পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

সিরিজে সমতা, সঙ্গে নিশ্চিত চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলা

ঢাকা: দক্ষিণ আফ্রিকার ছুঁড়ে দেয়া জয়ের ১৬৩ রানের লক্ষ্য স্বাগতিক বাংলাদেশ মাত্র ২৭.৪ ওভারেই তিন উইকেট হারিয়ে তুলে ফেলে। দাপুটে এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতায় ফিরল মাশরাফিরা।

একই সঙ্গে ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলাও নিশ্চিত করল মাশরাফিরা।

অথচ শুরুতেই সাজঘরে ফিরে গিয়ে আজও বিপদের আভাসই দেন তামিম ইকবাল। দলীয় ৫ রানে কাগিসো রাবাদার বলে সরাসরি বোল্ড হয়েছেন ৫ রান করা তামিম। এরপর সৌম্য সরকারের সঙ্গে দলের হাল ধরেন লিটন কুমার দাস। বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে সেই রাবাদার বলেই তিনিও বোল্ড হন, দলীয় ২৪ রানে। লিটন ১৪ বলে দুই বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় করেন ১৭ রান।

এরপর সৌম্য সরকার আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ দলের হাল ধরেন। ১৩৫ রানের দুর্দান্ত এই জুটি ভাঙে জয় থেকে মাত্র চার রান দূরে। ২৭তম ওভারে অ্যাবোটের প্রথম বলে বাউন্ডারি মেরে নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন রিয়াদ। পরের বলেই হাশিম আমলা হাতে ক্যাচ দেন তিনি।

রিয়াদ ৬৪ বলে ৬ বাউন্ডারিতে করেন ৫০ রান। এরপর সাকিব এসে চার বল মোকাবেলা করলেও কোন রান করেননি। পরের ওভারে প্রথম বলে দুই এবং চতুর্থ বলে ইমরান তাহিরকে ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন সৌম্য সরকার। তিনি শেষ পর্যন্ত ৮৮ রানে অপরাজিত থাকেন। ৭৯ বলের এই ইনিংস সৌম্য সাজান ১৩টি চার ও একটি ছক্কায়।

এর আগে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ৪৬ ওভারে মাত্র ১৬২ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন ফাফ ডু প্লেসিস।

টাইগারদের পক্ষে নাসির ও মুস্তাফিজ ৩টি করে এবং রুবেল হোসেন দুটি উইকেট নিয়ে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে ধসিয়ে দেন।

প্রথম ম্যাচে জিতে তিন ম্যাচে সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা এগিয়ে রয়েছে। আজ টাইগারদের সামনে সিরিজে সমতা ফেরার দারুণ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন বোলাররা।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

সিরিজে সমতা, সঙ্গে নিশ্চিত চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলা

আপডেট টাইম : ০৬:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০১৫

ঢাকা: দক্ষিণ আফ্রিকার ছুঁড়ে দেয়া জয়ের ১৬৩ রানের লক্ষ্য স্বাগতিক বাংলাদেশ মাত্র ২৭.৪ ওভারেই তিন উইকেট হারিয়ে তুলে ফেলে। দাপুটে এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে সমতায় ফিরল মাশরাফিরা।

একই সঙ্গে ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে খেলাও নিশ্চিত করল মাশরাফিরা।

অথচ শুরুতেই সাজঘরে ফিরে গিয়ে আজও বিপদের আভাসই দেন তামিম ইকবাল। দলীয় ৫ রানে কাগিসো রাবাদার বলে সরাসরি বোল্ড হয়েছেন ৫ রান করা তামিম। এরপর সৌম্য সরকারের সঙ্গে দলের হাল ধরেন লিটন কুমার দাস। বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে সেই রাবাদার বলেই তিনিও বোল্ড হন, দলীয় ২৪ রানে। লিটন ১৪ বলে দুই বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় করেন ১৭ রান।

এরপর সৌম্য সরকার আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ দলের হাল ধরেন। ১৩৫ রানের দুর্দান্ত এই জুটি ভাঙে জয় থেকে মাত্র চার রান দূরে। ২৭তম ওভারে অ্যাবোটের প্রথম বলে বাউন্ডারি মেরে নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন রিয়াদ। পরের বলেই হাশিম আমলা হাতে ক্যাচ দেন তিনি।

রিয়াদ ৬৪ বলে ৬ বাউন্ডারিতে করেন ৫০ রান। এরপর সাকিব এসে চার বল মোকাবেলা করলেও কোন রান করেননি। পরের ওভারে প্রথম বলে দুই এবং চতুর্থ বলে ইমরান তাহিরকে ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন সৌম্য সরকার। তিনি শেষ পর্যন্ত ৮৮ রানে অপরাজিত থাকেন। ৭৯ বলের এই ইনিংস সৌম্য সাজান ১৩টি চার ও একটি ছক্কায়।

এর আগে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ৪৬ ওভারে মাত্র ১৬২ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন ফাফ ডু প্লেসিস।

টাইগারদের পক্ষে নাসির ও মুস্তাফিজ ৩টি করে এবং রুবেল হোসেন দুটি উইকেট নিয়ে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে ধসিয়ে দেন।

প্রথম ম্যাচে জিতে তিন ম্যাচে সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকা এগিয়ে রয়েছে। আজ টাইগারদের সামনে সিরিজে সমতা ফেরার দারুণ সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন বোলাররা।