অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

৩৬ সন্তানের জনকের চতুর্থ বিয়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার

পাকিস্তানে জঙ্গিদের গোপন আস্তানা গুড়িয়ে দিতে চালানো দেশের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে ৩৬ সন্তানের জনকের চতুর্থ বিয়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। উত্তর ওয়াজিরিস্তানে অবস্থিত তালেবান ও অন্যান্য জঙ্গিদের দীর্ঘদিনের শক্তিশালী ঘাঁটি গুড়িয়ে দিতে সামরিক বাহিনীর অভিযান শুরুর পর থেকেই ওই অঞ্চলের হাজার হাজার লোকের সাথে ৩৬ সন্তানের পিতা গুলজার খানকেও এখানে সেখানে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।
স্ত্রী, সন্তান এবং নাতি-নাতনিসহ প্রায় একশ’ সদস্য নিয়ে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের শাওয়া গ্রামে ৩৫ কক্ষের একটি বাড়িতে বসবাস করলেও সামরিক অভিযানের কবল থেকে বাঁচতে তাকে ওই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হয়। ৫৪ বছর বয়সী লোকটি অভিযোগ করে বলেন, তার পরিবারের সদস্যদের নতুন আশ্রয়ের খরচ যোগাতেই তার চতুর্থ বিয়ের জন্য জমানো অর্থ খরচ হয়ে যায়। তিনি এএফপিকে বলেন, ‘আমার জমানো এসব অর্থ আমার পরিবারের সদস্যদের শাওয়া থেকে বান্নুতে নিয়ে যেতে ব্যয় হয়ে গেছে। ফলে এখন আমি আবারো অর্থ জমানো শুরু করেছি এবং এ সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।’
ইসলামি বিধান অনুযায়ী একজন পুরুষের সর্বোচ্চ চার স্ত্রী রাখার অনুমতি রয়েছে। পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের রক্ষণশীলদের অনেক পরিবারই এ বিধান মেনে চলার পক্ষে। খান বলেন, প্রত্যেক স্ত্রী ১২টি করে শিশু জন্ম দেয়ার পর তার স্ত্রীরা তাকে বলেন যথেষ্ট হয়েছে, আর না। খান বলেন, ‘আমি চতুর্থ বিয়ের পরিকল্পনা করছি কারণ এখন আমার স্ত্রীরা আমাকে বর্জন করে বলেছে তারা আর কোন সন্তান চায় না।’
‘স্ত্রীরা আমাকে তাদের কাছে যাওয়ার সুযোগ না দেয়ায় আমি ইসলামের বিধান অনুযায়ী চতুর্থ বিয়ে করতে চাই।’ উল্লেখ্য, খানের বয়স যখন মাত্র ১৭ বছর তখন তিনি শাওয়ায় মাত্র ১৪ বছর বয়সী তার এক জ্ঞাতি বোনকে বিয়ে করেন। ওই পক্ষে তাদের আট কন্যা ও চার পুত্র সন্তান থাকলেও আট বছর পর মাত্র ১৭ বছর বয়সের এক উপজাতীয় মেয়েকে বিয়ে করেন। পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় বান্নু শহরে ১৭ কক্ষের বাড়িতে খান বলেন, এতেও ‘আমি সন্তুষ্ট না থেকে তৃতীয় বিয়ে করি।’
উল্লেখ্য, খান ১৯৭৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত দুবাইতে ট্যাক্স্যি চালান।

Tag :
লেখক সম্পর্কে

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

৩৬ সন্তানের জনকের চতুর্থ বিয়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার

আপডেট টাইম : ০৭:২২:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০১৪

পাকিস্তানে জঙ্গিদের গোপন আস্তানা গুড়িয়ে দিতে চালানো দেশের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে ৩৬ সন্তানের জনকের চতুর্থ বিয়ের স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। উত্তর ওয়াজিরিস্তানে অবস্থিত তালেবান ও অন্যান্য জঙ্গিদের দীর্ঘদিনের শক্তিশালী ঘাঁটি গুড়িয়ে দিতে সামরিক বাহিনীর অভিযান শুরুর পর থেকেই ওই অঞ্চলের হাজার হাজার লোকের সাথে ৩৬ সন্তানের পিতা গুলজার খানকেও এখানে সেখানে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।
স্ত্রী, সন্তান এবং নাতি-নাতনিসহ প্রায় একশ’ সদস্য নিয়ে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের শাওয়া গ্রামে ৩৫ কক্ষের একটি বাড়িতে বসবাস করলেও সামরিক অভিযানের কবল থেকে বাঁচতে তাকে ওই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হয়। ৫৪ বছর বয়সী লোকটি অভিযোগ করে বলেন, তার পরিবারের সদস্যদের নতুন আশ্রয়ের খরচ যোগাতেই তার চতুর্থ বিয়ের জন্য জমানো অর্থ খরচ হয়ে যায়। তিনি এএফপিকে বলেন, ‘আমার জমানো এসব অর্থ আমার পরিবারের সদস্যদের শাওয়া থেকে বান্নুতে নিয়ে যেতে ব্যয় হয়ে গেছে। ফলে এখন আমি আবারো অর্থ জমানো শুরু করেছি এবং এ সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছি।’
ইসলামি বিধান অনুযায়ী একজন পুরুষের সর্বোচ্চ চার স্ত্রী রাখার অনুমতি রয়েছে। পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের রক্ষণশীলদের অনেক পরিবারই এ বিধান মেনে চলার পক্ষে। খান বলেন, প্রত্যেক স্ত্রী ১২টি করে শিশু জন্ম দেয়ার পর তার স্ত্রীরা তাকে বলেন যথেষ্ট হয়েছে, আর না। খান বলেন, ‘আমি চতুর্থ বিয়ের পরিকল্পনা করছি কারণ এখন আমার স্ত্রীরা আমাকে বর্জন করে বলেছে তারা আর কোন সন্তান চায় না।’
‘স্ত্রীরা আমাকে তাদের কাছে যাওয়ার সুযোগ না দেয়ায় আমি ইসলামের বিধান অনুযায়ী চতুর্থ বিয়ে করতে চাই।’ উল্লেখ্য, খানের বয়স যখন মাত্র ১৭ বছর তখন তিনি শাওয়ায় মাত্র ১৪ বছর বয়সী তার এক জ্ঞাতি বোনকে বিয়ে করেন। ওই পক্ষে তাদের আট কন্যা ও চার পুত্র সন্তান থাকলেও আট বছর পর মাত্র ১৭ বছর বয়সের এক উপজাতীয় মেয়েকে বিয়ে করেন। পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় বান্নু শহরে ১৭ কক্ষের বাড়িতে খান বলেন, এতেও ‘আমি সন্তুষ্ট না থেকে তৃতীয় বিয়ে করি।’
উল্লেখ্য, খান ১৯৭৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত দুবাইতে ট্যাক্স্যি চালান।