অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল

নাম পাল্টাচ্ছে দিল্লির?

ডেস্ক : এবার ভারতের রাজধানী দিল্লির নাম পাল্টানোর উদ্যোগ নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তাদের দাবি নাম পাল্টালে নাকি ‘ইউনেস্কো হেরিটেজ সিটি’ তকমা পেতে সুবিধে হবে নয়াদিল্লির। ইউনেস্কোর খেতাবের আশায় রাতারাতি শহরের নাম পাল্টে ফেলা যায় কিনা, এই নিয়ে এখন ভারতে চলছে নানা বিতর্ক ঝড়।

ভারতে শহরের নাম পাল্টানোর রীতি নতুন নয়। এর আগে নব্বই দশকে বোম্বে শহরের নাম পাল্টে রাখা হয় মুম্বাই। পরবর্তীতে মাদ্রাজ হয়েছে চেন্নাই, ব্যাঙ্গালোর থেকে বেঙ্গালুর“।

জানা গেছে, নয়াদিল্লিকে ‘ইম্পেরিয়াল সিটি অব দিল্লি’ ও পুরনো দিল্লিকে ‘ইম্পেরিয়াল সিটি অব শাহজাহানাবাদ’ নাম দিতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। ইউনেস্কোর দপ্তরে হেরিটেজ তকমা পেতে যে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে তাতে রাজধানীর দুই এলাকার জন্য ওই দুটি নামের উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী মাসে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি দল আসার আগেই তাই তড়িঘড়ি শহরের নাম পাল্টাতে উদ্যোগী হয়েছে মোদি সরকার। তবে নাম পাল্টালেই হেরিটেজ তকমা মিলবে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান বিশেষজ্ঞরা।

ইউনেস্কো-তকমা পাওয়ার জন্য বহু কড়া নিয়মকানুন রয়েছে। তাই শুধু নাম বদলে কোনও কাজই হবে না। দিল্লির নানা ঐতিহ্যমন্তি এলাকারই ঠিক মতো রক্ষণাবেক্ষণ হয় না বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন ব্রিটিশ স্থপতি এডওয়ার্ড ল্যুটিয়েন্সের বানানো নয়াদিল্লির কেন্দ্রস্থলের একটা বড় অংশই এখন বহুতলের নিচে পড়ে গেছে। আবার পুরান দিল্লির বহু প্রাচীন সৌধই ভগ্নপ্রায়, সেগুলোর কোনও দেখাশোনাই হয় না। ফলে শুধু নাম পাল্টালেই যে রোম বা হাভানার মতো ‘ইউনেস্কো হেরিটেজ সিটি’র তকমা মিলবে, তা মনে করেন না অধিকাংশ বিশেষজ্ঞই। তাই মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেরই মত, এ ক্ষেত্রে অনেকটা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কায়দায় কাজ করেছেন মোদি। অনেক সময়েই রাস্তা, স্টেশনের নাম এককথায় বদলে দিয়েছেন মমতা। রাজধানীর নাম বদলের উদ্যোগও অনেকটা তেমনই। তাই দেশের বেশ কিছু মানুষ নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেছেন, যাতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পথ অনুসরণ না করেন নরেন্দ্র মোদি।

Tag :

নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

নাম পাল্টাচ্ছে দিল্লির?

আপডেট টাইম : ০৩:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০১৫

ডেস্ক : এবার ভারতের রাজধানী দিল্লির নাম পাল্টানোর উদ্যোগ নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকার। তাদের দাবি নাম পাল্টালে নাকি ‘ইউনেস্কো হেরিটেজ সিটি’ তকমা পেতে সুবিধে হবে নয়াদিল্লির। ইউনেস্কোর খেতাবের আশায় রাতারাতি শহরের নাম পাল্টে ফেলা যায় কিনা, এই নিয়ে এখন ভারতে চলছে নানা বিতর্ক ঝড়।

ভারতে শহরের নাম পাল্টানোর রীতি নতুন নয়। এর আগে নব্বই দশকে বোম্বে শহরের নাম পাল্টে রাখা হয় মুম্বাই। পরবর্তীতে মাদ্রাজ হয়েছে চেন্নাই, ব্যাঙ্গালোর থেকে বেঙ্গালুর“।

জানা গেছে, নয়াদিল্লিকে ‘ইম্পেরিয়াল সিটি অব দিল্লি’ ও পুরনো দিল্লিকে ‘ইম্পেরিয়াল সিটি অব শাহজাহানাবাদ’ নাম দিতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। ইউনেস্কোর দপ্তরে হেরিটেজ তকমা পেতে যে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে তাতে রাজধানীর দুই এলাকার জন্য ওই দুটি নামের উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী মাসে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি দল আসার আগেই তাই তড়িঘড়ি শহরের নাম পাল্টাতে উদ্যোগী হয়েছে মোদি সরকার। তবে নাম পাল্টালেই হেরিটেজ তকমা মিলবে কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান বিশেষজ্ঞরা।

ইউনেস্কো-তকমা পাওয়ার জন্য বহু কড়া নিয়মকানুন রয়েছে। তাই শুধু নাম বদলে কোনও কাজই হবে না। দিল্লির নানা ঐতিহ্যমন্তি এলাকারই ঠিক মতো রক্ষণাবেক্ষণ হয় না বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন ব্রিটিশ স্থপতি এডওয়ার্ড ল্যুটিয়েন্সের বানানো নয়াদিল্লির কেন্দ্রস্থলের একটা বড় অংশই এখন বহুতলের নিচে পড়ে গেছে। আবার পুরান দিল্লির বহু প্রাচীন সৌধই ভগ্নপ্রায়, সেগুলোর কোনও দেখাশোনাই হয় না। ফলে শুধু নাম পাল্টালেই যে রোম বা হাভানার মতো ‘ইউনেস্কো হেরিটেজ সিটি’র তকমা মিলবে, তা মনে করেন না অধিকাংশ বিশেষজ্ঞই। তাই মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেরই মত, এ ক্ষেত্রে অনেকটা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কায়দায় কাজ করেছেন মোদি। অনেক সময়েই রাস্তা, স্টেশনের নাম এককথায় বদলে দিয়েছেন মমতা। রাজধানীর নাম বদলের উদ্যোগও অনেকটা তেমনই। তাই দেশের বেশ কিছু মানুষ নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেছেন, যাতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পথ অনুসরণ না করেন নরেন্দ্র মোদি।