পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজিত Logo পাটগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে সাইবার নিরাপত্তার জগতে নয়ন রায়ের এগিয়ে চলা Logo বিআরটিএ, ফরিদপুর সার্কেল কর্তৃক জাতীয় সড়ক নিরাপদ দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo “জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা” বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-২ সার্কেলের Logo বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন’কে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার Logo বিআরটিএ নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেন’কে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার Logo জমিজমার বিরোধকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার অভিযোগ Logo পাটগ্রামে ১৭ লাখের দেনমোহর কমিয়ে ৩ লাখ ৭০ হাজার করার অভিযোগ, কাজির দুই সহযোগী আটক Logo লালমনিরহাটে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারী শিক্ষকদের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

৭২ সালেও সংসদের হাতে বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা ছিল : আইনমন্ত্রী

index_48274বাংলার খবর২৪.কম: আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল হক বলেছেন, ’৭২ সালের সংবিধানে সংসদের হাতেই বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা ছিল। পরে জিয়াউর রহমানের আমলে কিছু বিচারপতি তাঁর সামরিক আইনকে বৈধতা দিয়ে রায় দেন। এর পুরস্কারস্বরূপ বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের থেকে বাতিল করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে করা আইন জারি করা হয়।

আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংসদের হাতে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সামরিক আইনকে বৈধতা দেওয়ার পুরস্কার হিসেবে জিয়াউর রহমান বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। পরিবর্তে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা স্থানান্তর করা হয়।

আনিসুল হক বলেন, সংসদের হাতে কখনো কোনো বিচারপতি অভিশংসনের শিকার হননি। বরং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে দুইজন এবং অন্য মাধ্যমে সাতজন বিচারপতি অভিশংসনের মুখে পড়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোনো বিচারপতি হেনস্তার শিকার হননি।

আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি সাহারা খাতুনের সভাপতিত্বে আনিসুল হক বলেন, ১৯৯৭ সালের ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলার বিচার যখন উচ্চ আদালতে শুরু হয়, তখন সাতজন বিচারপতি এ মামলায় বিব্রতবোধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার বিচার তাঁরা করতে চাননি। তারপরও তাঁদের কাউকে অপসারণের জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে পাঠানো হয়নি। এমনকি তাঁদের মধ্যে একজন প্রধান বিচারপতিও হয়েছিলেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও বিশিষ্ট আইনজীবী আমীর-উল-ইসলাম প্রমুখ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজিত

৭২ সালেও সংসদের হাতে বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা ছিল : আইনমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৯:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০১৪

index_48274বাংলার খবর২৪.কম: আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল হক বলেছেন, ’৭২ সালের সংবিধানে সংসদের হাতেই বিচারকদের অভিশংসনের ক্ষমতা ছিল। পরে জিয়াউর রহমানের আমলে কিছু বিচারপতি তাঁর সামরিক আইনকে বৈধতা দিয়ে রায় দেন। এর পুরস্কারস্বরূপ বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের থেকে বাতিল করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে করা আইন জারি করা হয়।

আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সংসদের হাতে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সামরিক আইনকে বৈধতা দেওয়ার পুরস্কার হিসেবে জিয়াউর রহমান বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের কাছ থেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। পরিবর্তে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা স্থানান্তর করা হয়।

আনিসুল হক বলেন, সংসদের হাতে কখনো কোনো বিচারপতি অভিশংসনের শিকার হননি। বরং সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে দুইজন এবং অন্য মাধ্যমে সাতজন বিচারপতি অভিশংসনের মুখে পড়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কোনো বিচারপতি হেনস্তার শিকার হননি।

আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি সাহারা খাতুনের সভাপতিত্বে আনিসুল হক বলেন, ১৯৯৭ সালের ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলার বিচার যখন উচ্চ আদালতে শুরু হয়, তখন সাতজন বিচারপতি এ মামলায় বিব্রতবোধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার বিচার তাঁরা করতে চাননি। তারপরও তাঁদের কাউকে অপসারণের জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে পাঠানো হয়নি। এমনকি তাঁদের মধ্যে একজন প্রধান বিচারপতিও হয়েছিলেন।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও বিশিষ্ট আইনজীবী আমীর-উল-ইসলাম প্রমুখ।