পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর ২৯ টি ফ্ল্যাট! রাজধানীজুড়ে সম্পদের পাহাড় Logo গণপূর্তের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বদরুলের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ Logo পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযান,৪ ভারতীয় গরু আটক Logo জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ Logo রূপগঞ্জে ভূমিদস্যুতা বন্ধ ও খাল উদ্ধারে ১০ গ্রামের সভা ও ঝাড়ু মিছিল Logo পুলিশের ইউনিফর্ম পরে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে গিয়ে বিআরটিএ’তে যুবক আটক Logo পাটগ্রামে দবীর উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ১০ রোগীকে আর্থিক সহায়তা Logo চলন্ত ট্রেনে নারী ধর্ষণের ঘটনায় তোলপাড়, চার পুলিশ প্রত্যাহার Logo ৪ মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব নিয়োগ Logo লালমনিরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

এক মাসের মধ্যে সব জেলায় এমআরপি কার্যক্রম শুরু

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_2e894bed054cdb4602894a4668d6086e_88059_1আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের সব জেলায় যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (এমআরপি) তৈরির কাজ শুরু হবে। রবিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটির বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী ও নওগাঁয় আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয় কাজ শুরু করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্থাপিত নথিতে জানানো হয়েছে, দেশে ২০১০ সাল থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে এমআরপি তৈরির কাজ শুরু হয়। বর্তমানে দেশের ৩১টি জেলায় ৩৪টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এবং বিদেশে বাংলাদেশের ৪৮টি দূতাবাসে এমআরপি তৈরির কাজ চালু রয়েছে। বাকি ৩১ জেলাতে এক মাসের মধ্যে এমআরপি তৈরি ও বিতরণের কাজ শুরু হবে।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের হয়রানির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তখন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, এক মাসের মধ্যে দেশের সব জেলায় এমআরপি তৈরির কাজ শুরু হবে। এতে সাধারণ মানুষের হয়রানি অনেকাংশে কমবে বলে কমিটি মনে করে।
সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়, বৈঠকে নবম সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নবম সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ৫৪টি প্রতিশ্রুতির মধ্যে ২৬টি বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকিগুলো বাস্তবায়নাধীন।
আরো জানানো হয়, নবম সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি উপজেলায় একটি করে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই আলোকে এখন পর্যন্ত ৪৯৬টি উপজেলার মধ্যে ২৭৩টিতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন চালু হয়েছে। এই সরকারের মেয়াদে বাকিগুলোতেও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হবে। বৈঠকে প্রতিশ্রুতি কমিটি নৌ পথে যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তার জন্য পদ্মার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশে নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের সুপারিশ করেছে।
কমিটির সভাপতি কাজী কেরামত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার, এ কে এম শাহজাহান কামাল, আবদুল মজিদ খান, মীর মোস্তাক আহমেদ প্রমুখ অংশ নেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ের সাব রেজিস্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর ২৯ টি ফ্ল্যাট! রাজধানীজুড়ে সম্পদের পাহাড়

এক মাসের মধ্যে সব জেলায় এমআরপি কার্যক্রম শুরু

আপডেট টাইম : ০৩:৩০:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম: 500x350_2e894bed054cdb4602894a4668d6086e_88059_1আগামী এক মাসের মধ্যে দেশের সব জেলায় যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (এমআরপি) তৈরির কাজ শুরু হবে। রবিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটির বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় মাদারীপুর, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী ও নওগাঁয় আঞ্চলিক পাসপোর্ট কার্যালয় কাজ শুরু করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্থাপিত নথিতে জানানো হয়েছে, দেশে ২০১০ সাল থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে এমআরপি তৈরির কাজ শুরু হয়। বর্তমানে দেশের ৩১টি জেলায় ৩৪টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস এবং বিদেশে বাংলাদেশের ৪৮টি দূতাবাসে এমআরপি তৈরির কাজ চালু রয়েছে। বাকি ৩১ জেলাতে এক মাসের মধ্যে এমআরপি তৈরি ও বিতরণের কাজ শুরু হবে।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের হয়রানির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তখন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, এক মাসের মধ্যে দেশের সব জেলায় এমআরপি তৈরির কাজ শুরু হবে। এতে সাধারণ মানুষের হয়রানি অনেকাংশে কমবে বলে কমিটি মনে করে।
সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়, বৈঠকে নবম সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নবম সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ৫৪টি প্রতিশ্রুতির মধ্যে ২৬টি বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকিগুলো বাস্তবায়নাধীন।
আরো জানানো হয়, নবম সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি উপজেলায় একটি করে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই আলোকে এখন পর্যন্ত ৪৯৬টি উপজেলার মধ্যে ২৭৩টিতে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন চালু হয়েছে। এই সরকারের মেয়াদে বাকিগুলোতেও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হবে। বৈঠকে প্রতিশ্রুতি কমিটি নৌ পথে যাত্রীদের জানমালের নিরাপত্তার জন্য পদ্মার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশে নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের সুপারিশ করেছে।
কমিটির সভাপতি কাজী কেরামত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার, এ কে এম শাহজাহান কামাল, আবদুল মজিদ খান, মীর মোস্তাক আহমেদ প্রমুখ অংশ নেন।