অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস Logo আমি বেঁচে থাকতে রূপগঞ্জের মানুষকে উচ্ছেদ করার কোনো অপচেষ্টা সফল হতে দেব না।’: দিপু ভূইয়া

প্রকাশিত হলো কবি আবদুল হাই শিকদারের ‘আমরা মানুষ আমরা এসেছি’

অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে প্রকাশিত হলো জুলাই বিপ্লব নিয়ে প্রথম কাব্যগ্রন্থ, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী, বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক,রাজনীতিবিদ,সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক কবি আবদুল হাই শিকদারের কবিতার বই ‘আমরা মানুষ আমরা এসেছি’। বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনন্যার কর্নধার মনিরুল হক । প্রকাশক জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত কবিতার বইটির মূল্য রাখা হয়েছে ২৫০ টাকা। কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, অবরুদ্ধ রক্তাক্ত বাংলাদেশের কবিতা
🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥
আমরা মানুষ আমরা এসেছি
🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥

জুলাই বিপ্লবের গনগনে দিনে ,
১৫ বছরের হামলা, মামলা, গুম খুনের হাড়হিম করা ভয়কে উপেক্ষা করে ,
আমাদের সন্তানদের বুকের রক্ত ঢালা দেশে ,
তাদের কণ্ঠের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে,
পায়ের সাথে পা মিলিয়ে, মিছিলে, স্লোগানে, সভা সেমিনারে, ইউটিউবে, আন্দোলনে, সংগ্রামে , টিয়ার গ্যাস, বুলেটবৃষ্টির মধ্যে চলতে চলতে , আহার নিদ্রাহীন সেই উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগাকুল সময়ে,যে সব কবিতা লিখেছিলাম তাই গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হলো । কালের দলিল এইসব রক্তাক্ত পংক্তিমালা একুশে মেলায় আসুক, এটাই চেয়েছিলাম । কিন্তু “ অন‍ন‍্যা “ কর্ণধার আমার প্রিয় প্রকাশক মনিরুল হকের অত দেরি সহ্য হয়নি । তিনি আজই আমার হাতে তুলে দিলেন বই । আমি তো অভিভূত! ধ্রুব এষের প্রচ্ছদে শোভিত হয়েছে এ কাব্য ।

আবদুল হাই শিকদার (জন্মঃ ১৯৫৭ সাল) বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক,রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক।[১] সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রায় সকল অঙ্গণে তার রয়েছে সরব পদচারণা। তবে কবি হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত। মানবতা, স্বাধীনতা, জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক এই কবির মুখে সবসময় ধ্বনিত হয়েছে প্রেম, প্রকৃতি, বিশ্বমানবতা, শোষণমুক্ত সমাজ ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের কথা। এজন্য ১৯৯৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরে কবি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হলেও মানবমুক্তির স্বপ্ন, মুক্তচিন্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি আছেন আপোষহীন। তার লেখনীতে বাংলাদেশের জাতিসত্তা ও বিশ্বমানবতার কথা প্রকাশ পাওয়ায় কবি আবদুল হাই শিকদারকে ‘জাতিসত্ত্বার কবি’ও বলা হয়ে থাকে।[২] জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্য অনুসন্ধানেও গণমাধ্যমে তিনি পালন করেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত তার শিকড় সন্ধানী ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “কথামালা” তাকে এনে দেয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এছাড়াও তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কর্মজীবন
কবি আবদুল হাই শিকদার সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কাজ করেন। তিনি সরকারি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমেও যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গুরত্বপূর্ণ কর্মকান্ডের সাথে তিনি যুক্ত । তিনি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের আজীবন সদস্য, উপদেষ্টা, সহ-সভাপতি, সভাপতি ও সদস্য সচিব হিসেবে যুক্ত আছেন। তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি, শত নাগরিক জাতীয় কমিটি, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ, জাতীয় নজরুল সমাজ, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম ইত্যাদি সংগঠনের অন্যতম সংগঠক। তিনি বাংলা একাডেমীর একজন ফেলো; । তিনি নজরুল ইনস্টিটিউট এর নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।[৪] দৈনিক আমার দেশ-এর সিনিয়র সহকারী সম্পাদক ও ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (UODA) এর সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নাগরিক সমাজের জাতীয় সংগঠন “শত নাগরিক” জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।এছাড়াও তিনি বর্তমান বাংলাদেশ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় (BIU)-এ অধ্যাপনা করছেন।

সাংবাদিকতা
কবি আবদুল হাই শিকদার পড়াশোনা সম্পন্ন করার পরপরই পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা বেছে নেন। তিনি ছাত্র অবস্থাতেই ১৯৭৭ সালে ‘শাব্দিক সাহিত্যপত্র’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট এবং জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে যুক্ত ছিলেন। সূদীর্ঘ ৪৪ বছরের সাংবাদিকতার পরিক্রমায় প্রতিবেদক, সহকারী সম্পাদক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সবই যুক্ত হয়েছে তার নামের সাথে। সাপ্তাহিক সচিত্র স্বদেশ দিয়ে ১৯৮১ সালে তার পেশাগত সাংবাদিকতার জীবন শুরু। পর্যায়ক্রমে মাসিক এখন (৮৬-৮৭), দৈনিক মিল্লাত (১৯৮৭-১৯৯৪), সাপ্তাহিক বিচিত্রা (১৯৯৪-১৯৯৭), দৈনিক ইনকিলাব (১৯৯৭-২০০৪), পত্রিকার সাথে যুক্ত হন। ২০০৪-২০০৫ তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ফিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।[৪] ২০০৭ সাল থেকে তিনি দৈনিক আমার দেশ- এর সিনিয়র সহকারী সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০১৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২ টার্মে টানা চার বছর (২০১৩-১০১৬) সফলতার সাথে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত হলো কবি আবদুল হাই শিকদারের ‘আমরা মানুষ আমরা এসেছি’

আপডেট টাইম : ১১:৪৯:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে প্রকাশিত হলো জুলাই বিপ্লব নিয়ে প্রথম কাব্যগ্রন্থ, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী, বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক,রাজনীতিবিদ,সাহিত্যিক এবং সাংবাদিক কবি আবদুল হাই শিকদারের কবিতার বই ‘আমরা মানুষ আমরা এসেছি’। বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অনন্যার কর্নধার মনিরুল হক । প্রকাশক জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত কবিতার বইটির মূল্য রাখা হয়েছে ২৫০ টাকা। কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, অবরুদ্ধ রক্তাক্ত বাংলাদেশের কবিতা
🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥
আমরা মানুষ আমরা এসেছি
🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥🔥

জুলাই বিপ্লবের গনগনে দিনে ,
১৫ বছরের হামলা, মামলা, গুম খুনের হাড়হিম করা ভয়কে উপেক্ষা করে ,
আমাদের সন্তানদের বুকের রক্ত ঢালা দেশে ,
তাদের কণ্ঠের সাথে কণ্ঠ মিলিয়ে,
পায়ের সাথে পা মিলিয়ে, মিছিলে, স্লোগানে, সভা সেমিনারে, ইউটিউবে, আন্দোলনে, সংগ্রামে , টিয়ার গ্যাস, বুলেটবৃষ্টির মধ্যে চলতে চলতে , আহার নিদ্রাহীন সেই উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগাকুল সময়ে,যে সব কবিতা লিখেছিলাম তাই গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হলো । কালের দলিল এইসব রক্তাক্ত পংক্তিমালা একুশে মেলায় আসুক, এটাই চেয়েছিলাম । কিন্তু “ অন‍ন‍্যা “ কর্ণধার আমার প্রিয় প্রকাশক মনিরুল হকের অত দেরি সহ্য হয়নি । তিনি আজই আমার হাতে তুলে দিলেন বই । আমি তো অভিভূত! ধ্রুব এষের প্রচ্ছদে শোভিত হয়েছে এ কাব্য ।

আবদুল হাই শিকদার (জন্মঃ ১৯৫৭ সাল) বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক,রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক।[১] সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রায় সকল অঙ্গণে তার রয়েছে সরব পদচারণা। তবে কবি হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত। মানবতা, স্বাধীনতা, জাতীয়তাবাদী চেতনার ধারক এই কবির মুখে সবসময় ধ্বনিত হয়েছে প্রেম, প্রকৃতি, বিশ্বমানবতা, শোষণমুক্ত সমাজ ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের কথা। এজন্য ১৯৯৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরে কবি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হলেও মানবমুক্তির স্বপ্ন, মুক্তচিন্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে তিনি আছেন আপোষহীন। তার লেখনীতে বাংলাদেশের জাতিসত্তা ও বিশ্বমানবতার কথা প্রকাশ পাওয়ায় কবি আবদুল হাই শিকদারকে ‘জাতিসত্ত্বার কবি’ও বলা হয়ে থাকে।[২] জাতীয় ইতিহাস ও ঐতিহ্য অনুসন্ধানেও গণমাধ্যমে তিনি পালন করেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত তার শিকড় সন্ধানী ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “কথামালা” তাকে এনে দেয় ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এছাড়াও তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

কর্মজীবন
কবি আবদুল হাই শিকদার সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কাজ করেন। তিনি সরকারি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমেও যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গুরত্বপূর্ণ কর্মকান্ডের সাথে তিনি যুক্ত । তিনি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের আজীবন সদস্য, উপদেষ্টা, সহ-সভাপতি, সভাপতি ও সদস্য সচিব হিসেবে যুক্ত আছেন। তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি, শত নাগরিক জাতীয় কমিটি, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ, জাতীয় নজরুল সমাজ, মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম ইত্যাদি সংগঠনের অন্যতম সংগঠক। তিনি বাংলা একাডেমীর একজন ফেলো; । তিনি নজরুল ইনস্টিটিউট এর নির্বাহী পরিচালক ছিলেন।[৪] দৈনিক আমার দেশ-এর সিনিয়র সহকারী সম্পাদক ও ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (UODA) এর সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নাগরিক সমাজের জাতীয় সংগঠন “শত নাগরিক” জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন।এছাড়াও তিনি বর্তমান বাংলাদেশ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় (BIU)-এ অধ্যাপনা করছেন।

সাংবাদিকতা
কবি আবদুল হাই শিকদার পড়াশোনা সম্পন্ন করার পরপরই পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা বেছে নেন। তিনি ছাত্র অবস্থাতেই ১৯৭৭ সালে ‘শাব্দিক সাহিত্যপত্র’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট এবং জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে যুক্ত ছিলেন। সূদীর্ঘ ৪৪ বছরের সাংবাদিকতার পরিক্রমায় প্রতিবেদক, সহকারী সম্পাদক, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সবই যুক্ত হয়েছে তার নামের সাথে। সাপ্তাহিক সচিত্র স্বদেশ দিয়ে ১৯৮১ সালে তার পেশাগত সাংবাদিকতার জীবন শুরু। পর্যায়ক্রমে মাসিক এখন (৮৬-৮৭), দৈনিক মিল্লাত (১৯৮৭-১৯৯৪), সাপ্তাহিক বিচিত্রা (১৯৯৪-১৯৯৭), দৈনিক ইনকিলাব (১৯৯৭-২০০৪), পত্রিকার সাথে যুক্ত হন। ২০০৪-২০০৫ তিনি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ফিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।[৪] ২০০৭ সাল থেকে তিনি দৈনিক আমার দেশ- এর সিনিয়র সহকারী সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০১৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ২ টার্মে টানা চার বছর (২০১৩-১০১৬) সফলতার সাথে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।