পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

মানবপাচার মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইবুন্যাল হচ্ছে

ঢাকা: সম্প্রতি সমুদ্রপথে মানবপাচারের চিত্র ব্যাপকভাবে উঠে আসার প্রেক্ষাপটে পাচারকারীদের বিচার করার জন্য দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তবে এই ট্রাইব্যুনাল গঠন না হওয়া পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এর বিচার হবে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলছেন, মানব পাচারের ঘটনা বেড়ে যাবার কারণে মামলার সংখ্যাও বাড়বে। সেজন্য আলাদা ট্রাইব্যুনালের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এজন্য ও জনবল চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে এরই মধ্যে প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে।

২০১৩ সালে মানব পাচার সংক্রান্ত যে আইন হয়েছিল সেটিকে কার্যকরী ভাবে প্রয়োগের জন্যই এই ট্রাইব্যুনালের ব্যবস্থা।সে আইনে মানব পাচারকারীদের জন্য ১০ বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। আইনমন্ত্রী বলছেন যতক্ষণ পর্যন্ত আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচার চলবে।

২০১৩ সালে মানব পাচার সংক্রান্ত যে আইন হয়েছে সেখানে পাচারকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু সেই আইনের প্রয়োগ এতদিন দেখা যায়নি বলে অনেকেই বলছেন। মানব পাচারের ভয়াবহ চিত্র উঠে আসার পর এখন সরকার উদ্যোগী হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলছেন সে আইন কার্যকর করার জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে যেখানে শুধু মানব পাচার সংক্রান্ত মামলার বিচার হবে। পুলিশি তদন্তের পর ট্রাইব্যুনাল তার ভিত্তিতে বিচারকার্য পরিচালনা করবে। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিবিসিকে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য ও জনবল চেয়ে এরই মধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাংলাদেশে মানবপাচার ও অভিবাসন আইন নিয়ে কাজ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আসাদুজ্জামান। তিনি বলছেন ট্রাইব্যুনাল হলে বিচারকাজ দ্রুত হবে। তবে এখনও পর্যন্ত মানবপাচারকারীদের শাস্তির ঘটনা খুবই কম।

কিন্তু আইনমন্ত্রী বলছেন, বর্তমানে মানবপাচার সংক্রান্ত যে মামলাগুলো আছে সেগুলো নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তরান্বিত করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলীরা উদ্যোগী হয়েছেন।

তিনি বলেন, মানপাচার সংক্রান্ত ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় মামলার সংখ্যাও বাড়ছে। সেজন্যই আলাদা ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজন। তবে কবে নাগাদ সেটি গঠন করা যাবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু বলেননি আইনমন্ত্রী।

সূত্র: বিবিসি

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

মানবপাচার মামলার বিচারে বিশেষ ট্রাইবুন্যাল হচ্ছে

আপডেট টাইম : ১২:৫৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০১৫

ঢাকা: সম্প্রতি সমুদ্রপথে মানবপাচারের চিত্র ব্যাপকভাবে উঠে আসার প্রেক্ষাপটে পাচারকারীদের বিচার করার জন্য দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তবে এই ট্রাইব্যুনাল গঠন না হওয়া পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এর বিচার হবে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলছেন, মানব পাচারের ঘটনা বেড়ে যাবার কারণে মামলার সংখ্যাও বাড়বে। সেজন্য আলাদা ট্রাইব্যুনালের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এজন্য ও জনবল চেয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে এরই মধ্যে প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে।

২০১৩ সালে মানব পাচার সংক্রান্ত যে আইন হয়েছিল সেটিকে কার্যকরী ভাবে প্রয়োগের জন্যই এই ট্রাইব্যুনালের ব্যবস্থা।সে আইনে মানব পাচারকারীদের জন্য ১০ বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। আইনমন্ত্রী বলছেন যতক্ষণ পর্যন্ত আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচার চলবে।

২০১৩ সালে মানব পাচার সংক্রান্ত যে আইন হয়েছে সেখানে পাচারকারীদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু সেই আইনের প্রয়োগ এতদিন দেখা যায়নি বলে অনেকেই বলছেন। মানব পাচারের ভয়াবহ চিত্র উঠে আসার পর এখন সরকার উদ্যোগী হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলছেন সে আইন কার্যকর করার জন্য ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে যেখানে শুধু মানব পাচার সংক্রান্ত মামলার বিচার হবে। পুলিশি তদন্তের পর ট্রাইব্যুনাল তার ভিত্তিতে বিচারকার্য পরিচালনা করবে। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিবিসিকে জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য ও জনবল চেয়ে এরই মধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাংলাদেশে মানবপাচার ও অভিবাসন আইন নিয়ে কাজ করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আসাদুজ্জামান। তিনি বলছেন ট্রাইব্যুনাল হলে বিচারকাজ দ্রুত হবে। তবে এখনও পর্যন্ত মানবপাচারকারীদের শাস্তির ঘটনা খুবই কম।

কিন্তু আইনমন্ত্রী বলছেন, বর্তমানে মানবপাচার সংক্রান্ত যে মামলাগুলো আছে সেগুলো নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তরান্বিত করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলীরা উদ্যোগী হয়েছেন।

তিনি বলেন, মানপাচার সংক্রান্ত ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় মামলার সংখ্যাও বাড়ছে। সেজন্যই আলাদা ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজন। তবে কবে নাগাদ সেটি গঠন করা যাবে সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কিছু বলেননি আইনমন্ত্রী।

সূত্র: বিবিসি