অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ Logo মিরপুর বিআরটিএতে দালাল চক্রের ২ সদস্য আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩০ দিনের কারাদণ্ড Logo পাটগ্রামে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান Logo জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৮ জন : বিআরটিএ Logo দায়িত্ব নিয়ে স্কুল পরিদর্শনে নবনির্বাচিত সভাপতি Logo লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে ট্রাকের চাপায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত Logo তিস্তায় নতুন ব্যারাজ নির্মাণের পরামর্শ কারিগরি কমিটির Logo এক দিন ছুটি নিলেই টানা ৪ দিনের ছুটি Logo স্বামী চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ Logo খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ

বৃষ্টি ও কবিতা

image

                           একজন নিশাদ

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
ছাতি-ছিদ্র ভেদ করে দুর্বল দানারূপে রমণীর
শরীর চুমে যাচ্ছে বৃষ্টিবিন্দু।
হোক কবিতায় কিংবা রমণীর উষ্ণতায়,
ঢলেপড়ার বদভ্যাসটা বৃষ্টির আর গেলোনা।

মেঘলা মহুয়ার সতেজতা রমণীর ভাললাগা হতে পারে,
তথাপী দুশ্চরিত্র বাতাস যখন আঁচল টানে আপন মনে-
রমণী ভেবে পায় না

ছাতা না আঁচল
বাতাস না বৃষ্টি।

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
জানালার ভাঙা অংশ দিয়ে ধেয়ে আসা প্রবল ঠান্ডা বাতাসেও
ঘেমে জবজবে সাধাসিধে যুবক,
একহাতে বর্ষজুড়ে এঁকে চলা পোট্রেট অন্যহাতে দিয়াশলাই।
ঝুল বারান্দার টবগুলোতে মিশে যেতে দেখা জলের বুদবুদ দেখে
ঈর্ষায় পরপর তিনবার গর্জে উঠেও ব্যর্থতার গুঞ্জন বাতাসে ভাসায় বারুদের ঘ্রাণ
খিলখিল শব্দে হেসে ওঠে কপাটগুলো।
যুবক ভেবে পায় না

অগ্নি না প্রেম
জল না মায়া

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
প্রাপ্তি কিংবা অপ্রাপ্তির অবস্থানে
সাঁতার কাটতে ব্যস্ত
কিছু তরুণ তরুনী।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

বৃষ্টি ও কবিতা

আপডেট টাইম : ০৭:১৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৪

image

                           একজন নিশাদ

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
ছাতি-ছিদ্র ভেদ করে দুর্বল দানারূপে রমণীর
শরীর চুমে যাচ্ছে বৃষ্টিবিন্দু।
হোক কবিতায় কিংবা রমণীর উষ্ণতায়,
ঢলেপড়ার বদভ্যাসটা বৃষ্টির আর গেলোনা।

মেঘলা মহুয়ার সতেজতা রমণীর ভাললাগা হতে পারে,
তথাপী দুশ্চরিত্র বাতাস যখন আঁচল টানে আপন মনে-
রমণী ভেবে পায় না

ছাতা না আঁচল
বাতাস না বৃষ্টি।

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
জানালার ভাঙা অংশ দিয়ে ধেয়ে আসা প্রবল ঠান্ডা বাতাসেও
ঘেমে জবজবে সাধাসিধে যুবক,
একহাতে বর্ষজুড়ে এঁকে চলা পোট্রেট অন্যহাতে দিয়াশলাই।
ঝুল বারান্দার টবগুলোতে মিশে যেতে দেখা জলের বুদবুদ দেখে
ঈর্ষায় পরপর তিনবার গর্জে উঠেও ব্যর্থতার গুঞ্জন বাতাসে ভাসায় বারুদের ঘ্রাণ
খিলখিল শব্দে হেসে ওঠে কপাটগুলো।
যুবক ভেবে পায় না

অগ্নি না প্রেম
জল না মায়া

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
প্রাপ্তি কিংবা অপ্রাপ্তির অবস্থানে
সাঁতার কাটতে ব্যস্ত
কিছু তরুণ তরুনী।