দৈনন্দিন জীবনযাপনের ব্যবস্থা থাকবে, সেই জন্যই ঠিক কত লোককে পুনর্বাসন দিতে হবে, সেটা জানা জরুরি,” বলছিলেন মি. সেনগুপ্ত।

সমন্বয় কমিটির সূত্রগুলো বলছে, যেসব মানুষ বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ভারতীয় ছিটমহলগুলো থেকে কোচবিহার বা অন্যান্য জেলায় যাবেন, তাদের একটা দাবি রয়েছে যে যেন আত্মীয় স্বজনদের বাড়ির কাছাকাছিই তাদের পুনর্বাসন দেয়া হয়। তাই কোন ব্যক্তি বা পরিবারকে কোথায় পুনর্বাসন দেয়া যেতে পারে, তারও একটা সম্ভাব্য খতিয়ান তৈরি হবে আজ থেকে শুরু হওয়া সমীক্ষায়।

এক সপ্তাহের মধ্যেই সমীক্ষা শেষ করে সব তথ্যই দুই সরকারের হাতে তুলে দেয়া হবে সমন্বয় কমিটির তরফ থেকে।– বিবিসি।