পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

সোমবার বেরোবিতে মহাসমাবেশের ডাক

বেরোবি : বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান সংকট নিরসনে সোমবার আবারো মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

গত বুধবার সমস্যা নিরসনে উপাচার্যকে দেয়া ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষে তাদরে দাবিগুলোর সমাধানের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় রোববার শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. সাইদুল হক এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার থেকে প্রশাসনিক ভবন বন্ধ এবং সোমবার সর্বাত্মক সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।

সমাবেশ সফল করতে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য অনুযায়ী সোমবার উপাচার্য পতনের জন্য এক দফা দাবি আসতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর থেকে পদোন্নতি জটিলতাসহ নানা সমস্যা নিরসনে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষক সমিতি।

ইতোমধ্যে শিক্ষক সমিতির কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিন দফায় ১৯ জন শিক্ষক প্রশাসনিক এবং একাডেমিক পদ থেকে পদত্যাগ করেন। আন্দোলনে সহমত পোষণ করে আন্দোলন করছে চাকরি স্থায়ী না হওয়া ১৫২ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। একইসাথে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত আছে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীসহ কর্মকর্তাবৃন্দ।

এর ফলে কার্যত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রশাসনিক এবং একাডেমিক কার্যক্রম অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

অপরদিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের প্রায় ৯০ হাজার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।

চলমান আন্দোলনের কারণে ৪, ৫ ও ৬ ডিসেম্বরের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। সংকট নিরসন না হলে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোর্শেদ উল আলম রনি।

এ ব্যাপারে কথা বললে নীল দলের সভাপতি আপেল মাহমুদ বলেন, ইতোমধ্যে শিক্ষক সমিতির বিভিন্ন দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং বিভিন্ন বিধি অনুযায়ী বাকি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র বর্মণ বলেন, শিক্ষক সমিতিকে আলোচনার আহ্বান করা হয়েছে। কেবল সব দাবি আদায় হলেই শিক্ষক সমিতি আন্দোলন থেকে সরে আসবে।

দাবি আদায় না হলে সমাবেশ থেকে উপাচার্য পতনের কর্মসূচি ঘোষণা আসতে পারে বলেও জানান তিনি।

চলমান আন্দোলন সম্পর্কে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী বলেন, শিক্ষক সমিতিকে আলোচনার জন্য লিখিতভাবে বলা হয়েছে। আশা করছি আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা যাবে।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

সোমবার বেরোবিতে মহাসমাবেশের ডাক

আপডেট টাইম : ০৩:১৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৪

বেরোবি : বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান সংকট নিরসনে সোমবার আবারো মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

গত বুধবার সমস্যা নিরসনে উপাচার্যকে দেয়া ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষে তাদরে দাবিগুলোর সমাধানের কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় রোববার শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. সাইদুল হক এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার থেকে প্রশাসনিক ভবন বন্ধ এবং সোমবার সর্বাত্মক সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।

সমাবেশ সফল করতে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য অনুযায়ী সোমবার উপাচার্য পতনের জন্য এক দফা দাবি আসতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ অক্টোবর থেকে পদোন্নতি জটিলতাসহ নানা সমস্যা নিরসনে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষক সমিতি।

ইতোমধ্যে শিক্ষক সমিতির কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিন দফায় ১৯ জন শিক্ষক প্রশাসনিক এবং একাডেমিক পদ থেকে পদত্যাগ করেন। আন্দোলনে সহমত পোষণ করে আন্দোলন করছে চাকরি স্থায়ী না হওয়া ১৫২ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। একইসাথে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত আছে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীসহ কর্মকর্তাবৃন্দ।

এর ফলে কার্যত বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রশাসনিক এবং একাডেমিক কার্যক্রম অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

অপরদিকে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের প্রায় ৯০ হাজার ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী।

চলমান আন্দোলনের কারণে ৪, ৫ ও ৬ ডিসেম্বরের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। সংকট নিরসন না হলে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোর্শেদ উল আলম রনি।

এ ব্যাপারে কথা বললে নীল দলের সভাপতি আপেল মাহমুদ বলেন, ইতোমধ্যে শিক্ষক সমিতির বিভিন্ন দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং বিভিন্ন বিধি অনুযায়ী বাকি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র বর্মণ বলেন, শিক্ষক সমিতিকে আলোচনার আহ্বান করা হয়েছে। কেবল সব দাবি আদায় হলেই শিক্ষক সমিতি আন্দোলন থেকে সরে আসবে।

দাবি আদায় না হলে সমাবেশ থেকে উপাচার্য পতনের কর্মসূচি ঘোষণা আসতে পারে বলেও জানান তিনি।

চলমান আন্দোলন সম্পর্কে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী বলেন, শিক্ষক সমিতিকে আলোচনার জন্য লিখিতভাবে বলা হয়েছে। আশা করছি আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করা যাবে।