পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

অর্থ আত্মসাৎ: বেড়া পৌর মেয়রসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

পাবনা: সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাবনার বেড়া পৌরসভার মেয়র আব্দুল বাতেনসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আলাদা দু’টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার রাতে দুদক পাবনার উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে পাবনার বেড়া থানায় মামলা দু’টি দায়ের করেন।

বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমরা মামলা নিলেও এর তদন্ত করবে দুদক।

উল্লেখ্য, মেয়র আব্দুল বাতেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর আপন ছোট ভাই।

মামলার বিবরণে জানা যায়, নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বেড়া সিএন্ডবি করমজা নতুন হাটকে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানাধীন দেখিয়ে ১ বছরের স্থলে দুই দফায় ১৩ বছর অবৈধভাবে ইজারা দিয়ে ভোগদখল করেন মেয়র বাতেনসহ আসামিরা। শুধু তাই নয়, রাজস্ব আয় বাবদ প্রায় ৭৮ লাখ ৬ হাজার ৮৪৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আসামিরা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ দুদকের।

১৭ নম্বর মামলার আসামিরা হলেন- মেয়র আব্দুল বাতেন, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার ফিরোজুল আলম, পৌর কাউন্সিলর যথাক্রমে হাবিবুর রহমান হবি, আবু দাউদ শেখ, জয়নাল আবেদিন, শামসুল হক খান, এনামুল হক শামিম, আব্দুর রাজ্জাক সরদার, ইসলাম উদ্দিন, আব্দুস সামাদ মহলদার, শহিদ আলী, মহিলা কাউন্সিলর নার্গিস আক্তার এবং হাটের ইজারাদার মাহবুব হোসেন বাবলু। অপর মামলায়ও এসব আসামি রয়েছেন। শুধু ১৩ নম্বর আসামি মাহবুব ওরফে বাবলুর জায়গায় সংযুক্ত করা হয়েছে আরেক ইজারাদার রফিকুন নবীর নাম।

দুদক পাবনার উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন জানান, একটি মামলায় অভিযুক্তদের দ্বারা সরকারের ৭৬ লাখ ৩ হাজার ৬০০ টাকা এবং অপর মামলায় ২ লাখ ৩ হাজার ২৪৫ টাকা ক্ষতি দেখানো হয়েছে। যে টাকা বিধি মোতাবেক সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার কথা ছিল আসামিদের।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

অর্থ আত্মসাৎ: বেড়া পৌর মেয়রসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট টাইম : ০৩:০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৫

পাবনা: সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাবনার বেড়া পৌরসভার মেয়র আব্দুল বাতেনসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আলাদা দু’টি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার রাতে দুদক পাবনার উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে পাবনার বেড়া থানায় মামলা দু’টি দায়ের করেন।

বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মশিউর রহমান মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আমরা মামলা নিলেও এর তদন্ত করবে দুদক।

উল্লেখ্য, মেয়র আব্দুল বাতেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর আপন ছোট ভাই।

মামলার বিবরণে জানা যায়, নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বেড়া সিএন্ডবি করমজা নতুন হাটকে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানাধীন দেখিয়ে ১ বছরের স্থলে দুই দফায় ১৩ বছর অবৈধভাবে ইজারা দিয়ে ভোগদখল করেন মেয়র বাতেনসহ আসামিরা। শুধু তাই নয়, রাজস্ব আয় বাবদ প্রায় ৭৮ লাখ ৬ হাজার ৮৪৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আসামিরা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ দুদকের।

১৭ নম্বর মামলার আসামিরা হলেন- মেয়র আব্দুল বাতেন, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী খন্দকার ফিরোজুল আলম, পৌর কাউন্সিলর যথাক্রমে হাবিবুর রহমান হবি, আবু দাউদ শেখ, জয়নাল আবেদিন, শামসুল হক খান, এনামুল হক শামিম, আব্দুর রাজ্জাক সরদার, ইসলাম উদ্দিন, আব্দুস সামাদ মহলদার, শহিদ আলী, মহিলা কাউন্সিলর নার্গিস আক্তার এবং হাটের ইজারাদার মাহবুব হোসেন বাবলু। অপর মামলায়ও এসব আসামি রয়েছেন। শুধু ১৩ নম্বর আসামি মাহবুব ওরফে বাবলুর জায়গায় সংযুক্ত করা হয়েছে আরেক ইজারাদার রফিকুন নবীর নাম।

দুদক পাবনার উপসহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন জানান, একটি মামলায় অভিযুক্তদের দ্বারা সরকারের ৭৬ লাখ ৩ হাজার ৬০০ টাকা এবং অপর মামলায় ২ লাখ ৩ হাজার ২৪৫ টাকা ক্ষতি দেখানো হয়েছে। যে টাকা বিধি মোতাবেক সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার কথা ছিল আসামিদের।