অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

বান্দরবানে বন্যার্তরা ত্রাণের জন্য হাহাকার

বান্দরবান : পার্বত্য জেলা বান্দরবানে বৃষ্টি কমে আসলেও বন্যা পরিস্থিতি অপরির্বতীত রয়েছে। আশ্রায় কেন্দ্রগুলোতে আশ্রীত বন্যার্থরা ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার করছে।

গত চার দিনের ভারী বর্ষনে পাহাড়ী ঢলে সাংগু,মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে এসব উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ১০ হাজার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যায়। এসময় পানি বন্দি হয়ে পড়ে পনের হাজার পরিবার। বন্যার্থরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানসহ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়।

সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত বন্ধ হলেও সারা দিনে বন্যার পানি কমেছে মাত্র এক ফুট। বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র আশ্রয় নেয়া বনার্থ্যদের মাঝে জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পৌরসভাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ত্রান সামগ্রী, শুস্ক খাবারসহ ভাত বিতরন করা হলেও এসব ত্রান সামগ্রী চাহিদার চেয়ে অপ্রতুল বলে জানিয়েছে বর্নাথ্যরা।

বান্দরবান সদরের আল-ফারুক স্কুল,শহর প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্র আশ্রীত আবুল খায়ের,জান্নাত আরা,ফজল করিম,সুমি আকতারসহ অনেকে জানান,সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোন সংস্থার পক্ষ থেকে তারা ত্রাণ সামগ্রী পায়নি। ছোট ছোট শিশুসহ নারী পুরুষ বনার্থ্যরা এক মুঠু খাবারের জন্য হাহাকার করছে। বান্দরবান জেলার চার উপজেলায় বন্যায় প্লাবিত হয়ে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ।

এদিকে রাতে যদি বৃষ্টি পাত না হয় তাহলে মঙ্গলবার সকাল থেকে পানি অনেক কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান বান্দরবান মৃত্তিকা গবেষনা অফিসার মাহাবুবুল আলম।

এছাড়াও বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়কের বাজালিয়া কলঘর এলাকায় এবং জেলা সদরের এম ই এস ও স্বর্ন জাদি এলাকার রাস্তা থেকে বন্যার পানি নেমে না যাওয়ার কারনে তৃতীয় দিনের মত সারা দেশের সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

বান্দরবানে বন্যার্তরা ত্রাণের জন্য হাহাকার

আপডেট টাইম : ০৫:০৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০১৫

বান্দরবান : পার্বত্য জেলা বান্দরবানে বৃষ্টি কমে আসলেও বন্যা পরিস্থিতি অপরির্বতীত রয়েছে। আশ্রায় কেন্দ্রগুলোতে আশ্রীত বন্যার্থরা ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার করছে।

গত চার দিনের ভারী বর্ষনে পাহাড়ী ঢলে সাংগু,মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে এসব উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় ১০ হাজার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যায়। এসময় পানি বন্দি হয়ে পড়ে পনের হাজার পরিবার। বন্যার্থরা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানসহ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়।

সোমবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত বন্ধ হলেও সারা দিনে বন্যার পানি কমেছে মাত্র এক ফুট। বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র আশ্রয় নেয়া বনার্থ্যদের মাঝে জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পৌরসভাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ত্রান সামগ্রী, শুস্ক খাবারসহ ভাত বিতরন করা হলেও এসব ত্রান সামগ্রী চাহিদার চেয়ে অপ্রতুল বলে জানিয়েছে বর্নাথ্যরা।

বান্দরবান সদরের আল-ফারুক স্কুল,শহর প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্র আশ্রীত আবুল খায়ের,জান্নাত আরা,ফজল করিম,সুমি আকতারসহ অনেকে জানান,সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোন সংস্থার পক্ষ থেকে তারা ত্রাণ সামগ্রী পায়নি। ছোট ছোট শিশুসহ নারী পুরুষ বনার্থ্যরা এক মুঠু খাবারের জন্য হাহাকার করছে। বান্দরবান জেলার চার উপজেলায় বন্যায় প্লাবিত হয়ে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ।

এদিকে রাতে যদি বৃষ্টি পাত না হয় তাহলে মঙ্গলবার সকাল থেকে পানি অনেক কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান বান্দরবান মৃত্তিকা গবেষনা অফিসার মাহাবুবুল আলম।

এছাড়াও বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়কের বাজালিয়া কলঘর এলাকায় এবং জেলা সদরের এম ই এস ও স্বর্ন জাদি এলাকার রাস্তা থেকে বন্যার পানি নেমে না যাওয়ার কারনে তৃতীয় দিনের মত সারা দেশের সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।