পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় Logo লালমনিরহাটে নিরাপদ সড়ক গড়ার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo লালমনিরহাট মোগলহাট স্থলবন্দর চালুর সম্ভাবনায়- পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী Logo বুড়িমারীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাজপথে এলাকাবাসী Logo হাতীবান্ধা সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে এস্কাপ সিরাপ ও গাঁজা জব্দ Logo লালমনিরহাটে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু Logo চলন্ত বাসে জন্ম, আজীবন বিনামূল্যে যাতায়াতের উপহার পেল শিশু Logo পাটগ্রাম সীমান্তে প্রায় ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় চুইঝাল জব্দ Logo পাটগ্রামে ট্রাক-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৭ Logo হেলাল হোসেন কবির : সাংবাদিকতা ও কাব্যচর্চার দ্বৈত পরিচয়

‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা হাসিনার চারপাশে’ : কাদের সিদ্দিকী

500x350_caa6345cbf19d0fcb287101225ff25c7_Halim (10)বাংলার খবর২৪.কম: বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘যারা আমার রাজনৈতিক পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছে, সহযোগিতার নামে আজকে তারাই আমার ভগ্নি শেখ হাসিনার চারপাশে অবস্থান নিয়েছে। ভয় হয় আমার ভগ্নি পরিণতি পিতার মতো হয় কি-না!’
তিনি বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দিগন্ত টেলিভশনের ষষ্ঠ বর্ষপূর্তিতে সাময়িক সম্প্রচার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ ও সংহতি সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
‘তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে বাংলাদেশের সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, এই ব্যক্তিই এখন দেশের তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। দিগন্ত টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ আইনের কাছে না গিয়ে গত ১৫ মাস ধরে এই লোকটির দালালি ও চামচামি করেছে। এই জন্যই দিগন্ত টেলিভিশন দীর্ঘ সময়েও মুখ খুলতে পারেনি। বোবা হয়ে রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ইনু ও মতিয়ার মত লোকগুলো যারা বঙ্গবন্ধুর গায়ের চামড়া দিয়ে জুতা বানাতে চেয়েছে, তাকে গালাগালি করে সকাল শুরু করেছে, সেই ইনু-মতিয়ারা আজ আমার বোন হাসিনার সবচেয়ে বড় চামচা।’
‘জননেত্রী হাসিনা আর যাই হোক এটা সবচেয়ে বড় সাফল্য, যে পিতার এতবড় বিরোধীতাকারীদের আজ তিনি সবচেয়ে বড় চামচায় পরিণত করতে পেরেছেন। এজন্য তাকে নোবেল পুরস্কার দেয়া উচিত।’
তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন,‘ সরকার যখন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখন তারা এটা বুঝতে পারে না। আজকে এভাবে গণমাধ্যম বন্ধ করে সরকার বানের স্রোতে আটকাতে পারবে না। এটা উপলব্ধি করতে পারলে অনেক ভুলের মধ্যেও একটা ভাল কাজ তারা করতে পারবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, দিগন্ত টিভিসহ বন্ধ সব গণমাধ্যম খুলে দেয়ার দাবি সরকারের কাছে জানিয়ে কোন লাভ নেই। কারণ, আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র এক সঙ্গে চলে না।
তিনি বলেন, দেশে আইনের শাসন নেই। নির্বাচন ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এসব নিয়ে কেউ যেন কোন ‘টুঁ’ শব্দ করতে না পারে, সেজন্য সম্প্রচার নীতিমালার মাধ্যমে গণমাধ্যমের কন্ঠরোধ ও মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করে বিচার বিভাগকেও নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা হচ্ছে। তাই কেবল দিগন্ত টিভি আন্দোলন করলে হবে না, এ পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণের জন্য চাই জনগণের আন্দোলন।
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফ বলেন, সরকারের কর্মকাণ্ড গণতন্ত্রের পক্ষে নয়। তারা মুখে বলে এক কথা, কাজে করে অন্যরকম। সরকার মনে করছে, এ অবস্থার পরিবর্তন হবে না। কিন্তু এটি তাদের অমুলক চিন্তা। আমরা মনে করি বর্তমান অবস্থা থেকে সরে না আসলে তাদের অধঃপতন অনিবার্য।
দিগন্ত টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সাদেক খান, আলমগীর মহিউদ্দিন, রেজোয়ান সিদ্দিকী, রুহুল আমিন গাজী, শওকত মাহমুদ, এমএ আজিজ, আবদুল হাই শিকদার, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, এম আব্দুল্লাহ, শহিদুল ইসলাম, কামার ফরিদ, কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।

Tag :

পাটগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর মতবিনিময়

‘বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা হাসিনার চারপাশে’ : কাদের সিদ্দিকী

আপডেট টাইম : ০৬:২৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৪

500x350_caa6345cbf19d0fcb287101225ff25c7_Halim (10)বাংলার খবর২৪.কম: বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘যারা আমার রাজনৈতিক পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করেছে, সহযোগিতার নামে আজকে তারাই আমার ভগ্নি শেখ হাসিনার চারপাশে অবস্থান নিয়েছে। ভয় হয় আমার ভগ্নি পরিণতি পিতার মতো হয় কি-না!’
তিনি বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দিগন্ত টেলিভশনের ষষ্ঠ বর্ষপূর্তিতে সাময়িক সম্প্রচার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ ও সংহতি সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
‘তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে বাংলাদেশের সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি হিসেবে আখ্যা দিয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, এই ব্যক্তিই এখন দেশের তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। দিগন্ত টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ আইনের কাছে না গিয়ে গত ১৫ মাস ধরে এই লোকটির দালালি ও চামচামি করেছে। এই জন্যই দিগন্ত টেলিভিশন দীর্ঘ সময়েও মুখ খুলতে পারেনি। বোবা হয়ে রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ইনু ও মতিয়ার মত লোকগুলো যারা বঙ্গবন্ধুর গায়ের চামড়া দিয়ে জুতা বানাতে চেয়েছে, তাকে গালাগালি করে সকাল শুরু করেছে, সেই ইনু-মতিয়ারা আজ আমার বোন হাসিনার সবচেয়ে বড় চামচা।’
‘জননেত্রী হাসিনা আর যাই হোক এটা সবচেয়ে বড় সাফল্য, যে পিতার এতবড় বিরোধীতাকারীদের আজ তিনি সবচেয়ে বড় চামচায় পরিণত করতে পেরেছেন। এজন্য তাকে নোবেল পুরস্কার দেয়া উচিত।’
তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন,‘ সরকার যখন জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখন তারা এটা বুঝতে পারে না। আজকে এভাবে গণমাধ্যম বন্ধ করে সরকার বানের স্রোতে আটকাতে পারবে না। এটা উপলব্ধি করতে পারলে অনেক ভুলের মধ্যেও একটা ভাল কাজ তারা করতে পারবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, দিগন্ত টিভিসহ বন্ধ সব গণমাধ্যম খুলে দেয়ার দাবি সরকারের কাছে জানিয়ে কোন লাভ নেই। কারণ, আওয়ামী লীগ ও গণতন্ত্র এক সঙ্গে চলে না।
তিনি বলেন, দেশে আইনের শাসন নেই। নির্বাচন ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এসব নিয়ে কেউ যেন কোন ‘টুঁ’ শব্দ করতে না পারে, সেজন্য সম্প্রচার নীতিমালার মাধ্যমে গণমাধ্যমের কন্ঠরোধ ও মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিচারপতিদের অভিশংসনের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করে বিচার বিভাগকেও নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা হচ্ছে। তাই কেবল দিগন্ত টিভি আন্দোলন করলে হবে না, এ পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণের জন্য চাই জনগণের আন্দোলন।
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফ বলেন, সরকারের কর্মকাণ্ড গণতন্ত্রের পক্ষে নয়। তারা মুখে বলে এক কথা, কাজে করে অন্যরকম। সরকার মনে করছে, এ অবস্থার পরিবর্তন হবে না। কিন্তু এটি তাদের অমুলক চিন্তা। আমরা মনে করি বর্তমান অবস্থা থেকে সরে না আসলে তাদের অধঃপতন অনিবার্য।
দিগন্ত টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সাদেক খান, আলমগীর মহিউদ্দিন, রেজোয়ান সিদ্দিকী, রুহুল আমিন গাজী, শওকত মাহমুদ, এমএ আজিজ, আবদুল হাই শিকদার, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, সৈয়দ আবদাল আহমেদ, এম আব্দুল্লাহ, শহিদুল ইসলাম, কামার ফরিদ, কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ।