অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

নির্জীব সংসদ হঠাৎ উত্তপ্ত

ঢাকা: রাস্তাঘাট সংস্কার-বিষয়ক প্রকল্পের টাকা ছাড় নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার হঠাৎ করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ‘নির্জীব’ সংসদ। মাগরিবের নামাজের আগে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী এই প্রকল্পের টাকা ছাড় হয়েছে বলে বক্তব্য দিলে প্রায় সব সাংসদ এর প্রতিবাদ করেন।

এ নিয়ে মাগরিবের নামাজের পরও সংসদ বেশ সরগরম ছিল। শেষে অর্থমন্ত্রী কিছুটা নমনীয় হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

প্রশ্নোত্তর পর্বে মঙ্গলবার পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পক্ষে অর্থমন্ত্রী জবাব দিচ্ছিলেন। নারায়ণগঞ্জের সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমানের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এই উত্তাপ শুরু হয়। ক্ষমতাসীন দলের এই সাংসদ অভিযোগ করেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কারের ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তাঁর এই বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ওই টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে।

তখন সাংসদেরা চিৎকার করে বলতে থাকেন, তাঁরা টাকা পাননি। কিন্তু তখনো অর্থমন্ত্রী বলেন, ওই টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, তাঁর এলাকায় এই টাকায় কাজও শুরু হয়েছে। এ পর্যায়ে সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, অর্থমন্ত্রী বলেছেন এই টাকা দেওয়া হয়েছে। আসলে দেওয়া হয়নি। আবারও অর্থমন্ত্রী বলেন, ওই টাকা বাজেটে দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে। এ সময় পাশেই বসা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থমন্ত্রীকে কিছু একটা বলছিলেন। তখন অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘না না না, প্রধানমন্ত্রী; স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চিঠিও দিয়েছে কীভাবে এ প্রকল্প করা হবে…’

এ অবস্থায় মাগরিবের নামাজের বিরতি হয়। এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, তিনি সুনির্দিষ্ট জায়গায় কথা বলেছেন। আসলে কেউ টাকা পায়নি। উনি (অর্থমন্ত্রী) নিজেও পাননি। উনি যদি পেয়েছেন বলে থাকেন, তাহলে সেটি সঠিক নয়। উনি হয়তো আগের ১৫ কোটি টাকা পেয়েছেন। এর পর অর্থমন্ত্রী আবার বলেন, ‘আমি বাজেটে বরাদ্দ দিয়েছি। এখন আর আমার করার কিছু নেই।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

নির্জীব সংসদ হঠাৎ উত্তপ্ত

আপডেট টাইম : ০৩:৩৫:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০১৫

ঢাকা: রাস্তাঘাট সংস্কার-বিষয়ক প্রকল্পের টাকা ছাড় নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার হঠাৎ করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ‘নির্জীব’ সংসদ। মাগরিবের নামাজের আগে প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী এই প্রকল্পের টাকা ছাড় হয়েছে বলে বক্তব্য দিলে প্রায় সব সাংসদ এর প্রতিবাদ করেন।

এ নিয়ে মাগরিবের নামাজের পরও সংসদ বেশ সরগরম ছিল। শেষে অর্থমন্ত্রী কিছুটা নমনীয় হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

প্রশ্নোত্তর পর্বে মঙ্গলবার পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের পক্ষে অর্থমন্ত্রী জবাব দিচ্ছিলেন। নারায়ণগঞ্জের সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমানের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এই উত্তাপ শুরু হয়। ক্ষমতাসীন দলের এই সাংসদ অভিযোগ করেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কারের ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তাঁর এই বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ওই টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে।

তখন সাংসদেরা চিৎকার করে বলতে থাকেন, তাঁরা টাকা পাননি। কিন্তু তখনো অর্থমন্ত্রী বলেন, ওই টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, তাঁর এলাকায় এই টাকায় কাজও শুরু হয়েছে। এ পর্যায়ে সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, অর্থমন্ত্রী বলেছেন এই টাকা দেওয়া হয়েছে। আসলে দেওয়া হয়নি। আবারও অর্থমন্ত্রী বলেন, ওই টাকা বাজেটে দেওয়া হয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে। এ সময় পাশেই বসা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থমন্ত্রীকে কিছু একটা বলছিলেন। তখন অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘না না না, প্রধানমন্ত্রী; স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চিঠিও দিয়েছে কীভাবে এ প্রকল্প করা হবে…’

এ অবস্থায় মাগরিবের নামাজের বিরতি হয়। এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, তিনি সুনির্দিষ্ট জায়গায় কথা বলেছেন। আসলে কেউ টাকা পায়নি। উনি (অর্থমন্ত্রী) নিজেও পাননি। উনি যদি পেয়েছেন বলে থাকেন, তাহলে সেটি সঠিক নয়। উনি হয়তো আগের ১৫ কোটি টাকা পেয়েছেন। এর পর অর্থমন্ত্রী আবার বলেন, ‘আমি বাজেটে বরাদ্দ দিয়েছি। এখন আর আমার করার কিছু নেই।