অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

তৃতীয়বার পেছালো জাতীয় প্রেস ক্লাব নির্বাচন

ঢাকা: তৃতীয়বারের মতো পেছালো জাতীয় প্রেস ক্লাবের নির্বাচন।নির্বাচনের সবশেষ তারিখ ছিল ১৮ এপ্রিল। এটি এখন হবে ১৮ মে।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রেস ক্লাবের নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে। কিন্তু বিএনপিপন্থী ও আওয়ামীপন্থী ফোরামের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়ায় সেটি হতে পারেনি। পরে দুই ফোরামের নেতারা বৈঠক করে একটা সমঝোতায় পৌঁছেন। সেই সমঝোতা অনুযায়ী নির্বাচন তিন মাস পিছিয়ে দেয়া হয়। নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয় ৩১ মার্চ।

একই সঙ্গে প্রেস ক্লাবের নির্বাচন এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের লক্ষে দুই ফোরামের ১০ জন নেতাকে নিয়ে একটি সুপার কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির সদস্যরা হলেন বিএনপি ফোরাম থেকে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, খন্দকার মনিরুল আলম, রুহুল আমিন গাজী, শওকত মাহমুদ ও এম এ আজিজ। আওয়ামী ফোরামের পাঁচ জন হলেন- ইকবাল সোবহান চৌধুরী, গোলাম সারোয়ার, হাসান শাহরিয়ার, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল ও কুদ্দুস আফ্রাদ।

নির্বাচনের তারিখ পেছানো ও সুপার কমিটিকে বৈধতা দিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের একটি অতিরিক্ত সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কিন্তু তিন মাসেও ভোটার তালিকা সংশোধনের বিষয়ে এই সুপার কমিটি তেমন একটা কিছু করতে পারেনি। পরে আওয়ামী ফোরামের পক্ষ থেকে সমঝোতার মাধ্যমে জাতীয় প্রেস ক্লাবের নির্বাহী কমিটি গঠনের একটি প্রস্তাব দেয়া হয়। এরপর সুপার কমিটি এবং নিজ নিজ ফোরামের নেতারা আলাদা বেশ কয়েকটি বৈঠকের মাধ্যমে সমঝোতার একটি ফর্মুলা বের করেন। দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়- জাতীয় প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির ১৭টি পদের মধ্যে ১০টি পাবে বিএনপি ফোরাম। বাকি সাতটি পদ যাবে আওয়ামী ফোরামে। সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, ২ নং যুগ্ম সম্পাদক ও চারটি সদস্যপদ পাবে আওয়ামী ফোরাম। বাকি ১০টি পদ সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, ১ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক ও ছয়টি সদস্যপদ পাবে বিএনপি ফোরাম।

এই প্রক্রিয়ায় যেতে সময়ের প্রয়োজনে ৩১ মার্চ নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে ১৮ এপ্রিল করা হয়। দুই ফোরামের নেতারা নিজ নিজ ফোরামে বৈঠকের মাধ্যমে তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। আওয়ামী ফোরাম তাদের সাত জনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে। এরা হলেন: সভাপতি গোলাম সারোয়ার, সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুর রহমান, ২ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন এবং চার সদস্য- হাসান শাহরিয়ার, স্বপন সাহা, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল ও সাইফুল আলম।

বিএনপি ফোরাম তাদের ১০ জনের তালিকা চূড়ান্ত করতে ম্যারাথন বৈঠক করতে থাকে। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত তারা তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে পারেননি। বুধবারও সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বৈঠক করে তারা প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে ব্যর্থ হয়।

পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বুধবার বিকাল চারটায় সুপার কমিটির ১০ জন প্রেস ক্লাবের রেড জোনে বৈঠকে বসেন। সেখানে নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে ১৮ মে নির্ধারণ করা হয়।

জানা যায়, এই তারিখটি আর পরিবর্তন হবে না।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

তৃতীয়বার পেছালো জাতীয় প্রেস ক্লাব নির্বাচন

আপডেট টাইম : ০৩:৩৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০১৫

ঢাকা: তৃতীয়বারের মতো পেছালো জাতীয় প্রেস ক্লাবের নির্বাচন।নির্বাচনের সবশেষ তারিখ ছিল ১৮ এপ্রিল। এটি এখন হবে ১৮ মে।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রেস ক্লাবের নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে। কিন্তু বিএনপিপন্থী ও আওয়ামীপন্থী ফোরামের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়ায় সেটি হতে পারেনি। পরে দুই ফোরামের নেতারা বৈঠক করে একটা সমঝোতায় পৌঁছেন। সেই সমঝোতা অনুযায়ী নির্বাচন তিন মাস পিছিয়ে দেয়া হয়। নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয় ৩১ মার্চ।

একই সঙ্গে প্রেস ক্লাবের নির্বাচন এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের লক্ষে দুই ফোরামের ১০ জন নেতাকে নিয়ে একটি সুপার কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির সদস্যরা হলেন বিএনপি ফোরাম থেকে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, খন্দকার মনিরুল আলম, রুহুল আমিন গাজী, শওকত মাহমুদ ও এম এ আজিজ। আওয়ামী ফোরামের পাঁচ জন হলেন- ইকবাল সোবহান চৌধুরী, গোলাম সারোয়ার, হাসান শাহরিয়ার, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল ও কুদ্দুস আফ্রাদ।

নির্বাচনের তারিখ পেছানো ও সুপার কমিটিকে বৈধতা দিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের একটি অতিরিক্ত সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কিন্তু তিন মাসেও ভোটার তালিকা সংশোধনের বিষয়ে এই সুপার কমিটি তেমন একটা কিছু করতে পারেনি। পরে আওয়ামী ফোরামের পক্ষ থেকে সমঝোতার মাধ্যমে জাতীয় প্রেস ক্লাবের নির্বাহী কমিটি গঠনের একটি প্রস্তাব দেয়া হয়। এরপর সুপার কমিটি এবং নিজ নিজ ফোরামের নেতারা আলাদা বেশ কয়েকটি বৈঠকের মাধ্যমে সমঝোতার একটি ফর্মুলা বের করেন। দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়- জাতীয় প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির ১৭টি পদের মধ্যে ১০টি পাবে বিএনপি ফোরাম। বাকি সাতটি পদ যাবে আওয়ামী ফোরামে। সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, ২ নং যুগ্ম সম্পাদক ও চারটি সদস্যপদ পাবে আওয়ামী ফোরাম। বাকি ১০টি পদ সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, ১ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক ও ছয়টি সদস্যপদ পাবে বিএনপি ফোরাম।

এই প্রক্রিয়ায় যেতে সময়ের প্রয়োজনে ৩১ মার্চ নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে ১৮ এপ্রিল করা হয়। দুই ফোরামের নেতারা নিজ নিজ ফোরামে বৈঠকের মাধ্যমে তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। আওয়ামী ফোরাম তাদের সাত জনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে। এরা হলেন: সভাপতি গোলাম সারোয়ার, সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুর রহমান, ২ নম্বর যুগ্ম সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন এবং চার সদস্য- হাসান শাহরিয়ার, স্বপন সাহা, মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল ও সাইফুল আলম।

বিএনপি ফোরাম তাদের ১০ জনের তালিকা চূড়ান্ত করতে ম্যারাথন বৈঠক করতে থাকে। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত তারা তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে পারেননি। বুধবারও সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বৈঠক করে তারা প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে ব্যর্থ হয়।

পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বুধবার বিকাল চারটায় সুপার কমিটির ১০ জন প্রেস ক্লাবের রেড জোনে বৈঠকে বসেন। সেখানে নির্বাচনের তারিখ পিছিয়ে ১৮ মে নির্ধারণ করা হয়।

জানা যায়, এই তারিখটি আর পরিবর্তন হবে না।