অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

‘শান্তিনগর থেকে ঝিলমিল পর্যন্ত ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে’

ঢাকা : রাজধানীর উপর চাপ কমাতে সরকার ঢাকার আশেপাশে আধুনিক স্যাটেলাইট শহর গড়ে তুলবে। যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০১৯ সালের মধ্যে ঢাকার শান্তিনগর থেকে ঝিলমিল এলাকা পর্যন্ত ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে।

রোববার গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ঢাকার কেরানীগঞ্জে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ‘গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এখানে নিজস্ব বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট, পানি ও বর্জ্য শোধনাগারসহ আধুনিক সকল সুবিধা থাকবে।

তবে ইতোমধ্যে এ ফ্লাইওভারের এলাইনমেন্টের কাজ শেষ হয়েছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় আগামী ১০ মাসের মধ্যে ফ্লাইওভারের কাজের দরপত্র আহ্বান করা হবে।

ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, সরকার দেশের স্বল্প আয়ের মানুষের আবাসন সুবিধার কথা বিবেচনা করে সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাট তৈরি করবে। এজন্য মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার আদলে রাজধানীর আশেপাশে ন্যূনতম ৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী কেউ রাজউকের একটির বেশি প্লটের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। যদি কেউ একাধিক প্লট পেয়ে থাকেন তাহলে একটি রেখে বাকিগুলো বাতিল করা হবে।

উল্লেখ্য, ৩৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৭১ একর জমিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় রাস্তার কাজ এর মধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎলাইনসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য কাজ আগামী এক বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। বরাদ্দকৃত ১ হাজার ৭ শত প্লটের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ ইতোমধ্যে বরাদ্দপ্রাপ্তদের নিকট হস্থান্তর করা হয়েছে এবং বাকিগুলোও হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত আছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে।

এ সময় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহ, রাজউক চেয়ারম্যান জি এম জয়নাল আবেদিন, প্রকল্প পরিচালক আবদুল লতিফ হেলালী উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

‘শান্তিনগর থেকে ঝিলমিল পর্যন্ত ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে’

আপডেট টাইম : ০৭:২৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৪

ঢাকা : রাজধানীর উপর চাপ কমাতে সরকার ঢাকার আশেপাশে আধুনিক স্যাটেলাইট শহর গড়ে তুলবে। যাতায়াতের সুবিধার্থে ২০১৯ সালের মধ্যে ঢাকার শান্তিনগর থেকে ঝিলমিল এলাকা পর্যন্ত ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে।

রোববার গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ঢাকার কেরানীগঞ্জে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পকে স্বয়ংসম্পূর্ণ ‘গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এখানে নিজস্ব বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট, পানি ও বর্জ্য শোধনাগারসহ আধুনিক সকল সুবিধা থাকবে।

তবে ইতোমধ্যে এ ফ্লাইওভারের এলাইনমেন্টের কাজ শেষ হয়েছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায় আগামী ১০ মাসের মধ্যে ফ্লাইওভারের কাজের দরপত্র আহ্বান করা হবে।

ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্প পরিদর্শনকালে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, সরকার দেশের স্বল্প আয়ের মানুষের আবাসন সুবিধার কথা বিবেচনা করে সাশ্রয়ী মূল্যে ফ্ল্যাট তৈরি করবে। এজন্য মালয়েশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার আদলে রাজধানীর আশেপাশে ন্যূনতম ৮০০ বর্গফুটের ফ্ল্যাট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী কেউ রাজউকের একটির বেশি প্লটের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। যদি কেউ একাধিক প্লট পেয়ে থাকেন তাহলে একটি রেখে বাকিগুলো বাতিল করা হবে।

উল্লেখ্য, ৩৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৭১ একর জমিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় রাস্তার কাজ এর মধ্যে সমাপ্ত হয়েছে। গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎলাইনসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য কাজ আগামী এক বছরের মধ্যে শেষ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। বরাদ্দকৃত ১ হাজার ৭ শত প্লটের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ ইতোমধ্যে বরাদ্দপ্রাপ্তদের নিকট হস্থান্তর করা হয়েছে এবং বাকিগুলোও হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত আছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে।

এ সময় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহ, রাজউক চেয়ারম্যান জি এম জয়নাল আবেদিন, প্রকল্প পরিচালক আবদুল লতিফ হেলালী উপস্থিত ছিলেন।