অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন

দিনাজপুরে মোবাইল প্রতারক চক্রের হোতাসহ আটক ২

দিনাজপুর: জেলায় মোবাইল ফোনে প্রতারণায় বিকাশের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের হোতা সাইফুল ইসলাম (২১) সহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছে একাধিক মোবাইল ফোন, অসংখ্য মোবাইল সিম ও নগদ ৮৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

রেকিং করে ব্যাপক গোয়েন্দা ফাঁদ ফেলে নীলফামারী ও দিনাজপুর পুলিশ অভিযান চালিয়ে বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় দিনাজপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- সাইফুল ইসলাম(২১) ও হিমেল দীপ্ত (২৫)। আটক সাইফুল ইসলাম নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার দক্ষিণ আমবাড়ী এলাকার সোহবার আলী’র ছেলে এবং হিমেল দীপ্ত নীলফামারী জেলার ডিমলা টুনির হাট এলাকার মফিজার রহমানের ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

দিনাজপুরের সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল সুশান্ত সরকার জানান, প্রতারক সাইফুল ইসলাম ও হিমেল দীপ্ত দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে মানুষকে প্রতারিত করে বিকাশের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছিলো। এই প্রতারণার জন্য তারা মোবাইল ফোনে কমপক্ষে তিন শতাধিক মোবাইল সিম ব্যবহার করেছে। নীলফামারী ও দিনাজপুর পুলিশ রেকিং এর মাধ্যমে ওই সিম নম্বর গুলো সনাক্ত করেছে। তাদের ধরার জন্য গোয়েন্দা ফাঁদও ফেলেছে। কিন্তু অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক চক্রটি বিষয়টি বুঝতে পেরে বার বার স্থান পরিবর্তন করে।

তাদের আটক করতে বুধবার সকাল থেকে গোয়েন্দা ফাঁদ ফেলে নীলফামারী জেলার সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ফিরোজ কবির, দিনাজপুর সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল সুশান্ত সরকার ও দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি রেদয়ানুল রহিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান অব্যাহত রাখে। রাত সাড়ে ১০টায় দিনাজপুর শহরের নিমতলাস্থ আবাসিক হোটেল ইউনিক এর ৩০২ রুম থেকে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।

এই প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন জনের কাছে ফোন করে নিজেকে ঘনিষ্টজন দাবি করে মা-বাবা ও ভাই-বোন হাসপাতাল অথবা অন্য কোনো স্থানে মারা গেছে। ১৫/ ২০ হাজার টাকার কারণে লাশটি ছাড়িয়ে আনতে পারছেন না। কেঁদে কেঁদে তা জানিয়ে টাকা ধার চেয়ে বিকাশ নম্বর দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া, হারিয়ে যাওয়া বা অপহৃত শিশু বা ব্যক্তি তাদের জিম্মায় রয়েছে বলে জানিয়ে মোটা টাকা দাবি করে বিকাশের মাধ্যমে নিতেন। এছাড়াও মোবাইল ফোন নম্বর গোপন করে বিভিন্নজনকে জানাতের তার আপনজন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। মৃত্যুর মুখোমুখি। এই বিকাশ নম্বরে তাড়াতাড়ি টাকা পাঠান। এছাড়াও জিনের বাদশা সেজেও মোবাইল ফোনে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতেন তারা।

Tag :

গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

দিনাজপুরে মোবাইল প্রতারক চক্রের হোতাসহ আটক ২

আপডেট টাইম : ০২:৪২:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৫

দিনাজপুর: জেলায় মোবাইল ফোনে প্রতারণায় বিকাশের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের হোতা সাইফুল ইসলাম (২১) সহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের কাছে একাধিক মোবাইল ফোন, অসংখ্য মোবাইল সিম ও নগদ ৮৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

রেকিং করে ব্যাপক গোয়েন্দা ফাঁদ ফেলে নীলফামারী ও দিনাজপুর পুলিশ অভিযান চালিয়ে বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় দিনাজপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- সাইফুল ইসলাম(২১) ও হিমেল দীপ্ত (২৫)। আটক সাইফুল ইসলাম নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার দক্ষিণ আমবাড়ী এলাকার সোহবার আলী’র ছেলে এবং হিমেল দীপ্ত নীলফামারী জেলার ডিমলা টুনির হাট এলাকার মফিজার রহমানের ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

দিনাজপুরের সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল সুশান্ত সরকার জানান, প্রতারক সাইফুল ইসলাম ও হিমেল দীপ্ত দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোনে মানুষকে প্রতারিত করে বিকাশের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছিলো। এই প্রতারণার জন্য তারা মোবাইল ফোনে কমপক্ষে তিন শতাধিক মোবাইল সিম ব্যবহার করেছে। নীলফামারী ও দিনাজপুর পুলিশ রেকিং এর মাধ্যমে ওই সিম নম্বর গুলো সনাক্ত করেছে। তাদের ধরার জন্য গোয়েন্দা ফাঁদও ফেলেছে। কিন্তু অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক চক্রটি বিষয়টি বুঝতে পেরে বার বার স্থান পরিবর্তন করে।

তাদের আটক করতে বুধবার সকাল থেকে গোয়েন্দা ফাঁদ ফেলে নীলফামারী জেলার সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ফিরোজ কবির, দিনাজপুর সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল সুশান্ত সরকার ও দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি রেদয়ানুল রহিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান অব্যাহত রাখে। রাত সাড়ে ১০টায় দিনাজপুর শহরের নিমতলাস্থ আবাসিক হোটেল ইউনিক এর ৩০২ রুম থেকে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।

এই প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন জনের কাছে ফোন করে নিজেকে ঘনিষ্টজন দাবি করে মা-বাবা ও ভাই-বোন হাসপাতাল অথবা অন্য কোনো স্থানে মারা গেছে। ১৫/ ২০ হাজার টাকার কারণে লাশটি ছাড়িয়ে আনতে পারছেন না। কেঁদে কেঁদে তা জানিয়ে টাকা ধার চেয়ে বিকাশ নম্বর দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া, হারিয়ে যাওয়া বা অপহৃত শিশু বা ব্যক্তি তাদের জিম্মায় রয়েছে বলে জানিয়ে মোটা টাকা দাবি করে বিকাশের মাধ্যমে নিতেন। এছাড়াও মোবাইল ফোন নম্বর গোপন করে বিভিন্নজনকে জানাতের তার আপনজন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। মৃত্যুর মুখোমুখি। এই বিকাশ নম্বরে তাড়াতাড়ি টাকা পাঠান। এছাড়াও জিনের বাদশা সেজেও মোবাইল ফোনে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিতেন তারা।