অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

বিআরটিএ কর্মকর্তার স্ত্রী নিজ বাসায় খুন হত্যার পর ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় হত্যাকারীরা

ফারুক আহমেদ সুজন : রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) উপ পরিচালক শিতাংশু শেখর বিশ্বাসের স্ত্রী কৃষ্ণা কাবেরি (৩৫) নিজ বাসায় খুন হয়েছেন। তাকে হত্যার পর ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় হত্যাকারীরা। এসময় তিনি ও তার দুই মেয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার রাতে মোহাম্মদপুর ইকবাল রোডের ৩/১২ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহতদের মহাখালী মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

একটি সূত্রে জানা গেছে, শিতাংশু শেখর বিশ্বাসের সঙ্গে খান জহিরুল হক নামে এক ব্যবসায়ীর পূর্ব পরিচয় ছিলো। সোমবার সন্ধ্যায় ফল ও জুস নিয়ে শিতাংশুর মোহাম্মদপুরের বাসায় যায় জহিরুল হক। শিতাংশুর পরিবারের সদস্যরা ফল ও জুস খাওয়ার পর অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর জহিরুল হক তাদের হাত বেধে সবাইকে পেটান। মারধরের পর তিনি ঘরের ভেতর আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। এসময় জহিরুল হকের সঙ্গে আরো কয়েকজন ছিলো। পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিতাংশু শেখরের স্ত্রীকে চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।

শিতাংশু শেখর বিশ্বাস এবং তার দুই মেয়ে অদিতি ও শ্রুতিকে মহাখালী মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সূত্রটি আরো জানায়, খান জহিরুল হকের শেয়ার ব্যবসাসহ বিভিন্ন ব্যবসা রয়েছে। শিতাংশু শেখরের সঙ্গে তার অনেক দিনের পরিচয়। জহিরুল হক রাজধানীর গুলশানের ১৫ নম্বর সড়কের ৭ নম্বর বাসার বি-২ ফ্ল্যাটে থাকেন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে ব্যবসায়ীক কোনো বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিলো। এজন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।

শিতাংশা শেখর বিশ্বাস বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ে উপ পরিচালক (অপারেশন) পদে রয়েছেন।

এবিষয়ে বিআরটিএর সচিব মো. শওকত আলী জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হত্যাকারীদের গ্রেফতারের জন্য গুলশান থানা ও মহানগর গোয়েন্দ পুলিশকে (ডিবি) ঘটনাটি জানিয়েছেন।

এদিকে হত্যার তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল ইসলাম।

তিনি জানান, নিহতের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

বিআরটিএ কর্মকর্তার স্ত্রী নিজ বাসায় খুন হত্যার পর ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় হত্যাকারীরা

আপডেট টাইম : ০৫:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০১৫

ফারুক আহমেদ সুজন : রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) উপ পরিচালক শিতাংশু শেখর বিশ্বাসের স্ত্রী কৃষ্ণা কাবেরি (৩৫) নিজ বাসায় খুন হয়েছেন। তাকে হত্যার পর ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় হত্যাকারীরা। এসময় তিনি ও তার দুই মেয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার রাতে মোহাম্মদপুর ইকবাল রোডের ৩/১২ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহতদের মহাখালী মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

একটি সূত্রে জানা গেছে, শিতাংশু শেখর বিশ্বাসের সঙ্গে খান জহিরুল হক নামে এক ব্যবসায়ীর পূর্ব পরিচয় ছিলো। সোমবার সন্ধ্যায় ফল ও জুস নিয়ে শিতাংশুর মোহাম্মদপুরের বাসায় যায় জহিরুল হক। শিতাংশুর পরিবারের সদস্যরা ফল ও জুস খাওয়ার পর অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর জহিরুল হক তাদের হাত বেধে সবাইকে পেটান। মারধরের পর তিনি ঘরের ভেতর আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। এসময় জহিরুল হকের সঙ্গে আরো কয়েকজন ছিলো। পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিতাংশু শেখরের স্ত্রীকে চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করেন।

শিতাংশু শেখর বিশ্বাস এবং তার দুই মেয়ে অদিতি ও শ্রুতিকে মহাখালী মেট্রোপলিটন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সূত্রটি আরো জানায়, খান জহিরুল হকের শেয়ার ব্যবসাসহ বিভিন্ন ব্যবসা রয়েছে। শিতাংশু শেখরের সঙ্গে তার অনেক দিনের পরিচয়। জহিরুল হক রাজধানীর গুলশানের ১৫ নম্বর সড়কের ৭ নম্বর বাসার বি-২ ফ্ল্যাটে থাকেন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে ব্যবসায়ীক কোনো বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিলো। এজন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে পুলিশের ধারণা।

শিতাংশা শেখর বিশ্বাস বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ে উপ পরিচালক (অপারেশন) পদে রয়েছেন।

এবিষয়ে বিআরটিএর সচিব মো. শওকত আলী জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হত্যাকারীদের গ্রেফতারের জন্য গুলশান থানা ও মহানগর গোয়েন্দ পুলিশকে (ডিবি) ঘটনাটি জানিয়েছেন।

এদিকে হত্যার তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল ইসলাম।

তিনি জানান, নিহতের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।