অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

অবশিষ্ট বিহারিদের দায়দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের -পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ঢাকা : বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার পাকিসস্তানি নাগরিককে ফিরিয়ে নিয়েছে সে দেশের সরকার। বাংলাদেশে আর যেসব অবাঙালি রয়ে গেছেন, তাদের দায়দায়িত্ব এখন বাংলাদেশ সরকারের ওপর। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টকে এ কথাই জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর আটকা পড়া পাকিস্তানি নাগরিকদের সে দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানিজ জেনারেল রিপ্যাট্রিয়েশন কমিটির একটি পিটিশনের শুনানিকালে এ তথ্য জানায় পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ খবর দিয়েছে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

পাকিস্তানের শীর্ষ আদালতে দাখিল করা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখনও চার থেকে পাঁচ লাখ বিহারি বসবাস করে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিহারিদের প্রত্যাবর্তন নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। বহু বিহারি নিজেরাই পাকিস্তানে ফিরে যেতে চায় না। ১৯৭৪ সালের ৯ই এপ্রিল আটকে পড়া পাকিস্তানি নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। এরপর থেকে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি বিহারিকে পাকিস্তানে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। ২০০৩ সালের মে থেকে ২০০৮ সালের মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে বিভিন্ন রায়ের কপি সংযুক্ত করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। সেখানে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত বিহারিদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। তারা বাংলাদেশের নির্বাচনে ভোটও দিতে পারেন। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ও ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে বহু সংখ্যক বিহারি নিজেদের ভোট প্রদান করেছেন। এদের অনেকে আবার বাংলাদেশি পাসপোর্টও পেয়েছেন। তাই তাদের দায়দায়িত্ব এখন বাংলাদেশ সরকারের।

Tag :

মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে

অবশিষ্ট বিহারিদের দায়দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের -পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আপডেট টাইম : ০৪:০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০১৫

ঢাকা : বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার পাকিসস্তানি নাগরিককে ফিরিয়ে নিয়েছে সে দেশের সরকার। বাংলাদেশে আর যেসব অবাঙালি রয়ে গেছেন, তাদের দায়দায়িত্ব এখন বাংলাদেশ সরকারের ওপর। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টকে এ কথাই জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর আটকা পড়া পাকিস্তানি নাগরিকদের সে দেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানিজ জেনারেল রিপ্যাট্রিয়েশন কমিটির একটি পিটিশনের শুনানিকালে এ তথ্য জানায় পাক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ খবর দিয়েছে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

পাকিস্তানের শীর্ষ আদালতে দাখিল করা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখনও চার থেকে পাঁচ লাখ বিহারি বসবাস করে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিহারিদের প্রত্যাবর্তন নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। বহু বিহারি নিজেরাই পাকিস্তানে ফিরে যেতে চায় না। ১৯৭৪ সালের ৯ই এপ্রিল আটকে পড়া পাকিস্তানি নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। এরপর থেকে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি বিহারিকে পাকিস্তানে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। ২০০৩ সালের মে থেকে ২০০৮ সালের মে মাস পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে বিভিন্ন রায়ের কপি সংযুক্ত করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। সেখানে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত বিহারিদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন। তারা বাংলাদেশের নির্বাচনে ভোটও দিতে পারেন। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে ও ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে বহু সংখ্যক বিহারি নিজেদের ভোট প্রদান করেছেন। এদের অনেকে আবার বাংলাদেশি পাসপোর্টও পেয়েছেন। তাই তাদের দায়দায়িত্ব এখন বাংলাদেশ সরকারের।