পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

বাণিজ্যিক ব্যাংককে প্রাকৃতিক হিমাগারে বিনিয়োগের আহ্বান

প্রতিবেদক : বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রাকৃতিক হিমাগারে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

রাজশাহীর বোয়ালিয়ার চকপাড়ায় শুক্রবার শাহ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী প্রাকৃতিক হিমাগার উদ্বোধনকালে এ আহ্বান জানান তিনি।

ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘প্রচলিত হিমাগারগুলোর চেয়ে প্রাকৃতির হিমাগার অনেক বেশি ব্যয় সাশ্রয়ী। এটা করলেও কৃষকরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন। এ কারণে সব বাণিজ্যিক ব্যাংকেরই উচিত প্রাকৃতিক হিমাগার নির্মাণে বিনিয়োগ করা। বাণিজ্যিক ব্যাংক একটা করলে আমরাও একটা করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।’

তিনি বলেন,‘যে কৃষকরা কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করেন তারা দাম না পেলেও, এক শ্রেণীর মধ্যস্বত্বভোগী ঠিকই এসব পণ্য কেনা-বেচার মাধ্যমে মোটা অঙ্কের মুনাফা করছেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের (রাজশাহী) নির্বাহী পরিচালক জিন্নাতুল বাকেয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. চৌধুরী সারওয়ার জাহান, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম ওসমান গণি, রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দিন, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. শাহ্ নওয়াজ আলী, প্রাকৃতিক হিমাগারের উদ্ভাবক ও প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. এম মনজুর হোসেন, প্রকৌশল কাজে সহায়তাকারী প্রফেসর ড. নিয়ামুল বারী প্রমুখ।

৩০০ টন ধারণক্ষমতার প্রাকৃতিক হিমাগারটি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশ, খড়, ইট, বালু ও সিমেন্ট। হিমাগারটির বাইরের দৈর্ঘ্য ৬০ ফুট ও প্রস্থ ৩০ ফুট, ভেতরের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ৫৮ ফুট ও ২৮ ফুট এবং উচ্চতা ২৭ ফুট। হিমাগারটি তৈরিতে সময় লেগেছে ৩ মাস।

হিমাগারে আলু ও গাজর চার থেকে পাঁচ মাস, টমেটো দুই থেকে তিন মাস, আম এক থেকে দেড় মাস, লিচু ১৫ দিন থেকে এক মাস, পেঁয়াজ ও রসুন চার থেকে ছয় মাস এবং আদা সাত থেকে আট মাস সংরক্ষণ করা যাবে। এতে ব্যয় হয়েছে ১৪ লাখ টাকা।

অথচ একই ধারণক্ষমতার একটি প্রচলিত ধারার হিমাগার তৈরিতে খরচ হয় দুই থেকে তিন কোটি টাকা। সেখানে বিদ্যুতেরও দরকার হয়। এদিক থেকে এটি একটি ব্যয় সাশ্রয়ী সংরক্ষণাগার।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

বাণিজ্যিক ব্যাংককে প্রাকৃতিক হিমাগারে বিনিয়োগের আহ্বান

আপডেট টাইম : ১০:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৪

প্রতিবেদক : বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রাকৃতিক হিমাগারে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

রাজশাহীর বোয়ালিয়ার চকপাড়ায় শুক্রবার শাহ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী প্রাকৃতিক হিমাগার উদ্বোধনকালে এ আহ্বান জানান তিনি।

ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘প্রচলিত হিমাগারগুলোর চেয়ে প্রাকৃতির হিমাগার অনেক বেশি ব্যয় সাশ্রয়ী। এটা করলেও কৃষকরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবেন। এ কারণে সব বাণিজ্যিক ব্যাংকেরই উচিত প্রাকৃতিক হিমাগার নির্মাণে বিনিয়োগ করা। বাণিজ্যিক ব্যাংক একটা করলে আমরাও একটা করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।’

তিনি বলেন,‘যে কৃষকরা কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করেন তারা দাম না পেলেও, এক শ্রেণীর মধ্যস্বত্বভোগী ঠিকই এসব পণ্য কেনা-বেচার মাধ্যমে মোটা অঙ্কের মুনাফা করছেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের (রাজশাহী) নির্বাহী পরিচালক জিন্নাতুল বাকেয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. চৌধুরী সারওয়ার জাহান, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এম ওসমান গণি, রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দিন, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. শাহ্ নওয়াজ আলী, প্রাকৃতিক হিমাগারের উদ্ভাবক ও প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর ড. এম মনজুর হোসেন, প্রকৌশল কাজে সহায়তাকারী প্রফেসর ড. নিয়ামুল বারী প্রমুখ।

৩০০ টন ধারণক্ষমতার প্রাকৃতিক হিমাগারটি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশ, খড়, ইট, বালু ও সিমেন্ট। হিমাগারটির বাইরের দৈর্ঘ্য ৬০ ফুট ও প্রস্থ ৩০ ফুট, ভেতরের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ৫৮ ফুট ও ২৮ ফুট এবং উচ্চতা ২৭ ফুট। হিমাগারটি তৈরিতে সময় লেগেছে ৩ মাস।

হিমাগারে আলু ও গাজর চার থেকে পাঁচ মাস, টমেটো দুই থেকে তিন মাস, আম এক থেকে দেড় মাস, লিচু ১৫ দিন থেকে এক মাস, পেঁয়াজ ও রসুন চার থেকে ছয় মাস এবং আদা সাত থেকে আট মাস সংরক্ষণ করা যাবে। এতে ব্যয় হয়েছে ১৪ লাখ টাকা।

অথচ একই ধারণক্ষমতার একটি প্রচলিত ধারার হিমাগার তৈরিতে খরচ হয় দুই থেকে তিন কোটি টাকা। সেখানে বিদ্যুতেরও দরকার হয়। এদিক থেকে এটি একটি ব্যয় সাশ্রয়ী সংরক্ষণাগার।