পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

চবি ‘কালের কণ্ঠের’ প্রতিনিধিকে কলেজ ছাত্রলীগের মারধর

চবি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দৈনিক কালের কণ্ঠের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো. শাখাওয়াত হোসেনকে মারধর করেছে ছাত্রলীগের কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শাখাওয়াত হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা যায়, দুপুর আড়াইটায় দু‘গ্রুপের মধ্যকার সংঘর্ষের প্রতিবাদে চবি ছাত্রলীগের ক্যাম্পাস ভিত্তিক গ্রুপ ‘বাংলার মুখ’ এর কর্মীরা বিকেল চারটার ক্যাম্পাস থেকে শহরগামী শাটল ট্রেনটি আটকে দেয় ও ট্রেনের লোকো মাস্টারকে মারধর করে। ঐ ঘটনার ছবি তুলতে গেলে তারা সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসেনকে মারধর ও তার মোবাইল ভাংচুর করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে শাখাওয়াত হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া ও লোকো মাস্টারকে মারধরের ঘটনার ছবি তুলতে গেলে বাংলার মুখের ছেলেরা আমাকে মারধর করে এবং আমার মোবাইলটি কেড়ে নিয়ে ভাংচুর করে।” হামলাকারীরা সবাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থী বলেও জানান তিনি।

জানা যায়, ছাত্রলীগের ক্যাম্পাস ভিত্তিক গ্রুপ ‘বাংলার মুখ’ নিয়ন্ত্রণ করে বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরী এবং বগি ভিত্তিক গ্রুপ ‘সিক্সটি নাইন’ নিয়ন্ত্রণ করে বিলুপ্ত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর টিপু। দুই গ্রুপই নবনির্বাচিত মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী।

উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলস্টেশন এলাকায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয় ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক সংগঠন ‘সিক্সটি নাইন’ ও ক্যাম্পাস ছাত্রলীগ ‘বাংলার মুখ’ এর নেতা-কর্মীরা। সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল খায়ের সহ দুই গ্রুপের প্রায় ১০জন নেতা-কর্মী আহত হয়।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

চবি ‘কালের কণ্ঠের’ প্রতিনিধিকে কলেজ ছাত্রলীগের মারধর

আপডেট টাইম : ০২:৫৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০১৫

চবি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দৈনিক কালের কণ্ঠের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি মো. শাখাওয়াত হোসেনকে মারধর করেছে ছাত্রলীগের কর্মীরা।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শাখাওয়াত হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা যায়, দুপুর আড়াইটায় দু‘গ্রুপের মধ্যকার সংঘর্ষের প্রতিবাদে চবি ছাত্রলীগের ক্যাম্পাস ভিত্তিক গ্রুপ ‘বাংলার মুখ’ এর কর্মীরা বিকেল চারটার ক্যাম্পাস থেকে শহরগামী শাটল ট্রেনটি আটকে দেয় ও ট্রেনের লোকো মাস্টারকে মারধর করে। ঐ ঘটনার ছবি তুলতে গেলে তারা সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসেনকে মারধর ও তার মোবাইল ভাংচুর করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে শাখাওয়াত হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া ও লোকো মাস্টারকে মারধরের ঘটনার ছবি তুলতে গেলে বাংলার মুখের ছেলেরা আমাকে মারধর করে এবং আমার মোবাইলটি কেড়ে নিয়ে ভাংচুর করে।” হামলাকারীরা সবাই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের শিক্ষার্থী বলেও জানান তিনি।

জানা যায়, ছাত্রলীগের ক্যাম্পাস ভিত্তিক গ্রুপ ‘বাংলার মুখ’ নিয়ন্ত্রণ করে বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরী এবং বগি ভিত্তিক গ্রুপ ‘সিক্সটি নাইন’ নিয়ন্ত্রণ করে বিলুপ্ত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর টিপু। দুই গ্রুপই নবনির্বাচিত মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী।

উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলস্টেশন এলাকায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয় ছাত্রলীগের বগিভিত্তিক সংগঠন ‘সিক্সটি নাইন’ ও ক্যাম্পাস ছাত্রলীগ ‘বাংলার মুখ’ এর নেতা-কর্মীরা। সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবুল খায়ের সহ দুই গ্রুপের প্রায় ১০জন নেতা-কর্মী আহত হয়।